নামাজে দাঁড়িয়ে দশ জন মুসল্লির সবাই
হাসতে লাগলো! এমনকি ঈমাম সাহেব নিজেও
শেষ পর্যন্ত হেসে দিলেন! তার
মানে সবারই নামাজ ভেঙ্গে গেছে! তাই
নামাজটা দোহরিয়ে পড়তে হলো!
ঈমাম সাহেব সহ আমাদের সবার বয়স
ছিলো ১৬-২৫ বছরের মধ্যে! তাই মনে হয়
আমাদেরকে প্ররোচিত করতে শয়তানের খুব
একটা বেগ পেতে হয়নি।
আসলে নামাজের মধ্যে একজনের একটা ফোন
এসেছিলো। সে একটা হিন্দি গানের রিংটোন
দিয়ে রেখেছিলো! কেন জানি না তার
রিংটোনের আওয়াজে হঠাৎ একজন ভীষণ
জোরে হেসে উঠে! তার হাসিটাই সংক্রমিত
হয়ে সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিলো!
ব্যাপারটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
মসজিদে প্রবেশের পূর্বে মোবাইলটা বন্ধ
কিংবা সাইলেন্ট করে রাখলে কি ক্ষতি হত?
একজন লোকের সামান্য একটু অসতর্কতার
কারণে এতজন লোকের নামাজ নষ্ট হলো!
আর মোবাইলের রিংটোন
হিসেবে হিন্দি গান দিতে হবে কেন?
বাংলাদেশে কি ইসলামী সঙ্গীতের অভাব
আছে?
প্রিয় ভাইয়েরা!
দয়া করে মসজিদে প্রবেশের পূর্বে মোবাইল
বন্ধ/সাইলেন্ট করতে ভুলবেন না!
মনে রাখবেন, আপনার সামান্য একটু
অসাবধানতা অন্যের নামাজ নষ্টের কারণ
হতে পারে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




