ঢাকা থেকে যারা নেপাল যাত্রা করবেন তারা যাবেন উত্তরবঙ্গের নাইট কোচে। উত্তরবঙ্গের নাইটকোচগুলো নিয়মিত চলাচল করে লামমনিরহাট জেলার সীমান্ত শহর বুড়িমারীতে। ভাড়া শতিনেক টাকার মতো। বুড়িমারী হচ্ছে লামমনিরহাট জেলার সীমান্তে অবস্থিত একটি স্থল বন্দর। আমরা রাতে ঢাকা থেকে যাত্রা করলে সকালেই পৌছে যাব বুড়িমারীতে। তবে যাত্রা শুরু করার আগেই পাসপোর্ট, নেপালের ভিসা এবং ভারতের ট্রানজিট ভিসা নিয়ে রাখতে হবে। বুড়িমারী পৌছার পর বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ ভ্রমন কর পরিশোধ করতে হবে স্থানীয় জনতা ব্যাংকে। ভ্রমন কর লাগবে 250 টাকা। অবশ্য ভ্রমন করা পরিশোধের কাজটি ঢাকা থেকেও করা যায়।
এরপর যেতে হবে স্থানীয় পুলিশ ও কাষ্টমাস অফিসে। সাথে ক্যামেরা থাকলে এখান থেকে পাসপোর্ট এন্টি করিয়ে নিতে হবে। নচেৎ ও পাশে বিএস এফ এর হেনস্থায় পড়তে হতে পারে এবার বিডি আর বুথে চেক ইন করে সীমান্ত পথ পার হয়ে যেতে হবে ভারতীয় সীমানের চ্যাংরাবান্দার কাস্টমস অফিসে। কাস্টমস অফিসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এখান থেকে কার অথাব জীপে ভাড়া করে পড়ি দিতে হবে ভারতীয় এই ভু-ভাগটুকু। ম্যাপে বাংলাদেশের এবং নেপালের মাঝখানে দৃশ্যত: সরু যে ভুভাগ দেখা যাচ্ছে এটিই ভারতীয় ভুভাগ। এটুকু পাড়ি দিয়ে নেপালের সীমান্তে ভাবতের রানীগঞ্জে পৌছাতে সময় লাগবে প্রায় আড়াই ঘন্টা। ব্যয় সাশ্যয় করতে চাইলে এ অংশটুকু দলবদ্ধভাবে গাড়ীতে যাওয়া ভাল। রানী গঞ্জ সীমান্তে আবার বিএসএফ আবার কাস্টমস অফিসের আনুষ্ঠিকতা। আর এসব শেষ হলে এবার পায়ে হেটেই প্রবেশ করা যাবে নেপালে। আর প্রবেশ করলেই নেপালী শহর কাকরভিট। তবে কাকরভিটা এসেও কিন্তুও একবার এখানকার কাস্টমস অফিসে যেতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


