জাতীয়, আঞ্চলিক কিংবা আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে যাদেরকে কিংবা যে সকল বিষয়কে বিখ্যাত করা হয়েছে তা যাচাই বাছাই করলে পরিষ্কারভাবেই বলা যায় যে, এবারের অস্কার আন্তর্জাতিক পুরস্কার যদি কোনো একটা ছবিকে দেয়া হয়, তা হবে এই ‘ঘেটুপুত্র কমলা।’ এ কোনো জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী নয়; এ হচ্ছে পরিস্থিতির সূক্ষ্ম মূল্যায়ন। নিকট অতীত এবং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার দিকে নজর করলে যে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষই বুঝতে পারবে যে, কেন ‘ঘেটু’ অস্কার পাবে।
চীনের বিরুদ্ধে মিডিয়া আক্রমণ করতে দালাইলামাকে নোবেল পুরস্কার, সোভিয়েত ইউনিয়নকে ভেঙে ফেলতে মিখাইল গর্বাচেভকে নোবেল পুরস্কার, বার্মার মুসলমাদেরকে নিধন করতে অংসান সুচিকে নোবেল পুরস্কার এবং ক্ষমতা প্রদান, দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে হারাম সুদের ব্যাপক প্রচলনের জন্য সুদের রাজা ড. ইউনূসকে নোবেল পুরস্কার, ইসলামবিদ্বেষী রবীন্দ্রনাথকে নোবেল পুরস্কার, মুসলমানদের ৬টি দেশে এক সাথে ড্রোন দিয়ে আক্রমণ চালু রাখার জন্য ওবামাকে নোবেল পুরস্কার। তসলিমার মতো একজন দুর্বল এবং নষ্টা লেখিকাকে দিয়ে দ্বীন ইসলাম উনাকে আঘাত করতে হবে, তাই তাকে বিখ্যাত করতে ‘কলকাতার আনন্দ পুরস্কার’। জেনে রাখা ভালো, আনন্দ পাবলিকেশন হচ্ছে ‘র’ (ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী)-এর একটি ফলস ফ্রন্ট। সালমান রুশদীকে দিয়ে দ্বীন ইসলাম উনাকে আঘাত হানার জন্য তাকে দেয়া হয় ইউরোপের বিখ্যাত সাহিত্য পুরস্কার ‘বুকার্স প্রাইজ’। এটা হচ্ছে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বাহিনী গও-৬এর ফলস ফ্রন্ট। তারপরই বাজারে আসে স্যাটানিক ভার্সেস। শুধুমাত্র একান্ত গ-মূর্খরাই ভাববে যে, এ সকল ঘটনা বিচ্ছিন্ন কিংবা ব্যক্তি প্রচেষ্টার ফল। আসলে সম্পূর্ণ বিষয়টাই এক গভীর ষড়যন্ত্র এবং অত্যন্ত সংঘবদ্ধ কার্যক্রম। যাদের টাকায় লম্পট হুমায়ূন ‘ঘেটু’ চিত্রায়িত করেছে, তাদের উচ্ছিষ্ট খাওয়া মানুষ নামের কুলাঙ্গারগুলাই ওই ঘেটুকে অস্কারে নিয়ে যাবে। আর ওই অস্কার তো দেয় তারাই। ঘেটুকে যত বিখ্যাত করা যাবে, তত বেশি অসচেতন বাঙালি মুসলমানরা তা দেখতে আগ্রহী হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে প্রতিটি ক্যাবল টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে ঘেটুকে প্রদর্শিত করা হবে সমস্ত দেশ জুড়ে। এটাই হচ্ছে দ্বীন ইসলাম উনার শত্রুদের একমাত্র লক্ষ্য। যাতে নিজের অজান্তেই মুসলমানদের চারিত্রিক বিশুদ্ধতায় পতন ঘটায়।
আমাদের এখন দেখা প্রয়োজন- কারা ঘেটুকে অস্কারে নিতে তৎপর। এরাই হচ্ছে দ্বীন ইসলাম উনার শত্রু, এরা শুধু নাস্তিক নয়, এরা দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী। এরা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার একমাত্র মনোনীত দ্বীন ইসলাম উনাকে দুনিয়া থেকে মুছে ফেলতে চায়। এদের এহেন কার্যক্রমে প্রতিরোধ করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। ঘেটুর প্রচার আইনী লড়াই করে এখনই বন্ধ করে দেয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



