প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে নিরংকুশ মতা নিজের হাতে নেন। 1962 সালে পাঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়, যাতে রাজা নিজের পছন্দানযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা মনোনয়নের মতা পান। 1972 সলে রাজা মহেন্দ্রর মৃতু্যর পর তার পুত্র বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব মতায় বসলেও রাজা হিসাবে তার অভিষেক হয় 1975 সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। অনুষ্ঠানিকতায় বিলম্বের হেতু নেপালীরা প্রবল অদৃষ্টবাদীতে বিশ্বাস। জ্যোতিষির কথা রাখতে গিয়ে নাকি এমটি করা হয়েছিল। 1980 সালে একতরফা গনভোটে প্রচলিত পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় প েবেশ কষ্ট করে বৈধতা আদায় করা হলেও বিপুল সংখ্যক ভোটার গনতন্ত্রের প েরায় দেন।
দশ বছরের মাথায় 1990 সালে গনতন্ত্রীরা পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বাতিল করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে ব্যাপাক গন আন্দোলনের ডাক দেয়। 8 এপ্রিল আন্দোলকারীরা রাজপ্রসাদ আক্রমন করলে পুলিশের গুলিতে শত শত বিােভকারী প্রাণ হারায়। সরকারের নির্মম অত্যাচারে সারাদেশ গর্জে ওঠে। আন্দোলনের তীব্রতায় রাজা বীরেন্দ্র নভেম্বর মাসে সংবিধান অনুযায়ী সকল মতার মালিক হয় জনগন, রাজতন্ত্র হয়ে পড়ে সীমিত। 1991 সালে শুরু হয় সাবভৌম সংসদীয় ব্যবস্থা। কিন্তু রাজনীতিকদে মতপার্থক্য এবং মাওপন্থীদের সশস্ত্র অবস্থানের ফলে নেপালে গনতন্ত্র স্থিতিশীলতার বদলে ঘন ঘন সরকার বদলের গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি অর্জন করতে পারেনি। 2001 সালে এক রহস্যজনক ও হ্নদয়বিদারক হত্যাকান্ডে রাজা বীরেন্দ্র সপরিবারে নিহত হলে মতার দৃশ্যপটে আসেন বহুল আলোচিত জ্ঞানেদ্র। পাশাপাশি চলতে থাকে মাওবাদীদের সশস্ত্র রক্তাক্ত অভিযান এবং জ্ঞানেন্দ্রর রাজতন্ত্রী শক্তি সঞ্চয়। এভাবেই নেপাল একবিংশ শতাব্দীদে প্রবেশ করেছে এক প্রবল অনিশ্চতাকে সঙ্গী করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


