somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

যে আমলে জান্নাত মেলে

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিঃ অন্তর্জাল।

যে আমলে জান্নাত মেলে

কুরআনুল হাকিমে ইরশাদ হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন,

وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ

‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব, যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ -সুরা মু’মিন : আয়াত ৬০

হাদিসেও সকল ইবাদতের মূল বলা হয়েছে দুআকে। দুআকে ইবাদতের মগজের সাথে তুলনা করা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে যারা দুআ করে না, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাদের পছন্দ করেন না। দুআর মাধ্যমে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। সমাধান করা যায় পার্থিব এবং পারলৌকিক যে কোনো সমস্যা। সব কিছুর মালিক মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা। তাই সব বিষয়ে তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত। তাঁর কাছে চাইলে তিনি খুশি হন। তিনি সকল দয়ালুর বড় দয়াবান। তাঁর চেয়ে বড় দয়াশীল আর কেউ নেই। তাঁর রহমতের ধারা নিত্য নিয়ত বহমান। পৃথিবী এবং এই মহাবিশ্বের বিকশিত সকল সৌন্দর্য্য তাঁরই করুনার অপরূপ অপার বহিঃপ্রকাশ। বান্দা যখন নিরুপায় হয়ে, বিপদে আপদে, ব্যথা কষ্টে কাতর হয়ে, অত্যাচারিত মাজলূম হয়ে, অসুস্থতা অপারগতায় ভগ্ন হৃদয়ে আকুল আকুতিতে তাঁর দরবারে হাত উঠায় তিনি ফেরাতে পারেন না। প্রার্থিত বস্তু দিয়ে দেন তাকে। জান্নাতপ্রাপ্তি বান্দার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বান্দার জন্য এরচেয়ে বড় আর কোনো নেআমত হতে পারে না। জান্নাতী বান্দারাই লাভ করতে সক্ষম হবেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার দিদারের অনন্য অতুলনীয় নেআমত। এখানে এমন কিছু দুআ তুলে ধরা হলো, যেগুলোর মাধ্যমে জান্নাতলাভের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে আমাদের।

জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় যে দুআ পাঠেঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলে কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি পড়বে 'রদিতু বিল্লাহি রব্বাউঁ ওয়া বিল ইসলামী দ্বিনাউঁ ওয়া বিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যাঁও ওয়া রাসুলা', তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। -আবু দাউদ, হাদিস নং: ১৫২৯

আরবি দুআ : رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا

বাংলা উচ্চারণ : ‘রদিতু বিল্লাহি রব্বাউঁ ওয়া বিল ইসলামী দ্বীনাউঁ ওয়া বিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যাঁও ওয়া রাসুলা’।

অর্থ : আমি আল্লাহ তাআ'লাকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট।

অপর বর্ণনায় রয়েছে, যে ব্যক্তি সকাল-বিকেল তিনবার এই দুআ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআ'লা তার সাওয়াব বৃদ্ধির দ্বারা তাকে সন্তুষ্ট করবেন। -তিরমিজি : ২/১৭৬

সাওয়াব অর্জনে শ্রেষ্ঠত্বলাভের দুআঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা ১০০ বার 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি' পড়বে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশি সাওয়াব নিয়ে কেউ আল্লাহর দরবারে হাজির হতে পারবে না। তবে যারা এই দুআর আমল করে, তারা ছাড়া। -মুসলিম, হাদিস : ২৬৯২

আরবি উচ্চারণ : سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

তাসবীহটির বাংলা উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি’।

অর্থ : আল্লাহ পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁরই।

এই তাসবীহ/ দুআর অর্থ এভাবেও বর্ণনা করা যায়, আমি আল্লাহ তাআ'লার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

অন্য এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- যে ব্যক্তি সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠে ১০০ বার বলবে ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ এবং সন্ধ্যায় উপনীত হয়েও অনুরূপ বলবে, সৃষ্টিকুলের কেউ তার সমপরিমাণ মর্যাদা ও সাওয়াব অর্জন করতে পারবে না। -আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৯১

আরবি উচ্চারণ : سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

তাসবীহটির বাংলা উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’।

অর্থ : আল্লাহ পবিত্র, মহান-শ্রেষ্ঠতর। সকল প্রশংসা তাঁরই।

যে দুআ পাঠকারীর জন্য জান্নাতে রোপণ করা হয় বৃক্ষঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- হযরত জাবির রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হয়। -তিরমিজি, হাদিস নং ৩৪৬৪

আরবি উচ্চারণ : سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

তাসবীহটির বাংলা উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’।

অর্থ : আল্লাহ পবিত্র, মহান-শ্রেষ্ঠতর। সকল প্রশংসা তাঁরই।

আমলের পাল্লা ভারী হয়ে উঠবে যে দুআর বরকতেঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে-

وعنه قال: قال رسول اللٰه ﷺ: «كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان فى الميزان حبيبتان إلى الرحمٰن: سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم». (متفق عليه)

হযরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা বলা সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী, আর আল্লাহর কাছেও অধিক পছন্দনীয়। সেটি হলো, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।’ -বুখারি, ৬৬৮২, মুসলিম ২৬৯৪, তিরমিযী ৩৪৬৭, ইবনু মাজাহ ৩৮০৬, ইবনু আবী শায়বাহ্ ২৯৪১৩, আহমাদ ৭১৬৭, শু‘আবূল ঈমান ৫৮৫, ইবনু হিববান ৮৪১, আল কালিমুত্ব ত্বইয়্যিব ৮, সহীহ আত্ তারগীব ১৫৩৭, সহীহ আল জামি‘ ৪৫৭২, মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ২২৯৮

আরবি দুআ : سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم

বাংলা উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম।’

অর্থ : মহান আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, মহান আল্লাহর পবিত্রতা, যিনি শ্রেষ্ঠতর।’

অপর এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত : রাসুলে কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে—‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলক ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদির’, সে ১০ টি গোলাম মুক্ত করার সমান সাওয়াব পাবে। তার জন্য ১০০ সাওয়াব লেখা হবে এবং তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে। কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ওই দুআটির আমল বেশি পরিমাণ করবে। -বুখারি, হাদিস : ৩২৯৩

আরবি দুআ : لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكَ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْر

বাংলা উচ্চারণ : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির’।

অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান।

প্রিয় নবীজীর প্রিয় দুআঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলে কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমি বলি, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ পড়া আমার কাছে সেসব বিষয়ের চেয়ে বেশি প্রিয়, যার ওপর সূর্য উদিত হয়েছে (অর্থাৎ, দুনিয়া ও দুনিয়ার সব কিছু থেকে বেশি প্রিয়)। -মুসলিম, হাদিস : ৬৭৪০

আরবি উচ্চারণ : سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ للهِ، وَلَا إلَهَ إلّا اللهُ، وَاللهُ أكْبَر

বাংলা উচ্চারণ : ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।’

অর্থ : ‘আল্লাহ পবিত্র, সব প্রশংসা আল্লাহর, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আল্লাহ মহান।’

সাওয়াব অর্জনে ধনীদের দান-সদকার সঙ্গে পাল্লা দিতে সক্ষম যে দুআর পাঠকঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- আবু হুরাইরা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দরিদ্র লোকেরা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর কাছে এসে বলল, সম্পদশালী ও ধনী ব্যক্তিরা তাদের সম্পদের দ্বারা উচ্চ মর্যাদা ও স্থায়ী আবাস লাভ করছেন, তাঁরা আমাদের মতো সালাত আদায় করছেন, আমাদের মতো সিয়াম পালন করছেন এবং অর্থের দ্বারা হজ, উমরাহ, জিহাদ ও সদকা করার মর্যাদাও লাভ করছেন। এ কথা শুনে তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু কাজের কথা বলব, যা তোমরা করলে যারা নেক কাজে তোমাদের চেয়ে অগ্রগামী হয়ে গেছে, তাদের পর্যায়ে পৌঁছুতে পারবে? তবে যারা পুনরায় এ ধরনের কাজ করবে তাদের কথা স্বতন্ত্র। তোমরা প্রত্যেক সালাতের পর ৩৩ বার করে سُبْحَانَ اللهِ ‘সুবহানাল্লাহ’, الْحَمْدُ للهِ، ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং اللهُ أكْبَر ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করবে। -বুখারি, হাদিস : ৮৪৩

সব চাওয়া পূর্ণ হয় যে দুআয়ঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আনাস রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলে কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে বসা ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি নামাজ আদায় করে এই বলে দুআ করল, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম।’ নবী কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই ব্যক্তি ইসমে আজম দ্বারা দুআ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে তাঁর কাছে চাওয়া হলে তিনি দান করেন। -আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৯৫

আরবি উচ্চারণ : للَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল মান্নান, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়্যুম।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি। আপনিই তো সকল প্রশংসার মালিক, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি দয়াশীল। আপনিই আকাশসমূহ ও পৃথিবীর একমাত্র সৃষ্টকর্তা! হে মহান সম্রাট ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী, হে চিরঞ্জীব, হে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।’

শ্রেষ্ঠতম জিকির লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহঃ

এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, হযরত জাবির রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির হলো لَا إلَهَ إلّا اللهُ، ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ -তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৩

শেষের কথাঃ

এখানে সামান্য কিছু দুআ, তাসবীহ এবং প্রার্থনা বাক্য তুলে ধরা হলো। এ ছাড়া হৃদয়াগ্রাহী অনেক দুআ ও তাসবীহ হাদিসের বিভিন্ন কিতাবে সহিহ সনদে বর্ণিত হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা যায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের প্রত্যেককে তাঁর নিকট প্রার্থনায় রত হওয়ার, নত এবং বিনীত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমাদের দুনিয়া এবং আখেরাতের জীবন হেদায়েতের আলোয় আলোকোজ্জ্বল এবং প্রভাদীপ্ত করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:৪৯
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×