ফর্মে নিম্নের তথ্যগুলো উস্থাপন করতে হবেঃ
1। পুরো নাম, 2। বর্তমান ঠিকানা, 3। জন্মতারিখ, 4। জাতীয়তা, 5।পেশা, 6।পাসপোর্ট ধরন, 7।কতদিন থাকবেন, 8।যাওযার কারণ। ভুটান দুতাবাস আপনাকে আপনার পাসপোর্টে কোন ভিসা ইসু্য করবে না। আলাদা একটি পত্রে ভুটান ভ্রমনের অনুমতি দান করবে। অনুমতি সংগ্রহের সময় অবশ্যই পাসপোর্ট প্রয়োজন।
ভুটান দুতাবাসের ঠিকানাঃ বাড়ি নং- এফ 5 (্এই ই) গুলশান এভিনিউ, গুলশান, ঢাকা-1212। ফোনঃ 605840, 8823939
ভুটান হিমালয়ের পূর্বদিকে অবস্থিত। আয়তন 46500 বর্গকিমি। উত্তরে চীনের তিব্বত, দেিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি এবং আসাম, পশ্চিমে দার্জিলিং, সিকিম ও তিব্বতের চুমির উপত্যকা। ভুটান রাজার দেশ। রাজা এখানে দেবতার মতোই পূজনীয়।
14 লাখ (প্রায়) দেশ দেশবাসীর মধ্যে বেশিরভাগই বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
ভুটানের রাজধানী থিম্পু।
রাষ্ট্রভাষা জোঙ্গা ছাড়াও ভুটানী, নেপালী এবং ইংরেজী ভাষার প্রচলন আছে। ভুটানের মুদ্রার নাম নু্যট্র্যাম বা নু্য। ভারতের রুপি টর নু্য এর মান সমান। আর 1 নু্য=1.25 বাংলাদেশী টাকা।
ভুটানের অনেক চাইনিজ খেলনা, রঙিং উলের নকশাকাটা পোশাক ছাড়াও ভারতীয়, চীনা ও জাপানী অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস পাওয়া যায়। কিনে আনতে পারেন।
সরকারি হোটেল খরচ কম হলেও মান তেমন ভালো নয়। তবে বেশ কয়েকটি বেসরকারী হোটেলও রয়েছে।
ভুটানে যে কোন সমস্যা হলে যোগাযোগ করবেন বাংলাদেশ দুতাবাস। ঠিকানা- ঊসনধংংু ড়ভ ইধহমষধফবংয ঢ়ষড়ঃ ঘড়. ঐওএ. এ-3, টঢ়ঢ়বৎ ঈযঁনধপযঁ ঞবসঢ়ঁ, ইযঁঃধহ, ঞবষ- 22539, ঋধী- 22629
নেপাল থেকে পূর্বদিকে ভারতের উত্তরপ্রান্তে হিমালযের পার্বত্য ভুমি নিয়ে গঠিত ছোট দোশ ভুটান সার্ক এর অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র। ভুটানও সড়কপথে নেপাল ও ভারতের সাথে যুক্ত। বাংলাদেশ বা ভারত থেকে স্থলপথে ভুটান যেতে দেশটির পশ্চিম দনি সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে হয়। ভূটানকে বলা হয় ল্যান্ড অব থান্ডার ড্রাগন। ভুটান সমভবতঃ পৃথিবীর অন্যতম চিওাকর্ষক অথচ কম প্রচারিত রাষ্ট্র যেখানে রয়েছে ভ্রমনকারীদের জন্য নানা দর্শনীয় মপট। মাকের্া পলোর সময় ভুটানের নাম ছিল বুটান অথবা ল্যান্ড অব দি পিচফুল থান্ডার ড্রাগন। চিত্তাকর্ষক হিমালয়ের

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


