somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তির স্বাদ

০১ লা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুক্তির স্বাদ

“ বাবারে মরে গেলাম রে--- ,কে কুন্টি আছুরে----হামাক ধর---রে--?
আর পারিনে রে--- ও বাবা গো – ও মা গো ,হামাক নিয়ে যাও গো-।
আর পারিনে – উ-আহ-উ-আহ-ইস ওরে------------------------?
ওরে বাবাগো-------- মরে গেলেম রে---!
আহারে-----আহারে----।
বিষ দেও গো, হামাক এনা বিষ দেও---উহ –আহ--- মরে গেলেম রে—!
এ ধররে---------------------------?”
এমন নানান শব্দের চেঁচানিতে ঘুম ভেঙ্গে যায় পাশের বাড়ির রইচ উদ্দিন মোল্লার । সে ঘুম ঘুম চোখে কান খাড়া করে শুনতে চায় শব্দের গভীরতা । কেননা রাত যতো ভারী থেকে ভারী হয়, চাঁদ থেকে দুধের জোস্ন্যা যখন ঝলমল করে টিনের চালে , তখন জামিলা বুড়ির এমন তীব্র পা-ভাঙ্গার ব্যাথার চেঁচামেচি বাড়তেই থাকে । একটু পরে কানের ঝাঁপি নামিয়ে রইচ উদ্দিন মোল্লা লেপ মুড়ি দিয়ে গুটিসুটি হয়ে গভীর নিদ্রা যায় । সে জানে এমন চেঁচামেচি জামিলা বুড়ি প্রায় রাতেই করে থাকে । এতে ওতোটা চিন্তিত হবার কিছুই নাই । তার চেঁচানিতে উতলা হতে থাকে মধ্যে রাতের বাঁকা চাঁদের হাসি । সেও বিরক্ত হয় কিছুটা রইচ উদ্দিন মোল্লার মতো । আর তাইতো মাঝ রাত্রিতে মেঘের আড়ালে মুখ লুকোতে চায় বারবার ।
কিন্তু জামিলা বুড়ির চিৎকার-চেঁচামেচি থামে না কিছুতেই । বরং রাতের সাথে পাল্লা দিতে দিতে এর প্রখরতা আরো বাড়তে বাড়তে ঠিক ফজরের আগে এসে নিস্তেজ হয়,সতেজ হয়,প্রশান্তিতে ঘুমোয় জামিলা বুড়ি ।
অবশ্য গরমকালে তার চেঁচামেচি কিছুটা কম থাকলেও শীত বাড়ার সাথে সাথে তার চেঁচামেচি সমান তালে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে । তখন রইচ উদ্দিনরা বে-ভোরে সারারাত ঘুমোয় । ঘুম থেকে সকাল সকাল উঠে কাজে বেরিয়ে পড়ে । কিন্তু জামিলা বুড়ির বিছানা ছাড়ার কোন প্রশ্নই আসে না । কেননা এই এক বিছানা ছেড়ে বাইরে যাবার কোন সুযোগ তার জন্য এখন আর বরাদ্দ নেই । খোদার উপর এই আক্ষেপ নিয়ে সে বসে বসে তসবিহ গোনে দিনের পর দিন , বছরের পর বছর ।
এভাবেই স্যাঁতস্যাঁতে বিছানায় ভাঙ্গা পা নিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছে সে দীর্ঘ ৯ টি বছর ।
জামিলা বুড়ির বিছানার কোন পরিবর্তন হয় না । পড়ে থাকে ,থাকতে হয় দিনের পর দিন ,এক বিছানা , এক চাদর,এক বালিসে । জানালার পাশে আতা গাছে বাসা বাঁধা টুনটুনি পাখিটাই তার একমাত্র সাথী ।


