somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

হজে গমনেচ্ছু হাজি সাহেবানদের শেষ সময়ের প্রস্তুতি এবং যেসব জিনিষ তাদের সাথে নেয়া জরুরি

১৬ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হাজি সাহেবানদের যেসব প্রস্তুতি থাকা জরুরি:
হজ প্রত্যেক মুসলমানের জীবনের সর্বোচ্চ আশা-আকাংখার কেন্দ্রবিন্দু। মুসলমান মাত্রই জীবনে একবার হলেও হজ করার আশা পোষণ করে থাকেন। বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, অনেক হাজি সাহেবান হজের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম না মানার কারণে নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন এমনকি অনেকে হজে যেতেও ব্যর্থ হয়েছেন। কেউ কেউ দালাল চক্রের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বহু কষ্ট ক্লেশের পরে হজে যেতে সক্ষম হলেও মক্কা এবং মদিনা শরিফে নানা রকম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা প্রত্যেক হাজি সাহেবেরই জানা আবশ্যক। দেশে এবং মক্কা-মদিনায় কি কি কাজ করা প্রয়োজন, হজে গমনেচ্ছু সব হাজি সাহেবানদের জ্ঞাতার্থে বিষয়গুলো সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো:

হজে রওনা হওয়ার পূর্বে করণীয়:
১. সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে যারা হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন তাদেরকে অবশ্যই বাংলাদেশ হজ অফিস/ এজেন্সির যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে হবে।

২. বেসরকারিভাবে যারা যাবেন, মক্কা এবং মদিনা শরিফে থাকার কি ব্যবস্থা হয়েছে, বাইতুল্লাহ শরিফ এবং মসজিদে নববি থেকে বাসস্থানের দূরত্ব কতটুকু ইত্যাদি বিষয়ে অবশ্যই ভালোভাবে বিস্তারিত আলোচনা করে আগেভাগে সব খোঁজ খবর নিয়ে রাখা আবশ্যক। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে দুই হারাম এলাকা হতে বাসস্থল বেশি দূরে ভাড়া করা হলে এজেন্সির লোকদের সাথে মনোমালিন্য হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

৩. এজেন্সির নিকট থেকে একথা জেনে নিতে হবে যে, হাজি সাহেবানদের সঙ্গে এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মোয়াল্লেম যাবেন কি না, যারা হজের বিষয়াদি সম্পর্কে ধারণা দিবেন। কোথায় কোথায় হজের কার্যক্রমগুলো কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে তারা হাজি সাহেবানদের ধারণা দিয়ে থাকেন। এ ব্যাপারেও জেনে নেয়া প্রয়োজন যে, মোয়াল্লেম যিনি যাবেন তিনি আলেম কি না। অনেক মোয়াল্লেম আলেম না হওয়ার কারণে হাজি সাহেবানদের সঠিকভাবে হজের কার্যক্রম সম্পন্ন করাতে পারেন না। কোনো আলেম মোয়াল্লেম কাফেলাসালার হিসেবে সাথে থাকলে প্রয়োজনের সময় তার নিকট হতে মাসআলা মাসায়েল জেনে নেয়া যায়।

৪. হজে যাওয়ার আগেই খুব ভালোভাবে হজের নিয়ম কানুন শিখে নেয়া প্রয়োজন। কেননা হজে যাওয়ার নিয়ত করা থেকেই আপনি আল্লাহ তাআ'লার মেহমান। তাই আপনার আশেপাশে কোথায় হজ প্রশিক্ষণ চলে তা জেনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে হজের প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল ভালোভাবে জেনে নেয়া সহজ হবে।

৫. হজের নিয়ম কানূনের ব্যাপারে বাজারে বিভিন্ন প্রকাশনীর অনেক বই-পুস্তক পাওয়া যায়, সেগুলো সংগ্রহ করে ভালোভাবে পড়ে নেয়া যেতে পারে। হজ এজেন্সি এবং সরকারিভাবেও বই সরবরাহ করা হয়, সেগুলো সংগ্রহ করা উচিত।

