পৃথিবীর বয়স প্রায় ৪৫০ কোটি বছর।
শুধুই কি অনুমান?
বিজ্ঞান তো অনুমান নির্ভর নয়। সে নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কিছুই বলে না।
কয়েক ধরনের পরীক্ষা করে পাওয়া তথ্য খুবই কাছাকাছি হয়ে যায়। যেমন-
১। উল্কার রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত বয়স
২। সবচেয়ে প্রাচীন পার্থিব পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত বয়স
৩। সবচেয়ে প্রাচীন চাঁদের পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত বয়স এবং
৪। ইউরেনিয়াম-সীসা বয়স নির্ণয় পদ্ধতিতে প্রাপ্ত বয়স
আরো আছে-
ইউরেনিয়াম খনি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরনো ছোট ও স্বচ্ছ বস্তু হল গোমেদ-মণি, যা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস নামক স্থানে পাওয়া যায়, যার বয়স কমপক্ষে ৪৪০.৪ কোটি বছর। সৌরজগতে গঠিত উল্কাপিন্ডের মধ্যে ক্যালসিয়াম-অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ সবচেয়ে প্রাচীন কঠিন বস্তুর বয়স প্রায় ৪৫৬.৭ কোটি বছর
আসুন নিজেরা পৃথিবীর বয়স বের করি*-
পৃথিবীতে একদম শুরু থেকে ইউরেনিয়াম রয়েছে। শুরুতে কোনো সিসা ছিল না। প্রতি বছর ইউরেনিয়াম একটু একটু করে সিসায় রূপান্তরিত হয়। এই ইউরেনিয়াম বের করে প্রতি কেজিতে কতটুকু করে সিসা রয়েছে সেটা বের করা হয়।
এক কেজি ইউরেনিয়াম প্রতি বছরে ১÷৭৪০,০০,০০,০০০ কেজি করে বদলে গিয়ে সিসাতে পরিণত হয়।
১ বছরে যদি ১÷৭৪০,০০,০০,০০০ কেজি হয় তাহলে ১০০ বছরে ১০০÷৭৪০,০০,০০,০০০ কেজি হবে। এভাবেই পৃথিবীর বয়স হিসেব করা হয়। এখন ইউরেনিয়ামের সাথে যদি ৬০.৮২% সিসা ভেজাল থাকে তবে গণিতের মাধ্যমে বের করি:
পৃথিবীর বয়স: ৭৪০,০০,০০,০০০ এর ৬০.৮২% = ৪৫০ কোটি বছর।
• কাছাকাছি অংক দেয়া রয়েছে দেবিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের যে গল্পের শেষ নেই বইটিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


