অভিজিৎ রায়ের কোনো লেখা পড়া হয়নি কোনোদিন,ওর ব্লগে কোনো দিনও ঢুকা হয়নি,গতো কাল অভিজিৎ রায় হত্যা কান্ডের পর ফেইসবুক,ব্লগে লেখা পড়ে শুধু এটাই মনে হয়েছে।আমরা বাঙ্গালী জাতির তেমন এত উন্নতি হয়নি বিশেষ করে মানুষিক দক্ষতা একটুও বৃদ্ধি পায়নি।একটা শ্রেণীর
মানুষ ব্লগার অভিজিৎ কে গালি দিতে দিতে একেবারে গুষ্টি উদ্ধার করে দিচ্ছে কারন সে ছিলো নাস্তিক,আরেক শ্রেণীর মানুষ বলছে অভিজিৎ নাস্তিক ছিলো তাই মৌলবাদীরা ওকে হত্যা করে ফেলেছে।দুইটা,বিষয়ই অযৌক্তিক প্রথমত নাস্তিক হউক আর আস্তিক হউক সবছেয়ে বড় পরিচয়
সে একজন মানুষ ছিলো,একটা মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি আর মানুবের মানুষিকতার চরম মানের অবনতি প্রকাশিত হয়,মানুষের এই অধঃপতনের দিকেই সবার মনোযোগ দেয়া উচিৎ।সুতরাং অভিজিৎ রায়ের হত্যাকান্ডে যারাই হাত তালি দিচ্ছেন ভালো কিছু করা
হচ্ছেনা নিশ্চয়।আরেকটা কথা না বললেই নয়,নাস্তিকতা একটা ধর্ম যেখানে বলা হয় পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে শূন্য থেকে সৃষ্টির কর্তার অবদান এখানে নেই এরা অনেকটা মনুষ্য ধর্মে বিশ্বাস করে থাকে,শান্তির বাণী বলে বেড়ায়।এসবের কোথাও আমার কোন অ্যাালার্জি নেই।সকল অ্যাালার্জি
নাস্তিকেরা যখন শান্তি ভঙ্গ করে ইসলামের নামে কুৎসা রটিয়ে,এটা কী ধরনের শান্তিকামী হওয়া?লক্ষ লক্ষ মানুষ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বিশ্বাস করে আসছে আল্লাহ-নবীর উপরে আপনি এসে শান্তির বাণী দিতে আল্লাহ নবিজীকে প্রকাশ্যে গালি গালাজ আরম্ভ করবেন!
আপনার যেমন অধিকার রয়েছে উচ্চ ভলিয়মে গান শুনে বিনোদন নেয়ার আপনার প্রতিবেশিরও তেমনই অধিকার রয়েছে শান্তি মতে ঘুমাবার,রাতের পর রাত যদি আপনি এই কাজটা করেন,সেটাও কিন্তু আরেকজনের অধিকারে আঘাত হানবে।
যারা আজ বলছেন মৌলবাদীদের পদক্ষেপ এটা,আপনাদের বলছি-পারেন একটা সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ আপনি দেখাতে?যে এটা এদেরই হামলা।মান্নার ফোন আলাপনকে নিশ্চই জড়িয়ে ফেলবেন অনেকে,ইনাদের জন্যই বলেছি বাঙ্গালী হুজুগে ছিলো তাই আছে,
মানুষিক উন্নতি হয়নিএকটুও।এটা একটা ফাঁদ,একটা ইস্যু,মানুষকে ঘোলক ধাঁধায় আঠকে দিতেই এমন আয়োজন।দেশ ও জাতী অনেকদিন হয় তরতাজা কোন ইস্যু পায়নি তাই ইস্যু আবিষ্কার করে মানুষের কল্যানে নিজেকে নিয়োগ করেছে ইস্যু আবিষ্কারকেরা।পরিশেষে এটাই শুধু
বলবো অভিজিৎ রায় হত্যাকান্ডের বিচার হউক,একটা সুস্পষ্ট তদন্ত হউক মানুষের সামনে বের হয়ে আসুক প্রকৃত রহস্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


