somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাঠ পেন্সিঁল
সবাই লিখতে পারে না! যারা লিখে তারাও সবাই তা সঠিক ভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনা।যদি ব্যাখ্যাই করতে না পারি তাহলে লিখে কি লাভ?নিজে যতটুকু বুঝি বা ব্যাখ্যা করতে পারবো বলে মনে করি তাই লিখি!!!!!

♥ নীলপরী ♥

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তাকে আমি নাম দিয়েছি 'নীল পরী'। কারন সে যখন নীল রংয়ের শাড়ি পড়ে বা কোন ড্রেস পড়ে তখন একদম রূপকথার রাজ্যের অপ্সরীদের মতো লাগে । সে ও আমাকে একটি নাম দিয়েছে "নীল কাব্য" ।
তার সাথে আমার পরিচয় ফেসবুকের কল্যানে। আমি একটা পেইজে লিখতাম গল্প,কবিতা যখন যা মনে হতো তাই লিখতাম আর সেই পেজে পোস্ট করতাম । এই "নীল পরী" নামের মেয়েটি আমার সব গুলো কবিতা গল্পে লাইক এবং কমেন্ট করতো তার মতো করে । এভাবেই তার সাথে কমেন্টে কথা হতো । ব্যক্তিগত কোন কথা নয়,লেখালেখি নিয়েই কথা হতো ।
একদিন একটা গল্প লিখে পোস্ট করেই আমি আইডি লগ আউট করে বের হলাম, ভার্সিটিতে যাবো তাই । ভার্সিটিতে যেয়ে লগ ইন করলাম একটা ক্লাসের শেষে ।
দেখি প্রতিদিনের মতো আজও সে ঠিকই কমেন্ট করেছে । কিন্তু আজকের কমেন্টটা একটু ভিন্ন রকমের তার,
"আপনার সবগুলো পোস্টই আমি পড়ি নিয়মিত । অসাধারন লিখেন আপনি,সত্যিই দারুন লিখেন । আমি তো আপনার প্রেমে পড়ে গেলাম! স্যরি আপনার না আপনার লেখার প্রেমে"
আমি এই কমেন্ট দেখে মুচকি হাঁসলাম । রিপ্লে দিলাম,
"ধন্যবাদ এতোটা প্রশংসা করার জন্য । কিন্তু এতোটাও মনে হয় আমি সুন্দর লিখি না । যা মনে আসে তাই লিখি "
সেঃ "না সত্যিই দারুন লিখেন আপনি"
আমিঃ "ধন্যবাদ"
সেঃ "আচ্ছা আপনার আইডি নামটা বা লিংকটা আমি পেতে পারি?"
আমিঃ "যদি বলি পারেন তো কি করবেন?"
সেঃ "রিকোএস্ট দিবো । কিন্তু আপনি কি এক্সেপ্ট করবেন কে জানে । আপনি কত বড় একজন লেখক"
আমি একটু হাসিঁ দিলাম । আর তার প্রোফাইলে গিয়ে দেখলাম তার কোন পিক নেই । আমি তাকে রিকোএস্ট দিলাম । তার আইডি নাম ছিলো "অচেনা মেয়ে" ।
আমিঃ "থাক তার দরকার নেই। আমি আপনাকে রিকোএস্ট দিয়েছি"
সাথে সাথে এক্সেপ্ট করে কমেন্টের রিপ্লে দিল,
"ধন্যবাদ আপনাকে"
আমিঃ "ওয়েলকাম!
সেঃ " :) "
.
এরপর সে আর পেইজে না,আমার প্রোফাইলের স্টাটাসে কমেন্ট করতো । কিন্তু কখনও সে ম্যাসেজ করে নি,আমিও করিনি ।
প্রতাদিনই আমি নতুন কিছু পোস্ট দিতাম,আর সে কমেন্ট করতো । আমি তার রিপ্লে দিতাম ।
এভাবেই চলছিলো দিন,চলছিলো সময় ।
একদিন দেখলাম সে ফেসবুকে আসছে না। এভাবে দুই-তিন দিন গেল কিন্তু আসছে না । তার জন্য মনটা কেমন যেন করছিলো, খুব মিস করতে লাগলাম তাকে ।
"তাইলে কি তাকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি?"
নাহলে এতোটা খারাপ লাগছে কেন তার অনুপস্থিতিতে । তাকে কেন এত্ত মিস করছি । এটাই কি তাইলে ভালোবাসা?
.
বেশ কিছুদিন পর সে আসলো নীল সাদার এই দুনিয়াতে । তাকে ছোট্ট করে একটা টেক্সট করলাম,,,,,
--আপনি ফেসবুকে আসেন নি কেন কিছুদিন?
--এমনিতেই । কেন মিস করছেন নাকি?
--আপনাকে না!আপনার কমেন্টকে মিস করছি । মিস করেছি আপনার সেই হাসিঁটাকে। মিস করেছি আপনার সেই সাজানো গোছানো কথাবলাকে ।
--বলেন কি তাই?
