somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি: বাজারে আবারও কি সক্রিয় অসাধু সিন্ডিকেট?

০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি: বাজারে আবারও কি সক্রিয় অসাধু সিন্ডিকেট?

ছবি এআই দ্বারা তৈরিকৃত।

দেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও ভোগ্যপণ্যের দাম যেভাবে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। মাল্টা, পোলাওয়ের চাল, ডিম, মুরগি কিংবা রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভোক্তাকে বাড়তি মূল্য গুনতে হচ্ছে। আয় বাড়ছে না, কিন্তু বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে লাগামহীনভাবে। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত কমে যাচ্ছে।

প্রশ্ন হলো, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রকৃত কারণ কী? কেবল উৎপাদন খরচ, আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় কিংবা সরবরাহ সংকট দিয়ে কি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির পুরোপুরি ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব?

বিশেষ করে যেসব পণ্যের আমদানি পর্যাপ্ত রয়েছে, সেসব পণ্যের দাম যদি আমদানি বা উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বাজার ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ শৃঙ্খল, মজুতদারি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

মাল্টা: আমদানি মূল্য ৮৭ টাকা, বাজারে ৫৫০ টাকা!

দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা প্রায় ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানিসংক্রান্ত নথিতে যদি প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য প্রায় ৮৭ টাকা হয়ে থাকে, তাহলে আমদানি শুল্ক, পরিবহন, খালাস, গুদামজাতকরণ, নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি এবং ব্যবসায়ীর যৌক্তিক মুনাফা সবকিছু যোগ করার পরও ভোক্তা পর্যায়ে দাম কত হওয়া উচিত, সেটি হিসাব করা কঠিন নয়।

যদি সংশ্লিষ্ট সব খরচ বিবেচনায় প্রতি কেজির সর্বোচ্চ ব্যয় প্রায় ২১০ টাকা হয়, তাহলে খুচরা বাজারে ৫৫০ টাকা নেওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়?

অবশ্যই আমদানিকারক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে বাস্তব খরচ ও মুনাফার হিসাব যাচাই করা প্রয়োজন। কিন্তু যদি আমদানি মূল্য ও খুচরা মূল্যের মধ্যে এত বড় ব্যবধান থাকে, তাহলে সেই অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ কোথায় যাচ্ছে, সেটি খুঁজে বের করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মাল্টার দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকটের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমদানির পরিমাণ যদি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমে না গিয়ে বরং প্রায় ২২ শতাংশ বেড়ে থাকে, তাহলে ‘সরবরাহ সংকট’ যুক্তিটি কতটা গ্রহণযোগ্য, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।

আমদানি বেড়েছে, অথচ বাজারে দামও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। তাহলে সমস্যাটি কি সত্যিই সরবরাহের, নাকি সরবরাহ ব্যবস্থার কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে?

পোলাওয়ের চাল: ১২০ টাকার পণ্য ২৪০ টাকা কেন?

পোলাওয়ের চালের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন সামনে আসে। যে চালের মূল্য প্রায় ১২০ টাকা হওয়ার কথা, সেটি যদি বাজারে ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়, তাহলে ভোক্তাকে দ্বিগুণ মূল্য দিতে হচ্ছে।

এখানে শুধু ‘বাজারে দাম বেড়েছে’ বললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। চালের আমদানি মূল্য, শুল্ক, পরিবহন ব্যয়, পাইকারি মূল্য, মজুত খরচ এবং খুচরা পর্যায়ের মুনাফা, প্রতিটি ধাপের তথ্য প্রকাশ্যে এনে প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা জরুরি।

যদি হিসাব-নিকাশে দেখা যায় যে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক হারে মূল্য বাড়ানো হয়েছে, তাহলে অতিরিক্ত অর্থ কারা নিচ্ছে এবং কোন পর্যায়ে মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে, তা শনাক্ত করা দরকার।

ডিম: খরচ বেড়েছে, কিন্তু দাম কি তার চেয়েও বেশি বেড়েছে?

