অনন্তের অপেক্ষা নিয়ে বর্ষীয়ান বৃক্ষের মত
বসে আছি অনাদিকাল;
একটি নিপূণ কবিতার জন্য
অপেক্ষা ছিল,
একটি যথার্থ সম্পর্কের জন্যও
অপেক্ষায় ছিলাম বহূকাল;
অপেক্ষায় থেকে থেকে হৃদয়ে ক্ষরণ বেড়েছে বহূবিধ।
কখনো কখনো নারীকে ভালবেসেছি,
শুধু চোখের মধ্যে আকাশের নীলাভ রঙে
কামনায় জাগেনি শরীর, মুগ্ধতায় ছেয়েছিল নিমীলিত আঁখি;
ও চোখে তাকিয়েই কেউ কেউ হয়ে গেছে 'বনলতা' কিংবা 'বিম্বিসার ধূসর জগত'।
কখনো কখনো রমণীর দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে
ওখানে প্রেম নেই, শ্রান্ত বিকেল শেষে সন্ধ্যার পিদিম আলোর মুগ্ধতা নেই,
তবু তাতে নায়াগ্রা বয়ে গেছে আগ্রাসী রূপে, ক্ষয়ে গেছে পাথরের বুক
হোয়াংহোতে ডুবে গেছে সব সুখী চাঁদ।
অপেক্ষায় থেকে থেকে
অপেক্ষা শব্দটাই এখন এক আপেক্ষিক বিষয়,
রমণীর প্রয়োজন কখনো কখনো আপেক্ষিক মনে হয়েছে,
সুন্দরের মুগ্ধতায় মোহন শব্দের বিন্যাস আপেক্ষিক হয়তবা কোন কোন সময়ে,
ভোটের পরে ভোটারের আপেক্ষিক আব্দারের মতই
কামভাব কেটেগেলে প্রেমিকার ভালবাসাও আপেক্ষিক কখনো কখনো;
কোন প্রয়োজনই ততটা প্রয়োজনীয় নয়
কোন সম্পর্ক কখনোই ততটা প্রতিক্ষীত নয়
তবু মনের মধ্যে অপূর্ণতার মহাকাশ নিয়ে লক্ষ নক্ষত্র হয়ে জ্বলে থাকা
একটি নিখাঁদ অনাপাক্ষিক কবিতার জন্য অনন্তের অপেক্ষা;
একটি কবিতার জন্য আজন্ম দীর্ঘশ্বাস।
১৭ই জুন ২০১৭
যুক্তরাজ্য।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



