নইপয় ঝরনাঃ
এ ঝরনাটি বকত্দাইপাড়ার কাছাকাছি থেইখ্যাঙপাড়াতে অবস্থিত। উচ্চতার দিক দিয়ে এটি চুম্পি ঝরনা থেকেও বড়। বর্ষাকালে প্রচুর পানি ঝরে। শুষ্ক মৌসুমে প্রায় মৃত থাকে।
সানক্রাই ঝরনাঃ
এই ঝরনাটিও চুম্পি ঝরনা থেকে বড়। উচ্চতা 35-40 ফুট। এটিতেও বর্ষাকালে প্রচুর পানি এবং শুষ্ক মৌসুমে কম।
কিওপুং ঝরনাঃ অত্যন্ত দুর্গম অঞ্চলে আছে এটি। যার সন্ধান খুবই কমই জানেন স্থানীয় লোকেরা। এটি রিজুক ঝরনার চেয়েও বড়। 12 মাস পানি ঝরে, কোন পথ নেই বলে যাওয়া কষ্ট সাধ্য। যেতে হলে পথ কাটতে হবে। এ ঝরনাটি রিজুকের চেয়ে উঁচু হয়, তবে এর উচ্চতা নিঃসন্দেহে 80-90 ফুট হবে। ঝরনাটি বাকত্দাইপাড়া থেকে 2 ঘন্টার পথ হতে পারে।
তুল্পে ঝরনাঃ সুনসাংপাড়া থেকে রুমা যেতে 1 ঘন্টার পথ। এটিতেও 12 মাস পানি থাকে।
বাচালামপাড়া ঝরনাঃ রুমা বাজার থেকে 3-4 ঘন্টার পথ। উচ্চতা প্রায় চুম্পি ঝরনার কাছাকাছি।
আলতাপাড়া ঝরনাঃ বাচালাম থেকে 1 ঘন্টার পথ চুম্পি ঝরনার দ্বিগুন হবে।
মুন্ননপাড়া ঝরনাঃ আলতাপাড়া থেকে 1 ঘন্টার পথ। উচ্চতা দুটি চুম্পি ঝরনার সামনে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রচুর সম্ভবনা। শুধু প্রয়োজনীয় পদেেপর অভাবে বান্দরবনের এই অঞ্চলগুলো এখনো অবহেলিত। যদিও রুমা বাজারে একটি সরকারি রেষ্ট হাউস স্থাপিত হয়েছে, তারপরও সরকারিভাবে এ অঞ্চলের রাস্তা তৈরি করে পর্যটকদের উৎসাহী করার ল্যে ব্যাপক প্রচারনা করা।
তবে অভিযাত্রীরা যাওয়ার আগে সম্পুর্ন তথ্য না জেনে যাওয়া ঠিক হবে না এবং একসঙ্গে পাঁচ থেকে সাতজনের বেশী অভিযাত্রী যাওয়া ঠিক হবে না। কেননা পাহাড়ে কোন হোটেল নেই। স্থানীয় আধিবাসীদের বাড়িতে বেশী লোকের জায়গা হবে না। যদিও আমরা শুকনো খাবার ও 11 দিনের যাবতীয় কিছু কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, যা বহনের জন্য সার্বনিক একজন গাইড প্রয়োজন হয়েছিল। তবে সবজি, মুরগী, কলা পেপেঁ, কমলা এগুলো কিনে খেয়েছিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


