somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুজিব রহমান
সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

আমাদের এখনকার ২২ পরিবার

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাকিস্তান আমলের ২২ পরিবারের কথা শুনেছি৷ তার ২১টি পরিবারই ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের৷ বাংলাদেশেও আজ তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বৈষম্য৷ এখন প্রভাবশালী ২২টি পরিবারের নাম বললে কাদের নাম আসবে? দেশে বিদ্যমান বাজার অর্থনীতিতে ধনী-গরিবের বৈষম্য চরমভাবে বাড়ছে। কিন্তু বৈষম্য নিয়ে কোনো কথা কেউ শুনতে রাজি নন। মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব থেকে বের হয়ে সমাজে সমতাভিত্তিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন দরকার। তা না হলে পাকিস্তানের ২২ পরিবারের লাউ আমাদের ২২ পরিবারের কদুর মধ্যে পার্থক্য থাকে না। কেউ কেউ বলেন, এখন ২২ পরিবারের পরিবর্তে ২২০০ পরিবার শোষণ করে নিয়েছে দরিদ্র মানুষের রক্ত।


১| নাম বললে চাকরি থাকবে না
২| বসুন্ধরা গ্রুপ— আহমদ আকবর সোবহান
৩| যমুনা গ্রুপ— নুরুল ইসলাম বাবুল
৪| সামিট গ্রুপ— আজিজ খান, ফারুক খান
৫| আকিজ গ্রুপ— শেখ আকিজ উদ্দিন
৬| বেক্সিমকো গ্রুপ— সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান
৭| স্কয়ার গ্রুপ— স্যামসন এইচ চৌধুরী, তপন চৌধুরী
৮| আবুল খায়ের গ্রুপ— আবুল খায়ের, আবুল কাশেম
৯| এসিআই গ্রুপ— আনিস উদ দৌলা, আরিফ দৌলা
১০| নাভানা গ্রুপ— সফিউল ইসলাম কামাল, সাইফুল ইসলাম
১১| প্রাণ আরএফএল— আমজাদ খান চৌধুরী
১২| মেঘনা গ্রুপ— মোস্তফা কামাল
১৩| পারটেক্স গ্রুপ— আবুল হাসেম
১৪| ট্রান্সকম গ্রুপ— লতিফুর রহমান
১৫| গাজী গ্রুপ— গাজী গোলাম দস্তগীর
১৬| আনোয়ার গ্রুপ— আনোয়ার হোসেন
১৭| ওয়ালটন গ্রুপ— এসএম নজরুল ইসলাম, এসএম নুরুল আলম রিজভী
১৮| সিটি গ্রুপ— ফজলুর রহমান
১৯| ইস্পাহানী গ্রুপ— মির্জা আহামেদ ইস্পাহানী, মির্জা মেহেদী ইস্পাহানী
২০| সিনহা গ্রুপ— মিজানুর রহমান সিনহা
২১| সিকদার গ্রুপ— জয়নুল হক শিকদার
২২| এস আলম গ্রুপ— মোঃ সাইফুল আলম


এই তালিকাটা নিখুঁত তা বলতে পারি না। গ্রুপগুলো সম্পর্কে খুব ভাল ধারণা নেই। তবে এরা সুপরিচিত। আরো কিছু সুপরিচিত গ্রুপ থাকলেও ২২ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চেয়েছি মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না

একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সব সময় যুদ্ধ লাগে না।
তার ভাষা, সাহিত্য, গান, নাটক, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করে দিলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

=দূরের পাহাড় ডাকছে আমায়=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:০৯


তোমায় ছেড়ে যাচ্ছি বন্ধু
ডাকছে আমায় দূরের পাহাড়
দেখে আসি ঘুরে ফিরে
এই দুনিয়ার মোহ বাহার।

যাবে নাকি সঙ্গে আমার?
নাকি থাকবে ঘরে বসে?
কেমন করে রুখবে আমায়
যাচ্ছো বুঝি অংক কষে?

মানবো না আর নিষেধ বারণ
পাহাড় দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×