কথা বলার ,দুঃখ বোঝার ,গাল বেয়ে অঝর ধারায় বয়ে চলা অশ্রু মুছে দেবার একমাত্র সাথী । তাই তো সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি জানালার শিকের ফাঁক গলিয়ে ,উকি দিয়ে ,এদিক ওদিক তাকিয়ে টুনটুনির সাথে কথা কয়,গল্প করে । সুখ-দুখের গল্প,পায়ের অসহ্য যন্ত্রনার গল্প,মনের ব্যাথ্যার গল্প । গল্প বলতে বলতে চোখে জ্বল নামে , সে জ্বলের পানি তীব্র গরম । মনের ব্যাথ্যার সকল আগুন পানি হয়ে চোখ দিয়ে ,গাল হয়ে,চিবুক হয়ে বঙ্গোপোসাগরের মোহনায় গিয়ে মিশতে চায় । কখনো মেশে ,আবার কখনো গায়ের ছেড়া কাথায় গিয়ে হারিয়ে যায় ,শুকিয়ে যায় ।
জামিলা বুড়ির চোখের জ্বলে টুনটুনিও জ্বলজ্বল করে তাকিয়ে থাকে,সেও কাঁদে ।
জামিলার ব্যাথ্যায় ব্যাথিত হয়ে মাঝে মাঝে সেও ডুকরে কেঁদে ওঠে !
শুধু খেয়াল করে না,দেখতে পায়না ,সামান্য ব্যাথ্যাও অনুভব করেনা জামিলার কাছের ,অতি কাছের কেউ । যাদের সে খাইয়েছে ,পড়িয়েছে, বড় করে আলাদা সংসার গড়িয়ে দিয়েছে । ঠিক টুনটুনির মতো করে । দিনরাত কি পরিশ্রম আর নিদারুণ কষ্টই না করতে হয়েছে তাকে । খেয়ে না-খেয়ে , নিজের মুখের খাবার উগলিয়ে দিয়েছে ওদের,নিজে না খেয়ে পেট ভরিয়েছে । টুনটুনি যেমন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ে খাবারের খোজে । সারাদিন খোজাখুজি শেষে মুখে কিছু নিয়ে ভেতর থেকে উগলিয়ে খাইয়ে দেয় ওর বাছাদের ।
উগলিয়ে শান্তি পায় সে,সেকি প্রচন্ড শান্তি !
জামিলা বুড়িও তো এই ভাঙ্গা পায়ে দাঁড়িয়ে এই হাতে হাত ধরে ওদের হাটা শিখিয়েছে ।

