
২০১৮ সালের মে মাসে আইএস সমর্থিত ও চেচনীয় এক জঙ্গি ফ্রান্সে হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এর আগে কনসার্টে হামলা, বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে ট্রাক নিয়ে হামলা, তারপর একে একে রেস্তোঁরায়, বারে, ইহুদি কোশার দোকানে, পত্রিকা অফিসে, মসজিদে, ট্রেনে, সুপারমার্কেটে, রাস্তায় গুলি ছুড়ে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, এমনকি ছুরিকাঘাত করে হামলার ঘটনা চলছেই। এসব হামলায় মৃত্যুবরণ করেছেন কয়েক শত মানুষ। বারবারই এসব খুনের সাথে উঠে এসেছে ইসলামি চরমপন্থিদের নাম। ফ্রান্সকে ছবির দেশ, কবিতার দেশ বলা হয়। শিল্প ও সাহিত্যে পৃথিবীর সবচেয়ে অগ্রসর একটি দেশ বারবারই মুসলিম জঙ্গিদের নিশানা হয়েছে। এতো হামলা ইউরোপের অন্য কোন দেশে সম্ভবত হয়নি। ওদের আধুনিকতা ও সভ্যতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যৌনতার স্বাধীনতা, নারী-পুরুষের বিভেদহীনতা ও উদারবাদিতা জঙ্গিরা সহ্য করতে পারে না। ভিন্নমত প্রকাশের বিরুদ্ধে অনেকগুলো হামলা হয়েছে। যুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তি দিতে অক্ষম জঙ্গিরা বেছে নেয় হত্যার পথ। ফ্রান্স কঠোর হতে না পারলে জঙ্গি হামলা চলতেই থাকবে। সর্বশেষ হামলাকারীও চেচনীয় মুসলিম জঙ্গি। সে একজন শিক্ষককে মত প্রকাশের জন্য খুন করেছে। একটি ভয়ঙ্কর খুনে ভাবাদর্শে বেড়ে উঠেছে জঙ্গিরা। তাদের কাছে মানবতা, উদারতা, নারীর অধিকার, শিল্প-সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান সবকিছুই অর্থহীন। তারা পৃথিবীকে নিয়ে যেতে চায় মধ্যযুগে, অন্ধকার যুগে অথবা আরো পিছিয়ে আদিম যুগে। তাদের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচানো দরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


