আপনাদের ভিলাতে কে যেন ফাঁসি নিয়েছে। আমি বললাম কে সে?
ইসহাক নাম।
আমি চুপ হয়ে গেলাম। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না ইসহাক ফাঁসি নিয়েছে। খুব শান্ত ছিল। নতুন বিয়ে করে এসেছে। ছুটিতে গিয়ে বিয়ে করেছিল। এইতো ছুটি থেকে এল চার মাস হল।
ফাঁসির কারণ কিছুই জানা যায় নি। মরার সময় তার পকেটে কোন কাগজ পত্র ছিল না।
ওর দুই ভাই এখানে অর্থাৎ রিয়াদেই কাজ করে। লাশ পুলিশ নিয়ে গেছে বিকাল ৫টায়। ওর দুই ভাই এসেছে রাত বারটায়। এ এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য!
বউয়ের সাথে কথা কাটা কাটিতে রাগ হয়ে ইসহাক ফাঁসি নিয়েছে। সম্ভবত দুপুর দুইটার দিকে সে এ কাজটা করেছে। সে সময় আমরা সবাই ডিউটিতে থাকায় কেই দেখিনি তাকে ফাঁসি নেওয়ার সময়।
ফাঁসির চিত্রটি আমি ধারণ করেছি মোবাইল কেমেরা দিয়ে। খুবই নির্মম তাই ব্লগে দিলাম না। একটি সেন্সর করে আপলোড করবো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


