সেনানিবাসের ভেতরে ধর্ষন এবং হত্যার পরেও এখন পর্যন্ত আইএসপিআর একটা বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত দেবার প্রয়োজন মনে করেনি। খুনী এবং ধর্ষকদের খুঁজে বের করা দিল্লি দূর হনুজ অস্তঃ। বরং চলছে ধামাচাপা দেয়ার সকল প্রচেষ্টা। পাহাড়ে গত ৯ বছরে সেনাবাহিনী এবং সেটেলার দ্বারা ধর্ষিতা নারীর সংখ্যা ৯৩৪। বিনা বাঁধায় সকল অপকর্মের হোতারা পার পাবার পরে এখন নিজের জাতের মেয়েদের ধর্ষণ শুরু হয়েছে।
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর এই কুৎসিত আচরনের মধ্য দিয়ে পাকিপনার কথা মনে পড়ে যায় বারবার। যে বাহিনীর জন্য বাজেটের সর্বোচ্চ বরাদ্দ থাকে তারা নিজেদের সীমানায় বোমা হামলা ঠেকাতে পারে না। একের পর এক জঙ্গি হামলা দেশের অভ্যন্তরে হলেও নিশ্চুপ থাকে। সেনানিবাসে মেয়েদের ধর্ষনে নির্লিপ্ত থাকে। তাদের আমি আর দেশপ্রেমিক বলি কি করে? বরং ফুলবাবু বলতে পারি। দেশের খাবেন, দেশেরটা পরবেন, শান্তিরক্ষী মিশনে যাবেন, পাহাড়ে ধর্ষন করবেন, নিজের জাতকে ধর্ষন করবেন আর দশক পরপর ক্ষমতা দখল করবেন। এই হচ্ছে তাদের কাজের বাস্তব পরিধি।
আমাদের যেন তাদের কাছ থেকে কিছু চাইবার নেই, পাবার নেই। ফুলবাবুরা নিশ্চিন্তে থাকবেন আর ধর্ষন যজ্ঞ শেষ করে "দেশপ্রেম" দেখাবেন। আমাদের আবার কিছু বলতে মানা। তাই তো মূলধারার মিডিয়াতে ঊঠে আসেনি তনুর ক্ষত-বিক্ষত লাশ। শুধু তনুকে ধর্ষন করা হয়নি। পুরো বাংলাদেশকে ধর্ষন করা হয়েছে। সদ্য তরুনী মেয়েটি আজ পুরো ক্ষত-বিক্ষত বাংলাদেশের প্রতীক।

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৬ ভোর ৫:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



