
১) আরে জিন্নাহই দায়ী। সেতো অখণ্ড ভারত থাকলে জাতির পিতা হতে পারে না, প্রেসিডেন্ট হতে পারে না সর্বোচ্চ মন্ত্রী হতে পারতো। সে জন্যই নিজে নাস্তিক হওয়া সত্ত্বেও মুসলিম লীগের নেতা হয়ে ভারতকে ভাগ করেছিল।
২) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীই দায়ী। সে ভেবেছিল যদি পুরো বাংলাসহ পাকিস্তান এক রাষ্ট্র হয় তখন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে ডাবল ভোট থাকবে পূর্ব পাকিস্তানে তখন সে নিজেই হতে পারবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এজন্যই মার্চ করে ট্রেন নিয়ে আন্দোলনে চলে গিয়েছিলেন অখণ্ড ভারত ঠেকাতে।
৩) দায়ীতো বল্লভ ভাই প্যাটেল। সেইতো বলেছিল, আর যাই হোক মুসলিম লীগের সাথে রাজনীতি করা যাবে না, একসাথে বসা যাবে না। মুসলিমরা থাকলেই দাঙ্গা হাঙ্গামা লেগেই থাকবে। ওরা ভারতে না থাকলেই শান্তিপূর্ণ ভারত থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালনও সহজ হবে। তাই তিনিই কঠোরভাবে চেয়েছিলেন দেশ ভাগ হোক।
৪) আসল নাটেরগুরোতো মহাত্মা গান্ধী আর নেহেরু। নেহেরুকে তো মাউন্ট বেটেনের বউই পটিয়ে ফেললো। নোয়াখালী দাঙ্গা দমনে ব্যর্থ হয়ে গান্ধীও বুঝে গেলেন একসাথে হবে না।এই দুই শীর্ষ নেতা যদি অখণ্ড ভারত চাইতো তবে কি ইংরেজদের ক্ষমতা ছিল ভারত ভাগের। করমচাঁদ গান্ধীর কথার বাইরে কি ইংরেজরা যেতো।
৫) ভারত ভাগ করেছে আসলো ইংরেজরা। তারাইতো ডিভাইড এন্ড রুল নীতি দিয়ে জনগণের মধ্যে ধর্মীয় বিদ্বেষ তৈরি করে শাসন করতো। তাতেই মানুষের মধ্যে দাঙ্গার পর দাঙ্গা চলছিল। ইংরেজরাই বুঝে গিয়েছিল এই দাঙ্গা থামানো যাবে না ভারত ভাগ না করে।
এভাবে অনেককেই দায়ী করতে পারবো। বাস্তবিক ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণেই ভারত ভাগ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ভারত ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিল। তাই অসহিষ্ণু নেতারা দূরদর্শী হতে পারলেন না। ভাগ করার সময় তারাও বিবেচনায় নেয়নি যে, তিন ভাগের দুইভাগ মুসলমান না হয় দুদিকে গেল কিন্তু তিন ভাগের একভাগ মুসলমান যে ভারতেই রয়ে গেল তাদের কি হবে? পাকিস্তানের হিন্দুদের কি হবে? হয়তো নেতারা তাদের বিসর্জনই দিয়েছিলেন! কংগ্রেস প্রধান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন, যারা ভারত ভাগ করলো একদিন তারা এজন্য লজ্জিত হবে। তার কথাটা সত্য হয়নি বলেই আজ মনে হচ্ছে। ভারত ভাগের নায়ক জিন্নাহ আর প্যাটেল পাকিস্তান আর ভারতে আজ খুবই নন্দিত। কে লজ্জা পাবে? শুধু ভারতের মুসলিমসহ সংখ্যালঘুরা, পাকিস্তান-বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুরা আজ চোখের পানি ফেলে। তবুও কেউ লজ্জা পায় না। যারা ধর্ম নিয়ে খেলছে, মানুষকে হত্যা করছে, ভয় দেখাচ্ছে তাদের নেতারাই আজ পরম পূজনীয় বলে মনে হচ্ছে আর খুন হয়ে যাওয়ারা যেনো ভিলেন- সে হুমায়ুন আজাদ হোক, অভিজিৎ রায় হোক, মঠের পুরোহিত হোক, সমকামী হোক, মুক্তমনা হোক, গোমাংশ খাওয়া লোক হোক। ধর্মবিরোধী আখ্যা দিয়ে খুন করতে পারলে- খুনিরা লজ্জিত হয় না, উল্লাস করে।