--হুম
--আচ্ছা একটা প্রশ্ন করবো,উত্তর দিবেন?
--জ্বি বলুন। যদি পারি তাইলে নিশ্চই দিবো।
--কাউকে কি না দেখে ভালোবাসা যায়??
--যাবে না কে, অবশ্যই যাবে । ভালোবাসা পবিত্র একটা বন্ধন । যদি তার প্রতি বিশ্বাস থাকে,ভরসা থাকে,নিজে নিজে প্রতিজ্ঞা করা যায় সে যে রকমই হোক তাকেই ভালোবাসবো। হোক সে সুন্দর বা কালো । সত্যিকারের ভালোবাসা কখনও রূপ বিচার করে না ।
--ধন্যবাদ
--কিন্তু এই প্রশ্নের কারন?
--জ্বি কারন অবশ্যই আছে । আমি একজনকে ভালোবেসে ফেলেছি । জানিনা সে আমাকে ভালোবাসে কিনা । সে কিরকম দেখতে তাও জানিনা । কিন্তু এইটুকু জানি তার মনটা খুবই সুন্দর । সবাই তার মনের কাছে হার মেনে যাবে ।
--কে সে ?? তাকে বলেছেন এই কথা ??
--না বলার সাহস করে উঠতে পারছি না । যদি সে না বলে দেয় ।
--বলে ফেলুন তাকে ।পরে কি হবে সেটা পরে দেখবেন ।
--ওকে দেখি ধন্যবাদ । আচ্ছা আপনার ফোন নম্বরটা কি পেতে পারি ??
--এতে ধন্যবাদের কিছু নেই । তাকে জলদি বলে ফেলুন । ফোন নম্বর.....
-- ওকে! হ্যাঁ দিতে কোন প্রোবলেম আছে আপনার?
--না, এই নিন ০১৭...............
আমার মনটা তখন খারাপ হয়ে গেল । যাকে এই প্রথম ভালো লাগলো ,ভালোবাসলাম সে কিনা অন্য কাউকে ভালোবাসে । কে সে? যাকে দেখেনি কিন্তু এতোটা ভালোবাসে ।
.
রাতে এসব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়েছি । সকালে উঠেই ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি দুইটা টেক্সট । একটা আমার বন্ধু "রাফির" আর একটা অচেনা নাম্বার থেকে ।
অচেনা নাম্বারের ম্যাসেজটা ওপেন করলাম-
""আপনি বলছিলেন না আমি যাকে ভালোবাসি তাকে বলে দিতে । আর আপনিতো জানেন মেয়েরা আগে তার ভালোবাসার কথা বলতে পারেনা । হ্যাঁ এখন আমি বলছি, আমি যেই ছেলেকে ভালোবাসি, যাকে দেখিনি কখনও, যার সাথে কখনও সামনা সামনি দেখা হয় নি আমার, সে আর কেউ নয় সে আপনি । আপনাকেই আমি খুবই ভালোবাসি । জানিনা আপনি মেনে নিবেন কিনা,কিন্তু সত্যি বলছি খুবই ভালোবেসে ফেলছি আপনাকে । আপনার লেখাগুলে,সাজানো গুছানো কথাবলাকে,আপনার মনকে ""
আমি ম্যাসেজটা দেখে মুচকি হেঁসে ফেললাম। আর তখনই তাকে ম্যাসেজ করলাম "আপনি আমাকে কতটা ভালোবাসেন জানিনা । তবে আমিও যে আপনাকে খুবই ভালোবেসে ফেলেছি । আপনি কি আমাকে গ্রহন করবেন! "
ওপাশ থেকে শুধুই হাসিঁর একটা ইমো আর একটু ছোট্ট টেক্সট "আজ আমি খুবই খুশি খুবই যা কখনও এর আগে হইনি আমি"
আমি তখনই ফোন দিলাম তাকে,
--হ্যালো অচেনা মেয়ে বলছেন?
--জ্বি কবি সাহেব!
--এখন তো তুমি বলার অধিকার টুকু পাবো তাই নয় কি?
--জ্বি ।
--আচ্ছা তোমার সাথে আমি যদি দেখা করতে চাই দেখা করতে পারবে আজ?
--কোথায় আসবো ?
-- "রমনা পার্কে" ঠিক বিকাল ৩টার সময় । ভেবো না তুমি কেমন তা দেখার জন্য দেখা করতে চাচ্ছি । তুমি যেমনই হও তেমনি তোমাকে ভালোবাসি । আমি তোমার রূপকে না তোমার মনকে ভালোবাসি ।
--ঠিক আছে । হ্যাঁ জানি তাই তো তোমাকে এতোটা ভালোবাসি ।
--আচ্ছা তোমার নীল শাড়ি আছে?
--হ্যাঁ কেন বলো তো?