টুনটুনির বাসায় এখন দুটি ছানা । এই দুটি ছানাকে বড় করতে টুনটুনির কতো পরিশ্রমই না করে যাচ্ছে দিনরাত । নিজের মুখের খাবার উগলিয়ে দিচ্ছে বাছাদের মুখে, ওদের সুখেই টুনটুনির যতো সুখ ।
জামিলা বুড়ি এসব দেখে ফিরে যায় তার যৌবনে । ভাবতে থাকে যৌবনের কথা , বাপের বাড়ির কথা,শশুর বাড়িতে আসার কথা । কতো সহজেই না বাপের বাড়ির বদলে শশুর বাড়িকে আপন ,অতি আপন করেছিলো সে ।
সারাদিন কতো ব্যাস্ততা !
সামান্য বসে থাকার ফুসরত ছিলো না তার । সংসারের ভালো মন্দ সবই ছিলো তার ঘাড়ে । সারাদিন কাজ আর কাজ । কিন্তু আজ তার হাতে অফুরন্ত সময় ,কোন কাজ নেই টুনটুনির সাথে গল্প করা ছাড়া । বাড়ির সবাই প্রচন্ড ব্যাস্ত আর ব্যাস্ত । শুধু ব্যাস্ততা নেই জামিলা বুড়ির । তাইতো নিথর মনে একনাগাড়ে দীর্ঘ ৯ টি বছর এই এক বিছানাতেই কাটিয়ে দিচ্ছে সে । খাওয়া-দাওয়া , হাগা-মুতা সবই এখানে । সামান্য পরিশ্রমের সুযোগও রাখা হয়নি তার জন্য । এমনকি হাগা-মুতা কমানোর জন্য দিনে তিনবেলার জায়গাতে দুই বেলা খায় সে । সে কিছুতেই চায়না তার জন্য অন্যরা বিরক্ত হোক । কিন্তু তার চাওয়া না চাওয়াতে কিছু যায় আসে না । অন্যরা এমনিতেই বিরক্ত হয় , প্রচন্ড বিরক্ত হয় ।
জামিলা বুড়ি শুয়ে-বসে ভাবে এভাবে বসে বসে আর কতো ?
আর কতো অন্ন ধ্বংস করবে সে । এবার সে মুক্তি চায়,একেবারে মুক্তি ।
তাইতো রাত নেমে এলেই বিষ চায় সে ।
বিষ খেয়ে চিরদিনের কষ্ট,যন্ত্রনা থেকে মুক্ত হয়ে টুনটুনির মতো স্বাধীনভাবে পাখনা মেলে উড়তে চায় মুক্ত আকাশে । কিন্তু কেউই তাকে স্বাধীনতার স্বাদ পেতে দেয় না । মুক্তি দেয় না কিছুতেই । মুক্তি দেবার বদলে প্রতিদিন ৫০০ পাওয়ারের ডাইক্লোফিন ট্যাবলেট খাইয়ে তার যন্ত্রনাকে বইয়ে নিয়ে যায় দিনের পর দিন ।
কিন্তু মনের ব্যাথ্যা দূর করবার কোন চেষ্টাই করে না কেউ । বরং যতো পারে ,যতো দীর্ঘ করে , মনের কষ্টকে বাড়িয়ে দেয় বহু গুণ ।
প্রথম প্রথম তীব্র ব্যাথ্যা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধপত্র চাইতো সে । এখন আর ওষুধ চায় না । এখন চাওয়া শুধু একশিশি বিষ । কারন সে এরি মধ্যে বুঝে গেছে মরণ ছাড়া তার মুক্তি নেই । কিন্তু মরণ যেহেতু তার হাতের বিষয় নয় সেহেতু বিষ-ই তার একমাত্র ভরসা ।
জামিলা বুড়ি ডুকরে ডুকরে কাঁদছে । জানালার ওপাশে হয়তো টুনটুনিটাও জেগেছে । সেও জামিলার ব্যাথ্যায় তীব্র ব্যাথ্যা অনুভব করছে । তারও বোধহয় চোখে জ্বল ছলছল করছে । শুধু জামিলার চেচানিতে সাড়া নেই পাশের ঘরে থাকা তার স্বজনদের । বেভোরে ঘুমোচ্ছে তারা । সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর প্রশান্তির ঘুম । জামিলার ব্যাথ্যায় বিন্দুমাত্র মাথা ব্যাথ্যা নেই তাদের ।
অবশ্য প্রথম প্রথম কিছুটা ব্যাথ্যা তারাও অনুভব করেছিলো । তাদেরও যন্ত্রণা হচ্ছিলো খানিকটা । দু-একদিন চোখের জ্বল তারাও ফেলেছিলো অনেককটা । দূরের আত্বীয়-স্বজন পথ্যি-খাবার নিয়ে যাতায়াত করেছিলো মাসখানিক ।
তারপর !
তারপর সব আস্তে আস্তে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে । আসা-যাওয়া কমেছে ধীরে ধীরে । কমতে কমতে এখন শূণ্যর কোঠায় ঠেকেছে সব । হাসপাতাল-ডাক্তার-ওষুধ এসবও চলেছে বছর খানেক । আস্তে আস্তে সবই বদলেছে । নিয়মে বদলেছে ,অনিয়মে বদলিয়েছে । হিংসায় বদলিয়েছে ,ব্যাস্ততায় বদলিয়েছে, কারনে–অকারনে বদলিয়েছে । হাসপাতাল-ডাক্তার-ওষুধের বদলে চলছে শুধু ডাইক্লোফিন দিয়ে ।
ব্যাথ্যা কমানোর ওষুধ ।