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি ডজন ডিমের গড় দাম ছিল প্রায় ১২০ টাকা। বর্তমানে সেটি প্রায় ১৬০ টাকা।

ডিমের দাম বাড়ার পেছনে মুরগির খাবারের মূল্যবৃদ্ধির যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। অবশ্যই খাদ্যের দাম বাড়লে ডিমের উৎপাদন খরচও বাড়বে। কিন্তু সেই অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়ের যৌক্তিক প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে কতটুকু পড়ার কথা, সেটিও হিসাব করা প্রয়োজন।

যদি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে প্রতিটি ডিমের দাম আনুমানিক এক টাকা বাড়ার যৌক্তিকতা থাকে, অথচ বাস্তবে পাঁচ টাকা পর্যন্ত বাড়ে, তাহলে বাকি চার টাকার মূল্যবৃদ্ধির ব্যাখ্যা কী?

এই অতিরিক্ত অর্থ কি প্রকৃত উৎপাদন ব্যয়, নাকি সরবরাহ চেইনের কোনো পর্যায়ের অস্বাভাবিক মুনাফা?

সিলিন্ডারের দাম: সরকারি দামের সঙ্গে বাজারদরের এত পার্থক্য কেন?

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কয়েক দফা সমন্বয় করা হলেও বাস্তব বাজারে অনেক ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, যদি দেশে এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকে, তাহলে ভোক্তাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এত বেশি মূল্য দিতে হবে কেন?

সরকার মূল্য নির্ধারণ করবে, কিন্তু বাজারে সেই মূল্য কার্যকর হবে না, তাহলে মূল্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যই বা কী?

একটি সিলিন্ডারে যদি গড়ে এক হাজার টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয় এবং প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সিলিন্ডার বিক্রি হয়, তাহলে প্রতিদিন অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থের পরিমাণও বিপুল হতে পারে। সেই অর্থ শেষ পর্যন্ত কার কাছে যাচ্ছে, কোন স্তরে যাচ্ছে এবং কেন বাজার তদারকি ব্যবস্থা তা বন্ধ করতে পারছে না, এসব প্রশ্নের উত্তর জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

তাহলে কি আবারও অসাধু সিন্ডিকেট?

একটি বা দুটি পণ্যের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটলে সেটিকে বিচ্ছিন্ন বাজার পরিস্থিতি বলা যেতে পারে। কিন্তু একই সময়ে একাধিক পণ্যের দাম যদি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে, অথচ সংশ্লিষ্ট পণ্যের সরবরাহ, আমদানি বা উৎপাদনের তথ্য সেই মূল্যবৃদ্ধিকে পুরোপুরি সমর্থন না করে, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

দেশে অতীতেও আমরা দেখেছি, বাজারের কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, পাইকার ও মধ্যস্বত্বভোগীর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কিংবা বাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছ থেকে অস্বাভাবিক মুনাফা আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রাজনৈতিক পরিবেশ পরিবর্তন হলেই যে এসব অর্থনৈতিক স্বার্থগোষ্ঠী বিলীন হয়ে যাবে, এমনটি ধরে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং যে কোনো সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো, বাজারে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অন্যায় হস্তক্ষেপ কতটা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে।

তাই ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহার না করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিটি পণ্যের মূল্যশৃঙ্খল তদন্ত করা প্রয়োজন।

জনগণ জানতে চায়

একজন সাধারণ ভোক্তা জানতে চান:

মাল্টার আমদানি মূল্য যদি ৮৭ টাকা হয়, তাহলে বাজারে সেটি ৫৫০ টাকা কেন?

পোলাওয়ের চালের মূল্য যদি ১২০ টাকা হয়, তাহলে ২৪০ টাকা নেওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়?

উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ডিমের দাম যতটুকু বাড়ার কথা, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি কেন বাড়ছে?

এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকার পরও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে কেন?