৬. যেহেতু আল্লাহ তাআ'লার রাস্তায় বের হবেন তাই সেইভাবে মন-মানসিকতা তৈরি করতে শুরু করুন। অনেক হাজি সাহেবান বৃদ্ধ এবং বয়স্ক অবস্থায় হজে গমন করে থাকেন, তাই এখনকার পড়াশুনা এবং তা'লিম তাদের মনে নাও থাকতে পারে। সঙ্গত কারণে হজের বই বা গাইড নিজের সাথে সংরক্ষণে রাখা উত্তম। এগুলো কাফেলার অন্য সাথীদেরও প্রয়োজনে আসতে পারে।

৭. হজে রওনা হওয়ার পূর্বে আপনার পরিচয়পত্র, মোয়াল্লেম কার্ড, হোটেলের কার্ড, কব্জি বেল্ট ইত্যাদি সংগ্রহ করুন।

৮. বিমানে ওঠার আগে থেকেই আপনার হ্যান্ড ব্যাগে পাতলা ধরণের একটি জায়নামাজ এবং স্প্রে করা যায় এমন পানির বোতল সবসময় সঙ্গে রাখুন, যাতে অজু করার জায়গা না থাকলে স্প্রে করে হাতের তালুতে পানি নিয়ে অযুর ফরজগুলো আদায় করা যায়।

৯. লাগেজ বা ব্যাগের গাঁয়ে বাংলাদেশের পতাকার ছাপ, বাংলা, ইংরেজি ও আরবিতে নিজের নাম, পাসপোর্ট নম্বর, পিআইডি নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর ইত্যাদি স্পষ্ট অক্ষরে লিখে নিতে হবে।

১০. প্রয়োজনীয় ফোন বা মোবাইল নম্বরগুলো সংগ্রহ করে রাখা উচিত, যাতে সমস্যা বা বিপদ-আপদে সহযোগিতা নেয়া যায়। তা দেশে হোক আর মক্কা-মদিনায় হোক। ছোট একটি ফোন বুকে লিখে নেয়া যেতে পারে, যা হাত বেল্ট বা কোমর বেল্টে বহন করা যায়।

১১. এখন থেকেই হাটা-হাটি ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সুদৃঢ় করার চেষ্টা করতে থাকুন। মনে রাখতে হবে, হজের সফর মানেই কষ্টের সফর। প্রচুর হাটাহাটি করতে হবে এই গোটা সফরে। কোনো প্রকার অলসতাকে প্রশ্রয় দেয়ার সুযোগ নেই হজের সফরে। তাই হজের সফরের জন্য শারীরিক ফিটনেস অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

সুতরাং সময় বেশি বাকি নেই আর কিছু দিন পরই হজ ফ্লাইট শুরু হবে। হাজি সাহেবানগণ যাতে সুন্দরভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন সেই ভাবে সকলের দৃষ্টি রাখতে হবে। আল্লাহ পাক সকল মুসলমানের হজ যেন কবুল করেন, মনেপ্রাণে এ কামনা করি।

হজে গমনকারীরা সঙ্গে যা যা নিবেন:
হজ ইসলামের পাঁচটি বেনার অন্যতম একটি। ফরজ ইবাদত। শারীরিক পরিশ্রম ও সম্পদের কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহ তাআ'লার নৈকট্যলাভের মাধ্যম। এতে যেহেতু প্রচুর পরিশ্রমের বিষয় রয়েছে, সেহেতু এখানে অতিরিক্ত কোনো কিছু করার সুযোগ নেই। এ কথাটি স্মরণ রাখতে হবে- আল্লাহ তাআ'লাকে একান্তভাবে পাওয়ার জন্য, তার গভীর নৈকট্য লাভের জন্য, তারই হুকুম পালনার্থেই সম্পাদন করতে হবে হজের যাবতীয় কার্যক্রম। হজ সম্পাদনের প্রতিটি পদক্ষেপে রাখতে হবে ধৈর্য্যের সাক্ষর। হজ মানেই পরিক্ষা। ধৈর্য্যের পরিক্ষা। ক্ষুধা, কষ্ট, দু:খ-বেদনায় অসীম ধৈর্য্যের পরিক্ষা। প্রতিটি স্থানে ধৈর্য্যের পরিচয় দিতে হবে। এমন কোনো আচার-আচরণ বা কর্ম করা যাবে না, যার দ্বারা হজের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।

