ইহাই ধ্রুব সত্য যে বিজ্ঞান ইসলাম ধর্ম হতে তৈরি , ইসলাম ধর্ম বিজ্ঞান হতে নয়। নারীবাদী, প্রগতিবাদি , বুদ্ধিজীবি, আইনজীবী এদের না আছে পুথিগত বিদ্যার জ্ঞান , না জানে বিজ্ঞান আর ধর্ম জ্ঞান তো শুন্যের কোটায় ।কথায় বলে ‘ পুথিগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন , নহে বিদ্যা নহে ধন হলেও প্রয়োজন ‘। এই প্রবাদটির সার্থক প্রতিফলন আজ তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের প্রতি পরতে পরতে প্রমানিত । হোক সে শিক্ষক,বুদ্ধিজীবি , প্রকৌশলী, ডিগ্রীধারি আলেম, ডাক্তার কিম্বা আইনজীবী । যে নারীবাদীরা বেপর্দা হয়ে নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত , প্রগতিবাদিরা তো না বুজে গতি না বুজে প্রগতি ওই যে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা , বুদ্ধিজীবি তো বুদ্ধি বেছেই জীবন চালায় , আর আইনজীবী তো আইন বেছেই খাই । তো যারা নিজেরাই নিজের পেশাকে বেছে খায় তারা কি বুঝবে পর্দার গুরুত্ত ? আর তাইতো বিধর্মীদের ছামছা হয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লেগেছে । পর্দা করা নিয়ে কিছু বললেই দেশ রসাতলে গেল বলে তাদের আর ঘুম আসেনা । যারা পর্দার বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের সন্তানরাই আজ বেপর্দা হয়ে নেশা , মদ , জুয়া, অস্লিলতাসহ সকল হারাম কাজে মসগুল হয়ে দুনিয়াবি জাহান্নামি জীবন ভোগ করছে ।অথচ কোরআন হাদিসের আলোকে পর্দা ফরয করা হয়েছে । যে বিজ্ঞানের যুগে তারা বাস করে, সমাজ পরিবরতনের ধোয়া তোলে পর্দার বিশেদাগার করে সে বিজ্ঞানও পর্দার গুরুত্তের কথা প্রত্যক্ষভাবে প্রমান করে।
মুলত কাফিরগুলো মুসলিম নারীদের পর্দাহীন করে ইমান নষ্ট শুধু নয়,পর্দাহীন হয়ে তারা যেসব রোগে ভুগছে মুসলমানদেরও তাতে ভোগানো তাদের উদ্দেশ্য । মুল লক্ষ্য হল নারীদের বেপর্দা করে মুসলিম দেশের ইসলাম, কৃষ্টি, মুসলিম ঐতিহ্য ধ্বংস করা । প্রশাধনি সামগ্রি প্রস্তুতকারক হোল মুল পৃষ্টপোষক । বেপর্দা জত বেশি তত বেশি লাভ । আমাদের বলে রঙ ফর্সা করার ক্রিম ব্যবহার করতে আর ইউরোপ, আমেরিকায় বলে চামড়ার রঙ কালো করতে । আবার বিধর্মী দেশগুলোতে তারা সংক্ষিপ্ত পোশাক পরতে বারন করছে আর আমরা বললে মানবধিকার লঙ্গন। ফ্রান্স তার দেশে হিজাব পরা বারন করছে অথচ তার দেশের মহিলারা তাদের ধর্মীয় পোষাক পরে বের হচ্ছে।
পর্দা করা, করতে বাধ্য করাও যে ফরয তা বিজ্ঞান দ্বারাও প্রমাণিত ।
আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন যিনি খালিক্ব,মালিক তিনি কোরআন শরিফ –ই উনার বান্দাদের জন্য যা কিছু বর্ণনা করেছেন এবং যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার উম্মতের জন্য যেসব দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন তা কেবমাত্র মানুষের ভালোর জন্যই । পর্দা করা যে ফরয করা হয়েছে তাতেও কেবল মানুষের –ই মঙ্গল । যা চিকিৎসা বিজ্ঞান তারাও প্রমাণিত । নিন্মোক্ত লেখাটি পড়লেই বুঝা যাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানও পর্দা করার কথা পরোক্ষ হলেও প্রত্যক্ষভাবেই প্রমানিত ।
“ মানব দেহে ক্যান্সারের কথা কমবেশি সবাই অবগত ।মানবদেহে ক্যান্সারের মধ্যে সবছেয়ে বেশী হয় স্কিন ক্যান্সার । প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ নতুন রুগী এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং ইহা খুব দ্রুত বাড়ছে । আমেরিকায় যেসব মানুষ ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাছে তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কোন না কোন সময় এ রোগে আক্রান্ত হয় । সবছেয়ে বেশি হয় অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকা । সাদা চামড়ার লোকেরাই আক্রান্ত হয় বেশী। যার জন্য উন্নত বিশ্বে ইহা মহাদুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকা । কিন্তু আল্লার অশেষ রহমতে মুসলিম দেশগুলোতে এই রোগগুলোর প্রভাব খুবই কম, একমাত্র পর্দা মেণে চলার কারণেই ।
