somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

'ভার্জিনিটি কনসেপ্ট ' কতটা ভালো বা খারাপ?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সবাইতো সুখী হতে চায়। সুখী হত চায় না এমন মানুষ খুব বিরল। বিয়ে করতে চায় না বা বিয়ে করে না, এমন মানুষও আছে তবে তারা নগণ্য। প্রায় সব মানুষই একটা বয়সে বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। আর যারা বিয়ে করতে চায়, তারা আবার সংসার জীবনে সুখীও হতে চায়। মানুষ সুখী হতে চায়, বিয়ে করতে চায়, সুখী সংসার জীবন করতে চায়।

জীবনে সুখী হওয়ার ক্ষেত্রে তাই দেখা যায়, বিয়ে একটি বড় বাহন। মানুষ যাকে বিয়ে করতে চায়,তার সাথেই জীবনের বাকি জিন্দেগি কাটিয়ে দিতে চায়। এই সাধারণ ইচ্ছেটি বেশির ভাগ মানুষের পূরণ হয়, কারো কারো সেই সৌভাগ্যটি ধরা দেয় না।  

মানুষ সুখ চায় এবং সংসার জীবনেও সুখ চায়। আশ্চর্যের বিষয় হলো একজন বহুগামী পুরুষ বা নারী সেও  সংসার জীবনে সুখ চায়!একজন বহুগামী মানুষও সুখী সংসার জীবন চায়। কিন্তু সংসারের সুখটা অনেক কিছু না থাকলেও পাওয়া যায় তা হলো বিশ্বস্ততা। হাজার কিছু থাকলেও সুখ আসবে না যদি সঙ্গী বা সঙ্গিনী বিশ্বস্ত না হয়। সংসার জীবনে একজন অবিশ্বস্ত মানুষের চেয়ে বড় প্রতারক আর কেউ হতে পারে না। এই প্রতারক শুধু নিজেই অসুখী হয় না, অসুখী অন্যকেও করে। একজন অবিশ্বস্ত মানুষের সুখ পাওয়ার কোন অধিকার নেই এবং আসলেই সে পায় না কখনো, পেয়ে গেলেও প্রকৃতি কেড়ে নিয়ে নিবে।

তাহলে সুখটা কি একটু কঠিন হয়ে গেল নাকি আমরা কঠিন করে ফেললাম! যখন কোন ছবি দেখি ৭০ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটানো কোন দম্পতির, তখন লক্ষ লক্ষ অভিনন্দন আর লাইক পরে! কেন ? কেন আমরা এই দম্পতিদের অভিনন্দন জানাই ? আমাদের ভালো লাগে, আমরাও আমাদের জীবনে এমনটি চাই। একসাথে পথচলাকে আমরা পছন্দ করি, ভালোবাসি, মনের গহীনে আমরাও চাই।

তো আপনাকে বাঁধা দিয়েছে কে এমন সৌভাগ্যময় দাম্পত্য জীবন তৈরিতে ? বাঁধাগুলো মানুষ নিজেই তৈরি করে, কিছু তৈরি করে আসে বিয়ের আগেই এবং কিছু তৈরি করে বিয়ের পরে। এই যে দীর্ঘ সুখী জীবন, তার রহস্য কী? বিশ্বস্ততা। প্রতারণাহীন এক দীর্ঘ বসবাসের নাম সুখী সংসার জীবন।

ভার্জিনিটি আসলে কিসের প্রতীক? এটি শুদ্ধতার প্রতীক। প্রকৃতির এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা! এটি আমাদের দিয়ে দেয়া হয়। না চাইলেও এই অসাধারণ প্রতীকটি আপনার সাথে আছে, নাক , কান, চোখের মতই। প্রকৃতি শুদ্ধতা পছন্দ করে , তাই সেই শুদ্ধতা মানুষের মাঝেও যেন থাকে, তাই এই ব্যবস্থা।  