সাধারণত: হজের সফর ১৫ দিন থেকে শুরু করে প্রায় ২ মাসের হয়ে থাকে। তাই এ দীর্ঘ সফরে মালামাল ও ব্যাগ-ব্যাগেজ যত কম হবে ততই ভাল। বেশি মালামাল সাথে নিলে তা বহনে কষ্টও বেশি হবে। তাই নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্রের মধ্যে আরও যা যা একান্ত প্রয়োজন-

১. ব্যবহারের কাপড়- লুঙ্গি, গেঞ্জি, গামছা, ফতুয়া, পাঞ্জাবি, পা-জামা।
২. নিত্য ব্যবহারের তেল, সাবান, টুথ পেষ্ট, মিসওয়াক।
৩. একটি হাওয়াই বালিশ (যা মুজদালিফাসহ সব জায়গায়ই ব্যবহার করা যাবে)।
৪. খাবারের জন্য একটি থালা এবং ছোট মগ।
৫. ডাক্তারের পরামর্শমত প্রয়োজনীয় ওষুধ সাথে নিতে যেতে হবে। এছাড়া সাধারণ সাধারণ রোগের কিছু কমোন ওষুধ রয়েছে যেগুলো সচরাচর প্রয়োজন হতে পারে। যেমন- ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, আমাশয়, মাথা ব্যথা, গ্যাস্টিক ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট ক্যাপসুল সাথে রাখা ভালো। কিছু খাওয়ার স্যালাইন নেয়া যেতে পারে।
৬. দু’টি ব্যাগ- ক. একটি সব মালামাল রাখার জন্য বড় ব্যাগ, অন্যটি মিনা, মুজদালিফা, আরাফাসহ বিভিন্নস্থান পরিদর্শনে ইহরামের কাপড়, পাসপোর্ট-টিকিট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রাখার জন্য।
৭. দুই সেট ইহরামের কাপড়।
৮. ইহরামের কাপড় পরে কোমর বাধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার বেল্ট।
৯. স্পঞ্জের স্যান্ডেল ইহরাম অবস্থায়, ভালো জুতা রাখার ব্যাগসহ (মোট ২ সেট)।
১০. পরিমাণ মতো রিয়াল বা ডলার।
১১. হজের যাওয়ার পূর্বেই ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করে স্বাস্থ্য পরিক্ষা করিয়ে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন বা টিকা গ্রহণ করা।
১২. ছোট একটি ছাতা সঙ্গে নেয়া খুবই উত্তম। কারণ, দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায়, হজের মওসুমে মক্কার তাপমাত্রা চল্লিশের কাছাকাছি থাকে। সূর্য মাথার উপরে আসতে আসতে এটা অারও বেড়ে যায়। তখন ছাতা অনেক উপকারে আসে।
১৩. লাগেজ বাঁধার জন্য রশি, টেপ, মার্কার পেন, সুঁই-সুতা ইত্যাদি সঙ্গে রাখা উত্তম।
১৪. মাথা মুন্ডন ও অন্যান্য প্রয়োজন পূরণের জন্য ব্লেড, রেজর ইত্যাদি।
১৫. কাপড় ধোয়ার জন্য পরিমানমত সাবান বা পাউডার।
১৬. কিছু শুকনো খাবার। যেমন- চিড়া, বিস্কুট, নাড়ু, পিঠা ইত্যাদি।
১৭. সম্ভব হলে একটি ডিজিটাল ওয়েট মেশিন সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ভালো। এটি হজের কার্যক্রম শেষে দেশে ফিরে আসার সময় লাগেজ ও অন্যান্য ব্যাগ ব্যাগেজ ওজন করতে সহায়ক হবে। কারণ, একজন হাজি সাহেব সর্বোচ্চ ৬৫ কেজি ওজনের মালামাল দেশে আনার সুযোগ পেয়ে থাকেন। অনেকে নির্ধারিত ওজনের চেয়ে বেশি মালামাল বহন করার ফলে ফিরতি পথে সউদি এয়ারপোর্টে এসে ইমিগ্রেশনে বিপদের মুখে নিপতিত হন।

