somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাঙ্গামাটির রঙ্গের কথা-2

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যেখানে বেড়াবেনঃ
শহরে বেড়ানো ও দেখার মতো অনেক জায়গা সথাপনা,নির্দশন আছে। এগুলোর মধ্যে কাপ্তাই লেক ভ্রমন,পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, ঝুলন্ত ব্রিজ,পেদা টিংটিং,সুবলং ঝরনা, রাজবাড়ি,রাজবন বিহার,উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তবে দূরে কোথাও গেলে সন্ধ্যার আগে ফেরা উচিত।
সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদঃ
1960 সালে খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মানের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদু্যৎ উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত হয়।অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা অাঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারে ভীষন আনন্দ জাগায়। এতে করে অনুভূত হবে রোমাঞ্চকর অনুভূতিরও । দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে দিনভর নৌবিহার করা যেতে পারে। ভাড়া লাগবে 500 থেকে1500 টাকা।
সুবলং ঝরনাঃ
রাঙ্গামাটি শহর থেকে 10-12 কিলোমিটার দূরে অবসথিত মনোরম এই ঝরনাটি। শীত মৌসুমেও এটি জেগে থাকে। কাছে গেলেই আরও বেশি আকর্ষনীয় হয় এটি। ঝরনার পানিতে গোসলের আনন্দটাই অন্যরকম। ইতিমধ্যে বহুলভাবে পরিচিতি লাভ করেছে এই ঝরনা। দেশীয় ইঞ্জিন নৌকায় এই ঝরনা দেখে আসতে আসা- যাওয়াসহ সময় লাগে 2 ঘণ্টার মতো। ভাড়া 300-400 টাকা।
রাজবাড়িঃ
রাঙ্গামাটি শহরেই অবসথিত রাজবাড়ি। চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও তার মা রানী আরতি রায় এ রাজবাড়িতে থাকেন বর্তমানে। চারদিকে হ্রদ বেষ্টিত এই রাজবাড়ি পুরনো হলেও দেখতে ও বেড়াতে ভীষন ভাল লাগে। রাজদরবার, কাচারি, সজ্জিত কামানসহ দেখার মতো অনেক কিছু আছে।উপজাতীয় পোশাকও পাওয়া যায়।
রাজবন বিহারঃ
রাজবাড়ির পাশেই আন্তর্জাতিক খ্যাত এই বৌদ্ব ধমর্ীয় প্রতিষ্ঠানটি অবসহিত। এখানে অবস্খান করেন বৌদ্ব আর্য পুরুষ শ্রাবক বুদ্ব সর্বজন পূজ্য শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাসহবির বনভান্তে। এই বৌদ্ব বিহারে প্রত্যেক বছরের কঠিন চীবর দানোৎসবে লাধিক মানুষের সম্মেলন ঘটে। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনাথী ও পুণ্যানর্থীর ভিড়ে মুখরিত থাকে রাজবন বিহার এলাকা। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান বৌদ্ব ধমর্ীয় প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েকটি বৌদ্ব মন্দির, বিশ্রামগার, হাসপাতাল, তাবতিংস স্বর্গসহ অনেক কিছু রয়েছে দেখার মত।
পর্যটন মোটেলঃ
রাঙ্গামাটি শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের তীর ঘেঁষে অবসথিত সরকরি পর্যটন মোটেল। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় সথান এটি।
ঝুলন্ত ব্রিজঃ
পর্যটন মোটেলেই অবসথিত ঝুলন্ত ব্রিজটি,যা পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এটি।
পেদা টিং টিংঃ
বেসরকারি পর্যটন সংসথা হলিডে ব্লাস্ট এন্ড পেদা টিং টি। রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাএ 4-5কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের ভসমান একটি পাহাড়ে অবসথিত এই পর্যটন সংস্খা। এখানে রেস্তোরা,কটেজ, নৌবিহার ব্যবসথা, সেগুন বাগান, বানর রয়েছে। ইচ্ছে করলে মনোজ্ঞ কোন অনুষ্ঠানও করা যায়।
উপজাতীয় জাদুঘরঃ
রাঙ্গামাটি শহরের প্রধান রাস্তার পাশেই এই জাদুঘরটি সথাপিত হয়েছে। উপজাতীয় কৃষ্টি,সংসকৃতি, জীবনধারার নানান নিদর্শন সাজানো রয়েছে এখানে।
অন্যান্যঃ
ডিসি বাংলো, কাপ্তাই বাঁধ, হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, জাতীয় উদ্যানসহ দেখার মতো আরো অনেক সথাপনা, স্খান ও নিদর্শন রয়েছে। যা সহজে দৃষ্টি কাড়ে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবির বিরুদ্ধে কবি

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১০

হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।

হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষকের মর্যাদা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩


কবিতাটার কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ইলিশ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৬


ইলিশ!ইলিশ!! রূপালী ইলিশ, কোথায় তোমার দেশ? 
ভোজন রসিকের রসনায় তুমি তৃপ্তি অনিঃশেষ। 

সরষে- ইলিশ, ইলিশ-বেগুন আরও নানান পদ
যেমন তেমন রান্না তবুও খেতে দারুণ সোয়াদ

রূপে তুমি অনন্য ঝলমলে ও চকচকে।
যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×