যদুনাথ সুখী মানুষ ছিলেন,
অথচ জানেন তার গায় দেয়ার অনেকগুলো জামাও ছিল;
যেদিন তার মেয়ে তাপসী আমার হাত ধরল
সেদিন থেকে তিনি আর জামা পরলেন না;
অথচ আমি জেনে আসছি
একমাত্র সুখী মানুষদেরই গায়ে কোন জামা থাকে না।
যদুনাথ যেদিন মারা গেলেন
তার চিতায় কেউ আগুণ জ্বালাতে আসেনি;
আমি আর তাপসী যদুনাথ ঠাকুরকে দূরের বনে
এক জারুল গাছের নীচে মাটি চাপা দিয়ে এসছিলাম।
সেই থেকে প্রতি ফাগুনে জারুল গাছটায় যখন ফুল ফোটে
তাপসী আর আমি বনের মাঝ দিয়ে হেঁটে হেঁটে সেই জারুল গাছটির কাছে যাই,
জারুল গাছটির এক একটি ফুল যেন একেকজন যদুনাথ হয়ে ওঠে,
আমি তাপসীর খোঁপায় জারুল গাছের একগুচ্ছ জারুল ফুল গুঁজে দেই,
যদুনাথের কবরেও কয়েক গুচ্ছ ফুল রেখে রেখে আসি;
আর আমার আর তাপসীর চোখের সামনে
ক্রমশঃই জারুল ফুলের মত সুরভি বিলাতে বিলাতে বেড়ে ওঠে
আমার আর তাপসীর একান্ত আত্মজ
যদুনাথের আদলে আরেক যদুনাথ।
২রা ফেব্রুয়ারী
যুক্তরাজ্য।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৮:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