সুতরাং আল্লাহ তাআ'লার সান্নিধ্যলাভের প্রত্যাশায় হারামাইন শরিফাইন যিয়ারতে যাওয়ার আগেই সফরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়সহ যথাসম্ভব পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। যারা এখনও হজের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করেননি কিংবা স্বাস্থ্য পরিক্ষা করাননি, সফরের পূর্বেই তা গ্রহণ করে নিন। আল্লাহ তাআ'লা আমাদের সবাইকে হজের প্রস্তুতি গ্রহণ এবং এর মাধ্যমে কল্যাণলাভে এগিয়ে আসার তাওফিক দান করুন। হজে গমনেচ্ছু সবাইকে সুষ্ঠু এবং সুচারুভাবে মাকবুল হজ করার প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় সকল বিষয় সুন্দরভাবে সমাধান করার তাওফিক দান করুন। এ বছর বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে যারা হজে যাওয়ার নিয়্যাত করেছেন, সকলের হজকে হজে মাবরূর হিসেবে কবুল করুন। কোনো একজন হাজি সাহেবের হজ সফরের ক্ষেত্রেও এই লেখাটি যদি সামান্য উপকারে আসে তাহলে অতি সামান্য এই শ্রমকে স্বার্থক মনে করবো। আল্লাহ পাক আমাদের সকল কাজকে সাওয়াবপ্রাপ্তির উসিলা হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩০
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাশালী নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা"

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫



আমেরিকা ও সারা বিশ্বের ক্যাপিটেলিষ্ট আইডিয়া বিস্তারের একটি শক্তিশালী ম্যাগাজিন হচ্ছে "ফোর্বস"; ইহা মুলত বিজনেস ম্যাগাজিন; এই ম্যাগাজিনটি প্রতি বছর বিশ্বের ১০০ জন ক্ষমতাশালী নারীর তালিকা প্রকাশ করে থাকে;... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুঞ্জয়ী (শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্মরণে)

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

বিজয়ের পূর্বাহ্নে
বিষাদে ভরে যায় মন!

মাঠের লড়াইয়ে যখন পরাজয় সু-নিশ্চিত

কুচক্রিরা আঁকে ভয়ংকর
গোপন নীলনকশা!

রাতের আঁধারে চুপি চুপি নামে হায়েনারা


ঠক ঠক ঠক, চলুন কথা আছে- ছলনায়
রাতের আঁধারে চোখ... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাঙ্গাইলের সব জমিদার বাড়ি একসাথে

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৮



(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: পোস্টটি অনেক বড়।)

আজকে আমি টাঙ্গাইলে, আমার জানামতে সবগুলো জমিদার বাড়ি নিয়ে কথা বলবো। কিভাবে একদিনে প্রায় সবগুলো জমিদার বাড়ি ঘুরে আসবেন সে তথ্যও জানাবো। আমি কোন জমিদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযোদ্ধারা তো এমন চেতনাবাজ'ই হতে চেয়েছিলেন!

লিখেছেন Sami Al Shakib, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪৬


১.
'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ' নামে সরকারের মদদপুষ্ট কিছু সন্ত্রাসী 'দৈনিক সংগ্রাম' পত্রিকায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা'কে একটি আর্টিকেলে 'শহীদ' হিসেবে উল্লেখ করার প্রতিবাদে গতকাল(১৩/১২/১৯ইং) বিকেল হতে পত্রিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইনস্টাইন, হকিং ও মেরিলিন মনরো

লিখেছেন মুনির হাসান, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২০


আজ থেকে ১০০ বছর আগে, ১৯১৯ সালের ৬ নভেম্বর স্যার আর্থার এডিংটন তার এক্সপেডিশনের রেজাল্ট প্রকাশ করে বলেন - আইনস্টাইনের থিউরিই ঠিক। ভারী বস্তুর পাশ দিযে আসার সময় আলো বেঁকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×