somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাহাড়ের কান্না-2

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৩:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নইপয় ঝরনাঃ
এ ঝরনাটি বকত্দাইপাড়ার কাছাকাছি থেইখ্যাঙপাড়াতে অবস্থিত। উচ্চতার দিক দিয়ে এটি চুম্পি ঝরনা থেকেও বড়। বর্ষাকালে প্রচুর পানি ঝরে। শুষ্ক মৌসুমে প্রায় মৃত থাকে।

সানক্রাই ঝরনাঃ
এই ঝরনাটিও চুম্পি ঝরনা থেকে বড়। উচ্চতা 35-40 ফুট। এটিতেও বর্ষাকালে প্রচুর পানি এবং শুষ্ক মৌসুমে কম।

কিওপুং ঝরনাঃ অত্যন্ত দুর্গম অঞ্চলে আছে এটি। যার সন্ধান খুবই কমই জানেন স্থানীয় লোকেরা। এটি রিজুক ঝরনার চেয়েও বড়। 12 মাস পানি ঝরে, কোন পথ নেই বলে যাওয়া কষ্ট সাধ্য। যেতে হলে পথ কাটতে হবে। এ ঝরনাটি রিজুকের চেয়ে উঁচু হয়, তবে এর উচ্চতা নিঃসন্দেহে 80-90 ফুট হবে। ঝরনাটি বাকত্দাইপাড়া থেকে 2 ঘন্টার পথ হতে পারে।

তুল্পে ঝরনাঃ সুনসাংপাড়া থেকে রুমা যেতে 1 ঘন্টার পথ। এটিতেও 12 মাস পানি থাকে।

বাচালামপাড়া ঝরনাঃ রুমা বাজার থেকে 3-4 ঘন্টার পথ। উচ্চতা প্রায় চুম্পি ঝরনার কাছাকাছি।

আলতাপাড়া ঝরনাঃ বাচালাম থেকে 1 ঘন্টার পথ চুম্পি ঝরনার দ্বিগুন হবে।

মুন্ননপাড়া ঝরনাঃ আলতাপাড়া থেকে 1 ঘন্টার পথ। উচ্চতা দুটি চুম্পি ঝরনার সামনে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রচুর সম্ভবনা। শুধু প্রয়োজনীয় পদেেপর অভাবে বান্দরবনের এই অঞ্চলগুলো এখনো অবহেলিত। যদিও রুমা বাজারে একটি সরকারি রেষ্ট হাউস স্থাপিত হয়েছে, তারপরও সরকারিভাবে এ অঞ্চলের রাস্তা তৈরি করে পর্যটকদের উৎসাহী করার ল্যে ব্যাপক প্রচারনা করা।
তবে অভিযাত্রীরা যাওয়ার আগে সম্পুর্ন তথ্য না জেনে যাওয়া ঠিক হবে না এবং একসঙ্গে পাঁচ থেকে সাতজনের বেশী অভিযাত্রী যাওয়া ঠিক হবে না। কেননা পাহাড়ে কোন হোটেল নেই। স্থানীয় আধিবাসীদের বাড়িতে বেশী লোকের জায়গা হবে না। যদিও আমরা শুকনো খাবার ও 11 দিনের যাবতীয় কিছু কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, যা বহনের জন্য সার্বনিক একজন গাইড প্রয়োজন হয়েছিল। তবে সবজি, মুরগী, কলা পেপেঁ, কমলা এগুলো কিনে খেয়েছিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×