--নীল শাড়িটা পড়ে আসবে কেমন ।
--ঠিক আছে । তোমাকে চিনবো কি করে?
--মন দিয়ে চিনে নিও ।
--হিহিহি ..আচ্ছা তুমি একটা হলুদ পাঞ্জাবি পড়ে আসবে কেমন ।
--ঠিক আছে ।
.
বিকাল তিনটা পনের মিনিট,
আমি ইচ্ছে করেই একটু দেড়ি করে এসেছে । অনেক খুজেঁ পার্কের ভিতর দেখলাম একটা গাছের নিছে বসার স্থানে নীল শাড়ি পড়ে একটা মেয়ে বসে রয়েছে । ঠিক দেখা যাচ্ছে না কারন আমি তার ঠিক পিছনেই ।
ফোন দিলাম ওকে,
--কই তুমি?
--এই তো একটা গাছের নিছে বসে রয়েছি । তুমি কই?
--যদি বলি আসবো না!
--কি??
--হিহিহি ভয় পেলে ।
--না ।
--কেন ? যদি আমি না আসি?
--আমি জানি তুমি আসবে । না এসে থাকতেই পারবে না ।
--ও আচ্ছা তাই নাকি
--জ্বি তাই। এখন বলো কই তুমি??
--ঠিক পিছনে তাকিয়ে দেখ ।
ও পিছনে তাকালো । আমাকে দেখে লজ্জা পেল একটু । আমি ওকে দেখে সত্যিই আশ্চর্য্য । মানুষ এত সুন্দর হতে পারে? এত অপরূপ সুন্দর ? মনে হয় বিধাতা পরম আদর যন্ত সহকারে ওকে বানিয়েছে , ওর দিক থেকে আমিতো চোখ ফিরাতেই পারছি না । এক নজরে তাকিয়ে রয়েছি ওর দিকে । ওকে নীল শাড়িতে একদম নীল পরীদের মতো লাগছে । ও এটা দেখে লজ্জায় লাল হয়ে গেল । আর কাছে এসে বললো,,
--এই যে মিঃ কি দেখেন হু ?
--না মানে! তোমাকে দেখি । তুমি এত্ত সুন্দর
সত্যিই কল্পনাও করিনি ।
--হিহিহি তাই নাকি ।
--হুম তোমার হাসিটাও দারুন ।
--পাগল
--পাগলি
--ওই পাগলি বললা কেন?
--তুমি যে আমার পাগলি তাই
--ইসসস
--তোমার হাতটা ধরতে পারি?
--হুম পারো । তবে হাতে হাত রেখে পুরো পার্কটা ঘুরতে হবে কিন্তু ।
--জ্বি আচ্ছা "নীল পরী" । আজ থেকে তোমাকে "নীল পরী" বলেই ডাকবো আমি কেমন ।
--আপনার পাগলি আপনি যেই নামেই ডাকেন তাতে আমার কি!
--হিহিহি
ওর নাম "নীলা" । যার সাথে আমার আজ প্রথম দেখা । যাকে আমি খুবই ভালোবাসি খুবই ।
এভাবেই শুরু হলো আমার আর ওর ভালোবাসার দিন । নতুন কিছু স্বপ্ন,নতুন কিছু ইচ্ছে,নতুন কিছু আশা নিয়ে দুজনে দুজনের হাত ধরে পথ চলতে লাগলাম । ফেসবুকে এখন রিলেশন দেয়া "নীল কাব্য ম্যারেড উইথ নীল পরী" ।
এখন আমাদের ফুলের মতো সুন্দর ফুটফুটে একটা মেয়েও হয়েছে যার নাম রেখেছি "পরী" । একদম পরীর মতোই দেখতে হয়েছে। দুজনেরই ইচ্ছে ছিলো যেন আমাদের সন্তান মেয়ে হয় । আল্লাহ সেই ইচ্ছেটাও পূরন করে দিয়েছেন । "পরী" সারাদিন একাই মাতিয়ে রাখে সবাইকে । আর আমরা সবাই ছুটি তার পিছু পিছু । গুটি গুটি পায়ে সে যখন দৌড়ায় মনে হয় যেন রূপকথার পরী দৌড়াচ্ছে । আর যখন বাবাই বাবাই মামুনি মামুনি বলে আমাদের কাছে আসে এবং তার ওই ছোট্ট ছোট্ট আঙ্গুল দিয়ে আমার আর নীলার হাত ধরে হাটে তখন সত্যি নিজেদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখি পরিবার মনে হয় । । যার সাথে আমার আজ প্রথম দেখা । যাকে আমি খুবই ভালোবাসি খুবই ।
এভাবেই শুরু হলো আমার আর ওর ভালোবাসার দিন । নতুন কিছু স্বপ্ন,নতুন কিছু ইচ্ছে,নতুন কিছু আশা নিয়ে দুজনে দুজনের হাত ধরে পথ চলতে লাগলাম । ফেসবুকে এখন রিলেশন দেয়া
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:১১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×