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন:

পণ্যের প্রকৃত মূল্য ও ভোক্তার কাছ থেকে আদায়কৃত মূল্যের মধ্যকার বিশাল ব্যবধানের অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর শুধু বক্তব্য দিয়ে নয়, আমদানি নথি, শুল্কের তথ্য, পরিবহন ব্যয়, পাইকারি মূল্য, মজুতের পরিমাণ, বাজারে সরবরাহ এবং খুচরা বিক্রয়মূল্যের পূর্ণাঙ্গ অডিটের মাধ্যমে বের করতে হবে।

সরকার যদি সত্যিই বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব খুঁজে পায়, তাহলে শুধু কয়েকজন খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। তদন্ত করতে হবে আমদানিকারক থেকে শুরু করে পাইকার, ডিস্ট্রিবিউটর, মজুতদার ও খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা।

কারণ, একজন ছোট দোকানদার যদি বেশি দামে পণ্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন, তাহলে তাকে একা ‘অসাধু ব্যবসায়ী’ হিসেবে চিহ্নিত করে মূল সমস্যাকে আড়াল করা হবে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ নয়, বাজারে স্বচ্ছতা দরকার

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের নামে সাময়িক অভিযান চালিয়ে কয়েক দিন বাজার শান্ত রাখা সম্ভব, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সমাধান করতে হলে বাজারের তথ্যকে স্বচ্ছ করতে হবে।

কোন পণ্য কত দামে আমদানি হচ্ছে, কত শুল্ক দেওয়া হচ্ছে, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ কত, আমদানিকারক ও পাইকার কত মুনাফা করছেন এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তা কত দামে কিনছেন, এই পুরো হিসাব একটি কার্যকর বাজার নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।

একই সঙ্গে অস্বাভাবিক মজুত, কৃত্রিম সংকট, কারসাজি ও অতিরিক্ত মুনাফার প্রমাণ পাওয়া গেলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

কারণ, বাজারে প্রতিযোগিতা থাকলে দাম নির্ধারিত হবে চাহিদা ও সরবরাহের স্বাভাবিক নিয়মে। কিন্তু কয়েকটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী যদি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে সেটি মুক্তবাজার নয়, বরং ভোক্তার ওপর এক ধরনের অর্থনৈতিক চাপ।

সাধারণ মানুষের আয় সীমিত। তাদের কাছে প্রতিটি অতিরিক্ত টাকা গুরুত্বপূর্ণ। একটি পণ্যে ৫০ টাকা, আরেকটিতে ১০০ টাকা, অন্যটিতে ২০০ বা ১০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে দিতে মাস শেষে একটি পরিবারের ব্যয়ের ওপর যে চাপ তৈরি হয়, সেটিই আজকের দ্রব্যমূল্য সংকটের বাস্তব চিত্র।

তাই প্রশ্নটি শুধু ‘দাম কেন বাড়ছে?’ নয়। প্রশ্ন হলো, ‘কারা দাম বাড়াচ্ছে, কেন বাড়াচ্ছে এবং সেই অতিরিক্ত অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে?’

জনগণ এই প্রশ্নের রাজনৈতিক স্লোগান নয়, প্রমাণভিত্তিক ও স্বচ্ছ উত্তর চায়।

আর যদি সত্যিই কোনো অসাধু সিন্ডিকেট আবার সক্রিয় হয়ে থাকে, তাহলে সেটিকে রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক প্রভাব কিংবা প্রশাসনিক দুর্বলতার আড়ালে রাখার সুযোগ দেওয়া যাবে না।

বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা এবং অসাধু মুনাফাখোরদের জবাবদিহির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুগল এ.আই. - প্রফেশনাল সার্টিফিকেট পেয়ে গেলাম

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫


বিগত কয়েক বছর ধরেই অনলাইনে কোর্সেরাতে টুকটাক কোর্স করছি, মাঝে মধ্যেই সার্টিফিকেট পাচ্ছি। তবে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স কখনো করা হয় নি। বলে রাখা ভালো কোর্সেরা ফ্রি নয়, এখানে আপনাকে পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৮



২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে প্রয়াত লেখক, গবেষক ও বাম রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরকে দেশের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ষাটের দশকে যিনি ‘সাম্প্রদায়িকতা’ নামে আস্ত একটা বই... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বেগম রোকেয়া, একজন মাদাম কুরী এবং একজন আএলিটা

লিখেছেন নাজনীন১, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০



মঙ্গল গ্রহের রাণী আএলিটা।



রাশিয়ান বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর একটি চরিত্র। ১৯২৪ সালের সাদা কালো ম্যুভিটি বানানো হয়েছে,সায়েন্সফিকশন উপন্যাসটি লিখেছিলেন এলেক্সে নিকোলেভিস টলস্টয়, ১৯২৩।


বাংলাদেশে এক সময়ে বিজ্ঞানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭
×