কুরআন মাজীদের চারটি আয়াত। মন ধরলো, এ পবিত্র আয়াতগুলোর একটু কাব্যানুবাদ করি। তাই কাঁচা হাতে মহান প্রভূর অমিয় বানী নিয়ে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা-
যারা-
পালনকারী আল্লাহকে 'রব' মেনে নেয়,
এই বিশ্বাসে ইস্পাতদৃঢ় মজবুতি দেয়।
শেষ সময়ে মালাইকাহ তাদের জানান-
থাকেন যেন চিন্তাবিহীন, ভয় নাহি পান।
আরও বলেন, খোশখবরী সে জান্নাতের,
ওয়াদা মতন সবই পাবেন সে কুরআনের।
তারা বলেন-
ধরনীতে আমরা তোমার বন্ধু ছিলাম,
পরকালেও থাকব সাথী ওয়াদা দিলাম।
তুমি হবে সে জান্নাতের মালিক-মহান,
থাকবে যেথায় সবকিছুই চায় যা পরান।
রাজাধিরাজ নিবেন মেনে সকল দাবি,
দিবেন তোমার হাতে সুখের জীয়ন চাবি।
আজ-
নিমন্ত্রাতা, আরশের অধিপতি নিজে!
অসীম দয়ালু তিনি তাঁর দান কী যে!
মহা ক্ষমাশীল তিনি তার অনুগতদের,
অফুরান নাওয়াজী হে, আপ্যায়ন ঢের।
তদুপরি বলবেন- আরও চাও আরও,
সকল চাওয়া শেষে দেন অধিক তারও।
সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আজিম! তিনি মহান! তিনি কত মহান!
মনের আঁকুতি,
আয় আল্লাহ! আপনি মাফ করুন। আপনার কাছে দয়া চাই। আপনার করুনার ছায়াতলে আশ্রয় চাই। আপনি দুনিয়া আখিরাতে আমাদের পরম বন্ধু, উত্তম অভিভাবক, আশ্রয়দাতা, সাহায্যকারী হয়ে যান। আল্লাহুম্মা আমীন।
আয়াতে কারীমার সরল বাংলা অর্থ:
নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় করো না, চিন্তা করো না এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ শোন। (সূরাহ: হা-মীম সিজদাহ, আয়াত: ৩০)।
ইহকালে ও পরকালে আমরা তোমাদের বন্ধু। সেখানে তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে তোমরা দাবী কর। (সূরাহ: হা-মীম সিজদাহ, আয়াত: ৩১)।
এটা ক্ষমাশীল করুনাময়ের পক্ষ থেকে সাদর আপ্যায়ন। (সূরাহ: হা-মীম সিজদাহ, আয়াত: ৩২)।
তারা তথায় যা চাইবে, তাই পাবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক। (সূরাহ: ক্কাফ, আয়াত: ৩৫)।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



