
বিশ্বে শান্তির আকাঙ্ক্ষা যখন ক্রমশ ম্লান হচ্ছে, তখন আমেরিকার নেতৃত্বে ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধবিরতি গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। এটি কি শান্তির পথে একটি আন্তরিক পদক্ষেপ, নাকি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার কৌশলগত প্রতারণা? মিথ্যাবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বৈত নীতি এই সন্দেহকে আরও তীব্র করছে। কূটনৈতিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুই সপ্তাহ সময় চাওয়ার পর, তিনি আন্তর্জাতিক নিয়মকে অগ্রাহ্য করে রাতের আঁধারে ইরানের তিন তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছেন। মিথ্যা আশ্বাসে প্রতারণামূলক এই পদক্ষেপ শুধু নিন্দনীয় নয়, বিশ্ববাসীর কাছে একটি বিপজ্জনক সংকেত।
ইরানকে নিরস্ত্র করার দাবি উঠলেও, এই হামলার আসল উদ্দেশ্য রহস্যাবৃত। প্রতারক ট্রাম্পের নীতি—একদিকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা, অন্যদিকে গোপন আগ্রাসন এবং ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ—শান্তির পরিবর্তে সংঘাতের আগুন জ্বালাচ্ছে। ফিলিস্তিনকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার পর এখন ইরানের ওপর সম্ভাব্য বড় আক্রমণের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও ক্ষোভ জমছে, যার মূল্য দিতে হবে নিরীহ জনগণকে।
এই কপটতা আর কতদিন? আমেরিকা ও ইসরায়েল কি সত্যিই শান্তি চায়, নাকি ইরানকে ধ্বংস করে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য কায়েমের খেলায় মত্ত? ট্রাম্পের দ্বিমুখী নীতি বিশ্বের জন্য রীতিমত একটি হুমকি। আন্তর্জাতিক নিয়মের অবজ্ঞা শান্তি নয়, বিপর্যয় ডেকে আনবে। বিশ্ব সম্প্রদায়কে এখনই একজোট হয়ে এই প্রতারণার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। নইলে, অদূর ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট গোটা বিশ্বকে গ্রাস করবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