১) আরে জিন্নাহই দায়ী। সেতো অখণ্ড ভারত থাকলে জাতির পিতা হতে পারে না, প্রেসিডেন্ট হতে পারে না সর্বোচ্চ মন্ত্রী হতে পারতো। সে জন্যই নিজে নাস্তিক হওয়া সত্ত্বেও মুসলিম লীগের নেতা হয়ে ভারতকে ভাগ করেছিল।
২) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীই দায়ী। সে ভেবেছিল যদি পুরো বাংলাসহ পাকিস্তান এক রাষ্ট্র হয় তখন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে ডাবল ভোট থাকবে পূর্ব পাকিস্তানে তখন সে নিজেই হতে পারবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এজন্যই মার্চ করে ট্রেন নিয়ে আন্দোলনে চলে গিয়েছিলেন অখণ্ড ভারত ঠেকাতে।
৩) দায়ীতো বল্লভ ভাই প্যাটেল। সেইতো বলেছিল, আর যাই হোক মুসলিম লীগের সাথে রাজনীতি করা যাবে না, একসাথে বসা যাবে না। মুসলিমরা থাকলেই দাঙ্গা হাঙ্গামা লেগেই থাকবে। ওরা ভারতে না থাকলেই শান্তিপূর্ণ ভারত থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালনও সহজ হবে। তাই তিনিই কঠোরভাবে চেয়েছিলেন দেশ ভাগ হোক।
৪) আসল নাটেরগুরোতো মাহাত্মাগান্ধী আর নেহেরু। নেহেরুকে তো মাউন্ট বেটেনের বউই পটিয়ে ফেললো। নোয়াখালী দাঙ্গা দমনে ব্যর্থ হয়ে গান্ধীও বুঝে গেলেন একসাথে হবে না।এই দুই শীর্ষ নেতা যদি অখণ্ড ভারত চাইতো তবে কি ইংরেজদের ক্ষমতা ছিল ভারত ভাগের। করমচাঁদ গান্ধীর কথার বাইরে কি ইংরেজরা যেতো।
৫) ভারত ভাগ করেছে আসলো ইংরেজরা। তারাইতো ডিভাইড এন্ড রুল নীতি দিয়ে জনগণের মধ্যে ধর্মীয় বিদ্বেষ তৈরি করে শাসন করতো। তাতেই মানুষের মধ্যে দাঙ্গার পর দাঙ্গা চলছিল। ইংরেজরাই বুঝে গিয়েছিল এই দাঙ্গা থামানো যাবে না ভারত ভাগ না করে।
এভাবে অনেককেই দায়ী করতে পারবো। বাস্তবিক ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণেই ভারত ভাগ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ভারত ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিল। তাই অসহিষ্ণু নেতারা দূরদর্শী হতে পারলেন না। ভাগ করার সময় তারাও বিবেচনায় নেয়নি যে, তিন ভাগের দুইভাগ মুসলমান না হয় দুদিকে গেল কিন্তু তিন ভাগের একভাগ মুসলমান যে ভারতেই রয়ে গেল তাদের কি হবে? পাকিস্তানের হিন্দুদের কি হবে? হয়তো নেতারা তাদের বিসর্জনই দিয়েছিলেন! কংগ্রেস প্রধান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন, যারা ভারত ভাগ করলো একদিন তারা এজন্য লজ্জিত হবে। তার কথাটা সত্য হয়নি বলেই আজ মনে হচ্ছে। ভারত ভাগের নায়ক জিন্নাহ আর প্যাটেল পাকিস্তান আর ভারতে আজ খুবই নন্দিত। কে লজ্জা পাবে? শুধু ভারতের মুসলিমসহ সংখ্যালঘুরা, পাকিস্তান-বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুরা আজ চোখের পানি ফেলে। তবুও কেউ লজ্জা পায় না। যারা ধর্ম নিয়ে খেলছে, মানুষকে হত্যা করছে, ভয় দেখাচ্ছে তাদের নেতারাই আজ পরম পূজনীয় বলে মনে হচ্ছে আর খুন হয়ে যাওয়ারা যেনো ভিলেন- সে হুমায়ুন আজাদ হোক, অভিজিৎ রায় হোক, মঠের পুরোহিত হোক, সমকামী হোক, মুক্তমনা হোক, গোমাংশ খাওয়া লোক হোক। ধর্মবিরোধী আখ্যা দিয়ে খুন করতে পারলে- খুনিরা লজ্জিত হয় না, উল্লাস করে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


