
এই দেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একটি গোষ্ঠী আগেও কিছু ক্রুসিয়াল সময় দেশের মানুষকে ডিভাইড করে নোংরা খেলা খেলেছে। এই নোংরা খেলার সব থেকে কার্যকরী অস্ত্র হলো ধর্ম। সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে পুঁজি করে ওরা এই নোংরা খেলা খেলে নিজেদের উদ্দেশ্য হাছিল করে।
দেশের এই কঠিন সময় সাধারণ মানুষের উচিত সর্বদা সতর্ক থাকা। সবাইকে মনে রাখতে হবে আমাদের দেশ একটা পরিবার এবং এখানে সকল জাত-পাত, ধর্মের ভেদাভেত ভুলে এখন রাষ্ট্র মেরামতের সময়!
এখন একটি কুলাঙ্গার গোষ্ঠী মসজিদে গীতা রেখে বা মন্দিরে কোরআন রেখে সাধারণ মানুষে মানুষে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করতে পারে। শুধু এই নয় মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর, গরু কেটে ফেলা, মসজিদে শুয়ার কেটে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করতে পারে শুধু মাত্র নিজদের উদ্দেশ্য হাছিল এর জন্য।
নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিটি নাগরিককে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এই ধরনের জঘন্য কাজ কেউ এই দেশের বুকে করতে না পারে। কেউ যেন এই দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না করতে পারে। মনে রাখতে হবে দেশটা আমাদের সকলের।
এই ধরনের জঘন্য কর্ম ছাড়াও আরও ভয়াবহ হেইনস ট্যাকটিক হতে পারে!
প্রতিবেশীরদের সাথে মেকি ছায়া যুদ্ধে জড়ানো; মেকি যুদ্ধ দেখিয়ে জনতার নজর ঘোরানো, সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় কর্মে জনমত তৈরি। যুদ্ধে জড়িয়ে জনমত নেয়া পৃথিবীর ইতিহাসে একটি পুরাতন হেইনস ট্যাকটিক!
আবারও দেশ থেকে সম্পূর্ণরূপে ইন্টারনেট চলে যেতে পারে। কিছু সরকারি ব্যাংক এবং প্রতিষ্ঠান বাদে।
তাই দেশের এই ক্রুসিয়াল মোমেন্টে সকলকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।
সত্যের জয় হবেই!

এটাই আমার বাংলাদেশ! এই সম্প্রীতি চিরজীবী হোক! সবার আগে মানবতা।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




