somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেম, প্রথম দেখাতেই.........

১২ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম দেখাতেই নাকি প্রেম হয়। কি জানি,আমার তো তা মনে হয়না। প্রেম হতে হলে অবশ্যই মনের কথা প্রকাশ করতে হয়। তা না হলে যাকে ভালবাসি সে বুঝবে কেমনে আমি তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছি। কিন্তু আমার সে সাহসটা নেই। যতই আকার ইংগিত দেক সে ,আমার মুখ দিয়ে ভালবাসি কথাটা বের হবে না।
জীবনে এই দুঃসাহসটা একবারই করেছিলাম। আশ্চর্যের কথা, সে বারই সফল হয়েছিলাম। প্রথম দিনই আমাকে ওর সাথে দেখা করতে বললো। দেখা করলাম। কিছুক্ষন তাকা তাকি হল,কিছু কথাও হল। যদি দশটা কথা হয়ে থাকে তাহলে আটটা কথাই সে বলে ছিল। মনের মাঝে কি যে সুখের ঝড় শুরু হয়েছিল তা হয়তো কোন দিন বলা যাবে না। প্রথম প্রেমের প্রথম সুখ। আহা সে কি আনন্দ! দুদিন পর আমি বলার আগেই সে বললো আমার সাথে দেখা করতে চায়। কোন জায়গায় দেখা হবে,নাম বলতে। আমি একটা জায়গার নাম বলে দিলাম। অপেক্ষার সে দিন এসে গেল। দশটায় দেখা করার কথা থাকলেও নয়টাই আমি দিলাম ঘুম। আমি আবার ঘুমের গাঁধা ছিলাম খুব। সময়ের প্রতি সতর্কতা আমার কখনো ছিল না হয়তো আসবেও না। আজও ডিউটিতে 5-10 মিনিট পরে জয়েন করি।বস বলেন, আমি তোমাদের বস হয়ে যদি 15 মিনিট আগে আসতে পারি, তোমরা কেন পারবেনা।
যাই হোক, আমার এক বন্ধু ঘুম থেকে আমাকে জাগালো। তোর ডারলিং তোর জন্য অপেক্ষা করছে আর তুই এখনো ঘুমুচ্ছিস?
তারা তারি ছুটলাম।
আমার দুই বন্ধু আমার সাথে ছিল। আমি ই রেখেছিলাম। কেমন যেন ভয় ভয় লাগছিল।প্রথম প্রেম,হয়তো তাই। আমাকে সে ইংগিত করলো আমার বন্ধদের কে যেন একটু দূরে যেতে বলি। আমি বন্ধুদেরকে বললাম তোরা এখানে বস। আমরা একটু ওদিক থেকে ঘুরে আসি। ছোট একটা গাছের নিচে ঘাসের উপর বসলাম আমরা দুজন। আশে পাশে কোন জন মানব নেই। নিরব নির্জন একটা স্থান। খুব রোমান্টিক মোড উভয়ের। চোখে চোখ রাখতে পারছিনা। চোখে চোখ রাখতে গেলেই যেন সকল লজ্জা আমাকে আকড়ে ধরছে। কিন্তু ও আমার দিকে এক নজরে তাকিয়ে রয়েছে। লজ্জাটা নারীর ভুষন হলেও তখন হয়েছিল পুরুষের অর্থাৎ আমার।
আমার বন্ধুরা আমাদেরকে কিছু চকলেট,লজেন্স আর বাদাম দিয়ে গেল। আমরা খাচ্ছি। আমরা একটু দুরে দুরেই বসেছি। কিন্তু আসতে আসতে সে আমার খুব কাছে এসে গেল। চকলেট খাচ্ছে আর দুষ্টুমি করছে। হঠাৎ সে একটা লজেন্স মুখে নিয়ে বললো, তুমি এখান থেকে আধা নাও। আমি বললাম ঠিক আছে তুমি দাতঁ দিয়ে কেটে দাও। সে বললো না তুমি আমার মুখ থেকে দাতঁ দিয়ে কেটে নিবে। আমি অবাক হয়ে গেলাম। মেয়ে বলে কি? প্রথম দেখাতেই এতো ফ্রি! আগে কারো সাথে প্রেম টেম করেনিতো! হয়তো করেছে।নয়লে প্রথম দেখাতেই এমন করবে কেন। মেয়েদের তো সাহস কম আর লজ্জা থাকে বেশি। কিন্তু এর মধ্যে তো কোনটাই দেখছি না।
সে নাছোর বান্দা। মুখ থেকে লজেন্স না নিলে আমার সাথে কথা বলবেনা আর কিছু খাবেও না। শেষে ওর মুখ থেকে লজেন্সটা হাত দিয়ে নিয়ে এলাম, আধা করে ওর মুখে পুশে দিলাম।
বাসায় এসে ভাবতে লাগলাম। আজ কি হয়ে গেল। ও মেয়ে হয়ে যা করেছে আমি ছেলে হয়ে তা পারবো না। হয়তো পারবো পুরনো হলে, কিন্তু ও তো পুরনো না। আজই আমাদের প্রথম দেখা।
মুনি্নকে দেখেছি মাহফুজের সাথে কথা বলে ( নিরাপদ ) দূরত্ব বজায় রেখে। মুনি্ন আমার বন্ধু। আমার সাথে সে যেভাবে কথা বলে মাহফুজের সাথেও সে ভাবে কথা বলে। মুনি্ন আমাকে প্রথমে বলেনি সে কাউকে ভালবাসে। হঠাৎ একদিন মাহফুজের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল। আমি সেদিনই মাহফুজকে জিঙ্গাসা করেছিলাম,মুনি্নর সাথে আমার সম্পর্কটা তুমি কি জানো? সে বললো হ্যা জানি। মুনি্নর যেমন ছেলে বন্ধু তুমি, তেমনি আমারও তো মেয়ে বন্ধু আছে।
ওহ হো আসল বিষয় ছেরে অন্য বিষয়ে চলে এসেছি। কি আর বলবো ঘটনাতো ওখানেই শেষ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

