বিএনপি :: হ্যাঙ না রি-স্টার্ট................................
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
শেষ পর্যন্ত নানা কিছুর পরে বিএনপির নেতৃত্ব একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, নিজেদের জন্য সামগ্রিক পরিস্থিতি বেশ ঘোলা করেই। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য কতোটা ইতিবাচক হবে বা তারা একে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যেতে পারবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে নতুন বছরের শুরুতে আন্দোলনের নামে তাদের কর্মকান্ড এবং সরকারের আন্দোলন প্রতিরোধ-কোনটিই জনগণকে মূহুর্তের জন্যও স্বস্তি দেয়নি। অগনন পোড়া ও গুলিবিদ্ধ লাশের ওপর দাঁড়িয়ে বিএনপি জোট সিটি নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়ে কি অর্জন করতে চাইছে, বোধগম্য নয় সেটি। তারা মানছেন, এ নির্বাচন তামাশার, এটি জেনেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন, ‘তামাশা’ তৈরীতে সহায়তার জন্য! তাদের অবরোধ-হরতালের মত প্রাণঘাতী তামাশার বিপরীতে বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘোষণা আরেকটি তামাশার সূচনা তো ঘটাতেই পারে। এই নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য তারা ‘শত নাগরিক জাতীয় কমিটি’ নামে একটি প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছেন। সেখানে জড়ো হয়েছেন তাদের ঘরানার দলদাস বুদ্ধিজীবি ও সুশীলরা। সেই বহুল আলোচিত নির্বাচন কমিশন এবং শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই তারা সিটি নির্বাচনে যাচ্ছে, এই শতদের ব্যানারে।
আট বছর পর সরকার বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘোষণা করেছে। বছরের পর বছর মামলার ছুতোয়, সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার এই নির্বাচন আটকে ছিল। অত:পর জনগণকে সেবা প্রদানের নামে করপোরেশনকে বিভক্ত করা হয়, নিয়োগ দেয়া হয় প্রশাসক। মামলা ও সীমানা নির্ধারণ জটিলতা কাটিয়ে সিটি নির্বাচনের মোক্ষম সময়টিই বেছে নিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। সম্ভবত: তারা ধরে নিয়েছিল, আগের ধারাবাহিকতায় বিএনপি এই নির্বাচনও বয়কট করবে। কিন্তু বিএনপি সে পথে যায়নি, যদ্দুর জানা যায়, লন্ডনী সিদ্ধান্ত ছিল নির্বাচনে না যাওয়া। সেটি হতো আরেক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এখন দেখার অপেক্ষা, বিএনপি কিভাবে একটি অসম সুযোগ ও অসমতল মাঠে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং ক্ষমতাসীন দলের ত্রিমুখী কৌশল মোকাবেলা করে তার দলীয় অবস্থান কোথায় নিয়ে যেতে পারে।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ পাখির জগত

টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।
টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।
বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহভঙ্গ!

পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।