

খুব বেশি নয়, ১০ বছর আগের কথা। গ্রামের রাস্তার দু পাশে, ক্ষেতের আইল এবং ভিটায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকত যে গাছটি তা আজ বিলুপ্তির পথে। সরিষা, মটরশুঁটি এবং ধান ক্ষেতের পাশে খেজুর গাছ গ্রামের প্রকৃতির এক চেনা রূপ। এই রূপটি শতদুর পাড়ি দিলেও এখন আর দেখা যায়না। শীত ঋতুতে খেজুর গাছ কর্তন, গাছিরা কাঁধে নিয়ে হেলে ধুলে রসের ঠিল্লা বাজারে বইয়ে নিয়ে যাওয়া – এ যেন আমাদের সংস্কৃতির অনন্য সৌন্দর্যের দিক। শীত আসলেই এই বৃক্ষটির কদর অনেক বেড়ে যায়। কারন এই গাছটিই আমাদের শীতকালে মধুময় রস উপহার দেয়। শীতের সকালে খেজুর রস দিয়ে ফিন্নি খেতে কার না ভাল লাগে। খেজুর রস প্রোটিন-সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর এবং মুখরোচক একটি পানীয়। কিন্তু খেজুর রস এখন অনেকের নাগালের বাইরে। ৫ বছর আগেও ১ ঠিল্লা রসের দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা। আর এখন টাকা নিয়ে বসে থাকলেও অনেক সময় পাওয়া যায় না।
এই মধুবৃক্ষটির বিলুপ্তির প্রধান কারন বোধহয় রোপন স্বল্পতার কারনে। আমাদের পুর্বপুরুষগন যা রোপন করে গেছেন তাই আমারা এখন ভোগ করে যাচ্ছি। আমাদের দাদা-নানারা একটা আমের আঁটি অথবা খেজুর দানাও ফেলতেন না। অতি যত্নে তা মাটিতে পুতে রাখতেন; সেখান থেকেই হত নতুন বৃক্ষ। আর আমরা ডিজিটাল সমাজ তো রোপন দুরের কথা আম এবং খেজুর খাওয়ার পরে দানাটি অপরের গাঁয়ে নিক্ষেপ করি। ফলে যে গাছটি মারা যাচ্ছে অথবা কেটে হচ্ছে তা শূন্যতা আর পুরন হয় না। তাই এই জন্যই বলি, আগামী ১০ বছর পরে খেজুর গাছ হবে এক ঐতিহ্যের নাম।খুব বেশি নয়, ১০ বছর আগের কথা। গ্রামের রাস্তার দু পাশে, ক্ষেতের আইল এবং ভিটায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকত যে গাছটি তা আজ বিলুপ্তির পথে। সরিষা, মটরশুঁটি এবং ধান ক্ষেতের পাশে খেজুর গাছ গ্রামের প্রকৃতির এক চেনা রূপ। এই রূপটি শতদুর পাড়ি দিলেও এখন আর দেখা যায়না। শীত ঋতুতে খেজুর গাছ কর্তন, গাছিরা কাঁধে নিয়ে হেলে ধুলে রসের ঠিল্লা বাজারে বইয়ে নিয়ে যাওয়া – এ যেন আমাদের সংস্কৃতির অনন্য সৌন্দর্যের দিক। শীত আসলেই এই বৃক্ষটির কদর অনেক বেড়ে যায়। কারন এই গাছটিই আমাদের শীতকালে মধুময় রস উপহার দেয়। শীতের সকালে খেজুর রস দিয়ে ফিন্নি খেতে কার না ভাল লাগে। খেজুর রস প্রোটিন-সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর এবং মুখরোচক একটি পানীয়। কিন্তু খেজুর রস এখন অনেকের নাগালের বাইরে। ৫ বছর আগেও ১ ঠিল্লা রসের দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা। আর এখন টাকা নিয়ে বসে থাকলেও অনেক সময় পাওয়া যায় না।
এই মধুবৃক্ষটির বিলুপ্তির প্রধান কারন বোধহয় রোপন স্বল্পতার কারনে। আমাদের পুর্বপুরুষগন যা রোপন করে গেছেন তাই আমারা এখন ভোগ করে যাচ্ছি। আমাদের দাদা-নানারা একটা আমের আঁটি অথবা খেজুর দানাও ফেলতেন না। অতি যত্নে তা মাটিতে পুতে রাখতেন; সেখান থেকেই হত নতুন বৃক্ষ। আর আমরা ডিজিটাল সমাজ তো রোপন দুরের কথা আম এবং খেজুর খাওয়ার পরে দানাটি অপরের গাঁয়ে নিক্ষেপ করি। ফলে যে গাছটি মারা যাচ্ছে অথবা কেটে হচ্ছে তা শূন্যতা আর পুরন হয় না। তাই এই জন্যই বলি, আগামী ১০ বছর পরে খেজুর গাছ হবে এক ঐতিহ্যের নাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