কারণসমুহঃ
১) বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত যে ৯০ % স্কিন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সূর্যের আলো দায়ী । US NATIONAL INSTITUTE OF HEALTH এর মতে সূর্যের ULTRAVIOLET RAY বা অতিবেগুনী রশ্মি স্কিন ক্যান্সারের মুল কারন । ULTRAVIOLET RAY বা অতিবেগুনী রশ্মি চামড়ার ভিতরে ঢুকে সংযোজক কলা ( connective tissue ) কে ভেঙ্গে ফেলে এবং চামড়া মাঝ বরাবর বসে যায় (sag) ও ভাঁজ তৈরি করে । ফলত আমাদের শরীরে মেলানিন(মানুষের চামড়ার সাদা – কালো রঙের জন্য দায়ী) নামক যে পদার্থটি আছে তা বেশি করে তৈরি হয়ে চামড়ায় একটি স্পট তৈরি করে যাকে TAN ( তামাটে বর্ণ ) বলে ।
২) সাধারণত ৫০ বছর বয়স পর ইহা হয় কিন্তু ছোটোবেলাও হতে পারে ।
আমাদের ইসলাম ধর্মে মুসলমান
৩) চামড়া তামাটে করার জন্য যারা TANNING BOOTHS ব্যাবহার করে ।
৪)অন্য ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে যেয়ে ও হতে পারে ।
এই স্কিন ক্যান্সার ৩ ধরণের হয় ঃ-
১) BASAL CELL CARCINOMA : ৯০% ক্ষেএে ইহাই হয়ে থাকে যদিও ইহা শরীরে ছড়ায়না কিন্তু আশেপাশের টিস্যুয়ের ক্ষতি করে থাকে ।
২) SQUAMOUS CELL CARCINOMA : ইহাও প্রায় BASAL CELL CARCINOMA এর মতোই ।
৩) MALIGNANT MELANOMA : ইহা হল সবচেয়ে ক্ষতিকর ও মারাত্মক । ইহা পুরো শরীরে খূব তাড়াতাড়ি ছড়াতে পাড়ে ।
সূর্যের আলোয় স্কিন ক্যান্সার ছাড়াও চামড়া পোড়া , একজীমা, শুষ্কতা , খসখসে চামড়া, মসৃণতা নষ্ট, বারধ্যক্যের চাপ ইত্যাদি হয়।
যার ফলশ্রুতিতে US NATIONAL INSTITUTE OF HEALTH কিছু প্রতিরোধক ব্যাবস্হা গ্রহণের কথা বলেছে । যেমন ঃ-
১) RECREATIONAL SUN EXPOSURE যা সান বাথ ণামে পরিচিত তা সীমিত করা।
২) যে সময় ULTRAVIOLET RAY বা অতিবেগুনী রশ্মি সবচেয়ে বেশী হয় ( দুপুর) সে সময় প্রতিরোধক ব্যাবস্হা নিয়ে বের হওয়া।
৩) নিয়মিত WATER PROOF অথবা WATER RESISTANT SUNSCREEN ব্যাবহার করা ।
৪) চওড়া হ্যাট TIGHTLY-WOVEN PROTECTIVE CLOTHING ( শক্তভাবে যে কাপড় লেগে থাকে) পরে বের হওয়া ।
৫) ডাক্তারের কাছে যেয়ে নিয়মিত পরীক্ষা করা ।
৬) TANNING BEDS USE USING (যে বেড এ শুয়ে গায়ের বর্ণ তামাটে করে) ণা করা এবং SUNSCREEN ২/৩ ঘণ্টা পরপর ব্যাবহার করা । যেহেতু ইহা কাজ ণাও করতে পারে কিম্বা গুণাগুণ থাকবেনা ।
৭ ) ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য ক্রিম ব্যাবহার করা ।
৮ ) ছোটোবেলা হতেই প্রতিরোধক ব্যাবস্হা গ্রহণ করতে হইবে ।
চিকিৎসা কী?
১) CURETTAGE & DESICCATION : এ পদ্ধতিতে চেঁছে ফেলা হয় এবং রক্তনালী বন্ধ করা ও ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য কারেন্ট ব্যাবহার করা হয় ।
২) SURGICAL EXCISION : কেটে ফেলা।
৩) RADIATION THERAPY : ২৫-৩০ সেশণ প্রয়োজন হয় ।
৪)CRYOSURGERY: কোষ ধ্বংস করার জন্য তরল ণাইট্রোজেণ ব্যাবহার করা হয় ।
৫)MOHS MICROGRAPHIC SURGERY: ইহা একটি সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া ।
৬)MEDICAL THERAPY USIN CREAM : ক্যান্সার কোষ কে অ্যাটাক করে ।
উপরে বর্ণিত US NATIONAL INSTITUTE OF HEALTH যেসব প্রতিরোধক ব্যাবস্হা গ্রহণের কথা বলেছে তা ইসলামে বর্ণিত পর্দা করা যে ফরয তার ই প্রতিফলন । ইহাও বূঝা গেলো যে কথিত লোশন অতিবেগুনী রশ্মি প্রতিরোধক নয় । খূব সহজে যে রোগটিকে এড়াণো যায় ঊহা কত জটিল আকার ধারণ করেছে । যে রোগ হওয়ার ই কথা ণয় তার পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে । পর্দা করলেই এইসব রোগ ও হবেনা আর টাকার অপচয় হবেনা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



