পাকিস্তান আমলের ২২ পরিবারের কথা শুনেছি৷ তার ২১টি পরিবারই ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের৷ বাংলাদেশেও আজ তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বৈষম্য৷ এখন প্রভাবশালী ২২টি পরিবারের নাম বললে কাদের নাম আসবে? দেশে বিদ্যমান বাজার অর্থনীতিতে ধনী-গরিবের বৈষম্য চরমভাবে বাড়ছে। কিন্তু বৈষম্য নিয়ে কোনো কথা কেউ শুনতে রাজি নন। মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির তত্ত্ব থেকে বের হয়ে সমাজে সমতাভিত্তিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন দরকার। তা না হলে পাকিস্তানের ২২ পরিবারের লাউ আমাদের ২২ পরিবারের কদুর মধ্যে পার্থক্য থাকে না। কেউ কেউ বলেন, এখন ২২ পরিবারের পরিবর্তে ২২০০ পরিবার শোষণ করে নিয়েছে দরিদ্র মানুষের রক্ত।

১| নাম বললে চাকরি থাকবে না
২| বসুন্ধরা গ্রুপ— আহমদ আকবর সোবহান
৩| যমুনা গ্রুপ— নুরুল ইসলাম বাবুল
৪| সামিট গ্রুপ— আজিজ খান, ফারুক খান
৫| আকিজ গ্রুপ— শেখ আকিজ উদ্দিন
৬| বেক্সিমকো গ্রুপ— সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান
৭| স্কয়ার গ্রুপ— স্যামসন এইচ চৌধুরী, তপন চৌধুরী
৮| আবুল খায়ের গ্রুপ— আবুল খায়ের, আবুল কাশেম
৯| এসিআই গ্রুপ— আনিস উদ দৌলা, আরিফ দৌলা
১০| নাভানা গ্রুপ— সফিউল ইসলাম কামাল, সাইফুল ইসলাম
১১| প্রাণ আরএফএল— আমজাদ খান চৌধুরী
১২| মেঘনা গ্রুপ— মোস্তফা কামাল
১৩| পারটেক্স গ্রুপ— আবুল হাসেম
১৪| ট্রান্সকম গ্রুপ— লতিফুর রহমান
১৫| গাজী গ্রুপ— গাজী গোলাম দস্তগীর
১৬| আনোয়ার গ্রুপ— আনোয়ার হোসেন
১৭| ওয়ালটন গ্রুপ— এসএম নজরুল ইসলাম, এসএম নুরুল আলম রিজভী
১৮| সিটি গ্রুপ— ফজলুর রহমান
১৯| ইস্পাহানী গ্রুপ— মির্জা আহামেদ ইস্পাহানী, মির্জা মেহেদী ইস্পাহানী
২০| সিনহা গ্রুপ— মিজানুর রহমান সিনহা
২১| সিকদার গ্রুপ— জয়নুল হক শিকদার
২২| এস আলম গ্রুপ— মোঃ সাইফুল আলম

এই তালিকাটা নিখুঁত তা বলতে পারি না। গ্রুপগুলো সম্পর্কে খুব ভাল ধারণা নেই। তবে এরা সুপরিচিত। আরো কিছু সুপরিচিত গ্রুপ থাকলেও ২২ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চেয়েছি মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