কিন্তু ব্যাথ্যা তো কমেনি কিছুতেই । বরং সময় যতো গড়িয়েছে-
ধাপে ধাপে ,পাল্লা দিয়ে ,প্রচন্ড গতিতে মনের ব্যাথ্যা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে ।
প্রতিদিন ফজরের আগে জামিলা বুড়ির ব্যাথ্যা কিছুটা কমে, কমতে কমতে আস্তে আস্তে সুস্থির হয় । শান্তিতে ঘুমিয়ে যায় সে । কিন্তু ব্যাথ্যা আজ কিছুতেই কমছে না । বরং বেড়েই চলছে । অবস্থা এমন দেখে টুনটুনি আজ কিছুটা অস্থির । সেও চিন্তিত জামিলার অবস্থায় । তার কাছেও ব্যাপারটা অন্যরকম ঠেকছে । আর তাই এই মাঝ রাতেও নিজের বাসা ছেড়ে জানালার কাছে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে । জানালা বন্ধ তাই নিরাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে আপন নিড়ে । কিন্তু মন কিছুতেই স্থির করতে পারছে না । বুকে সেও প্রচন্ড ব্যাথ্যা অনুভব করছে । জামিলা বুড়িকে এক নজর না দেখার ব্যাথ্যা । কিন্তু এই রাতে জামিলা কে দেখার কোন সুযোগ নেই তার হাতে । সেও আজ কাঁদছে , প্রচন্ড জোরে কাঁদছে, বুকের সকল শক্তি খাটিয়ে কাঁদছে । কেঁদে-কুটে বুক ভাসাচ্ছে । আজ সে একা হতে যাচ্ছে ।
দীর্ঘ দিনের গল্প বলার সাথী হারাচ্ছে সে । আর তাই তার মনে এতো ব্যাথ্যা ।
জামিলা বুড়ি সমান তালে চিল্লাচ্ছে । ব্যাথ্যার এমন তীব্রতা দেখে খানিক বাদে পাশের ঘরের বড় বউ উঠে আসে । গলা উচিয়ে,খেকিয়ে,ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করে আজ তার কি হয়েছে ? কেন সে তাদের শান্তির ঘুম হারাম করে দিচ্ছে । এতো চেঁচামেচি কেন ?
শান্তিতে কি একটু ঘুমাতেও পারবো না ?
ওষুধ খাওয়ার পরও এতো ব্যাথ্যা কিসের ?
কিন্তু জামিলা উত্তর দিতে গিয়েও দিতে পারে না । বোঝাতে পারে না এ ব্যাথ্যা কিসের ব্যাথ্যা ।
এ কষ্ট কিসের কষ্ট ।
কিন্তু সে জানে আজ তার মুক্তি হবে ,চিরদিনের মুক্তি । যে মুক্তির স্বাদ পেতে অপেক্ষা করেছে বছরের পর বছর । আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ । আজ মুক্তি মিলবে সকল কষ্ট থেকে ,সকল যন্ত্রনা থেকে ।
জামিলার গলার আওয়াজ কমতে থাকে ,ধীর থেকে আরো ধীর হতে থাকে । নিস্তেজ হয়, সতেজ হয় , কোমল-মলিন হতে হতে অসাড় হয় । প্রতিদিন সে সারা রাত চীৎকার চেঁচামেচি শেষে ফজরে শান্তিতে ঘুমোয় । আজও ব্যাতিক্রম কিছুই ঘটছে না । ফজর হতে না হতেই তার দু-চোখ ভেঙ্গে ঘুম আসে ,তীব্র ঘুম । সুখের ঘুম ,প্রশান্তির ঘুম ,স্বাধীন হবার ঘুম ।
ব্যাতিক্রম শুধু একটাই !
প্রতিদিন ফজরে ঘুমোনোর আগে পাশে কেউই থাকে না ,এমনকি টুনটুনিও না । আজ সবাইকে পাশে রেখে ,সারিবদ্ধভাবে দাড় করিয়ে সে ঘুমোচ্ছে । ওদিকে টুনটুনিটাও ডুকরে ডুকরে কাঁদছে , স্বজন হারানোর কান্না সে কিছুতেই থামাতে পারছে না ।




এম এম মেহেরুল
লেখক ও চেয়ারম্যান,আলোর প্রদীপ ।
ই-মেইল- [email protected]

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×