রোজা ও আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান; কিছু কথা, কিছু অনুভূতি

ছবি সংগৃহিত।

অংশ ১: ভূমিকা এবং রোজার মূল উদ্দেশ্য

ইসলাম কোনো আংশিক বা বিচ্ছিন্ন জীবনদর্শন নয়। বরং এটি মানবজীবনের প্রতিটি স্তরের জন্য একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের বিজয় খুব দরকার ...

লিখেছেন অপলক , ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৪



বিগত সরকারগুলো যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি করে গেছে, তা পুষিয়ে নিতে ১০টা বছর যোগ্য এবং শিক্ষিত শ্রেনীর হাতে সরকার ব্যবস্থা থাকা খুব জরুরী। গোমূর্খ চাঁদাবাজ আর নারী লিপ্সুদের ভীড়ে জামায়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন পলিটিক্স পছন্দ করি না সেটা বলি।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৩

আমি পলিটিক্স এবং পলিটিশিয়ান পছন্দ পারি না। কোন দলের প্রতিই আমার আলগা মোহ কাজ করেনা। "দলকানা" "দলদাস" ইত্যাদি গুণাবলী তাই আমার খুবই চোখে লাগে।

কেন পলিটিক্স পছন্দ করি না সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভোট ডাকাতদের বয়কট করুন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৩


আহা, বাংলাদেশের রাজনীতি যেন একটা অদ্ভুত সার্কাস, যেখানে ক্লাউনরা নিজেদেরকে জান্নাতের টিকিটের এক্সক্লুসিভ ডিলার বলে দাবি করে, কিন্তু পকেট ভরে টাকা নিয়ে ভোটের বাজারে ডাকাতি চালায়। জামায়াতে ইসলামীর মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×