somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যার আলয়ের প্রস্তুতি

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নতুন বছরের প্রথম মাস প্রায় শেষ, অবশেষে এর নতুনত্বটা অনুভব করা শুরু করেছি (সব কিছুর মত এ ব্যাপারেও দেরি... । মীরাকে নিয়ে যে কি করা যায়!) এর পেছনে কারনও অবশ্য আছে - স্কুলের জন্য তৈরি হওয়ার সময় যাচ্ছে এখন। ক'দিন পরেই দশম শ্রেনীতে পা দেওয়ার মজা টের পাবো। বছর শেষের স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (এস এস সির বিকল্প) জন্য প্রথম থেকেই চাপ। তাছাড়া এ বছরে আমরা হাই স্কুলের জুনিয়রদের মাঝে সবচেয়ে বড় । সব মিলিয়ে এক টানে বড় করে ফেলার চেষ্টা চলবে। তাই প্রস্তুত থাকাই ভালো

সেদিন একটা নতুন ব্যাগ আর এক জোড়া জুতা কেনা হলো স্কুলের জন্য। মীরা অতি আনন্দের সাথে আবিষ্কার করেছে যে তার জুতার সাইজ এক সাইজ বেড়েছে। তার মানে সে গত এক বছরে বেশ কয়েক সেন্টিমিটার লম্বা হয়েছে। আর ব্যাগ? নিয়ম অনুযায়ী ব্যাগের সাইজ আস্তে আস্তে ছোট হওয়ার কথা। কিন্তু এ বারের ব্যাগ গতবারের ব্যাগের থেকে বড় , কারন - এ বারের খাতাগুলোও বিরাট!

খাতার ব্যাপারে যে জিনিষটা আমি বড়ই অপছন্দ করি তা হচ্ছে মোলাট করা। আটটা খাতা মোলাট করতে আমার লেগেছে দু'সপ্তাহেরও বেশি। আঠাযুক্ত কাগজটাকে সাবধানে ধরতে হয়, একটু ভুল হলেই খাতার অবস্থা বারোটা বাজে। মোলাট করেই শেষ না - ভেতরেও কাজ করতে হয়েছে। এখনও ক্লাস শুরু হয় নাই, আর এখনই এতো কিছু!

ক'দিন আগে সাদা শার্টগুলো হাতে ধুয়ে সাদা করেছি। মার কথা - নীল না দেওয়ার কারনে সাদা শার্ট সাদা থাকে না। কিন্তু আমার মনে হয় নীল দিলে কাপড়ে নীলচে ভাব চলে আসে (সাদাটে ভাব আসে না)। আর প্রতিবার এতো সময় নষ্ট করে কে নীল দেয়? তবে আমার চিকিৎসা কাজ করেছে - কাপড় অবশেষে সাদা হইয়াছে

আজকাল আমার প্রতিটা পয়সা জমাতে হচ্ছে। এ বছর অনেক খরচ আছে - ষোল হওয়ার সাথে সাথে লার্নার্স লাইসেন্স নিতে হবে, যেটা হলে গাড়ি চালানো শিখতে পারবো। এর আগে আছে ক্যাম্প (বি-রা-ট খরচ)। আমাদের স্কুল সাধারনতঃ বেশি ক্যাম্প দেয় না - এবং তাই এবার (হলেও হতে পারে) আমার শেষ ক্যাম্পে যাওয়া। যার উপার্জন কয়েক টাকায় সীমিত, তার দ্্বারা এতো টাকা এতো তাড়াতাড়ি বের করা সম্ভব?

যাহা হউক, এ বছরে আমার পুরোপুরি আঁতেল হয়ে যাওয়ার প্ল্যান। বড় ব্যাগ, ধবদবে শার্ট ও নতুন জুতো জোড়া এ কাজে বড় সাহায্য করবে - চোখে চশমা আর দাতে ব্রেস লাগায় দিলেই কমপ্লিট হতো । তবে পড়াশুনার দিক দিয়ে - অবশ্যই হতে হবে! গত বছরের বেঠিক কর্মের জন্য দাম দিতে হবে, কি আর করা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫



মসজিদে বসে মদ খেতে দাও, অথবা সেই জায়গাটা দেখাও যেখানে আল্লাহ নেই।

বহুদিন ধরে গল্প লেখা হয় না!
অথচ আমার গল্প লিখতে ভালো লাগে। সস্তা প্রেম ভালোবাসা বা আবেগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

image upload problem

বাংলাদেশে একসময় খুব জনপ্রিয় একটা পরিচয়-“আমি সুশীল”, “আমি নিরপেক্ষ”, “আমি কোনো দলের না”। এই পরিচয় ছিল আরামদায়ক, নিরাপদ, সম্মানজনক। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×