এক জোড়া সুখী দম্পতির কথা ভাবুনতো , এই জীবন যারা শুদ্ধ জীবন যাপন করেছে, কখনোই প্রতারণা করে নাই বা অবিশ্বাসী হয় নাই – আর এমন দম্পতি আছে অসংখ্য। যারা এই অসংখ্য দলের নন, তারাই অসুখী। যারা নিজের জীবনকে কলুষিত করেছেন – তাদের জীবন আর এই দম্পতিদের জীবনের তুলনাতো কখনোই হবে না। শুদ্ধ জীবনের স্বর্গীয় আনন্দ তাদের দোরগোড়ায় আসার কোন প্রশ্নই নেই। দৈবাত পেলেও এরা তা হারাবেন।

ভার্জিন থাকতে হবে কেন ? একটা শ্রেণি এই প্রশ্নটা করে (তারা আসলে বলতে চায়, শরীর আমার , আমি কয়জনের সাথ বেডে গেলাম তাতে কার কী! , ওকে অসুবিধা নাই, কিন্তু তুমি একটু বয়স হলে প্রচুর ইনজয় করার পরে আবার সুখী সংসার চেয়ে বসো না যেন!)। এর উত্তর হলো, আমি শুদ্ধ মানুষ , আমাকে ভার্জিন থাকতে হবে। আমি সংসারে সুখী থাকতে চাই, তাই ভার্জিন থাকতে হবে।

পাল্টা প্রশ্ন : ভার্জিন থাকলে তোমার সমস্যা কী? ক্ষতিটা কী? ভার্জিন ছেলে বা মেয়ে হলেই সে ক্ষ্যাত? নাকি তুমি লেজকাটা শেয়াল? ভার্জিন থাকার যে সুখ, যে আত্মবিশ্বাস, যে আত্মমর্যাদা সারাক্ষণ তোমার সাথে থাকে, তা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবা কেন? একটা ভার্জিন ছেলে বা মেয়ের সাথে ননভার্জিন ছেলেমেয়ের তুলনায় সাহস আর আত্মমর্যাদায় তফাত থাকে স্বর্গ নরকের।

যাদের বিয়ের পূর্বে যৌনতার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের সংসার জীবন নিয়ে একটা গবেষণায় আমি সামান্য কয়েকদিনের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। বিয়ের সময় এলে এদের একটা আতংকে পেয়ে বসে – আতংকটা কী? বিয়ে টিকবে তো ? তখন এদের কেউ কেউ নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করে , কেউ কেউ ধরেই নেয় যদি বিয়ে ভেঙে যায়, তার পরবর্তী পরিকল্পনাটাও এরা রাখে মনে মনে । এছাড়া এরা এমন ছেলে বিয়ের জন্য পছন্দ করে , যাতে সংসার ভাঙার সম্ভাবনাটা যতটা সম্ভব কম থাকে। এখনকার পিতামাতার পক্ষে তাদের সন্তানদের প্রতি আস্থা অনেক কম, বিয়ের সময় কাবিনের বড় অংকের টাকাটা নিয়ে যে একটা বড় বাদানুবাদ হয়, তার বহুবিধ কারণের মধ্যে একটি হলো ছেলেমেয়ের বিয়ের আগের ঘটনার কারণে যেন সংসার ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।

এ নিয়ে ছোট একটা গণ্প আছে। এক বিড়ালের ইচ্ছে হলো সুন্দরী এক রমণী হওয়ার এবং বিয়ে করে মানুষের মতো সুখী জীবন যাপন করার। তো , স্রস্টা তার মনের বাসনা পুরণ করলেন। ঝামেলা হলো বাসর রাতে! হঠ্যাত করে কনে বিছানা ছেড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাসর ঘরে একটা ইদুরের পিছনে ছুটে বেড়াতে থাকলো । বাসর ঘরে বর খুব অবাক, বরের সাথে কথা নাই বার্তা নেই , বউ ছুটছে ইদুরের পিছনে পিছনে। তার মানে বিড়াল মানুষ হলেও তার স্বভাব বিড়ালের মতোই রয়ে গেছে। বহুগামীতা ঠিক এমন, বিয়ের পর কেউ যদি মনে করে স্বভাব ভালো হয়ে যাবে, তবে বিপদ আছে। ওই ছেলে বা মেয়ে সুযোগ পেলেই আবারও বহুগামীতায় জড়াবেই জড়াবে। অবিশ্বস্ত নারী বা পুরুষের আমৃত্যু বহুগামীতার অন্তর্দহনে জ্বলবেই।

ভার্জিনিটি আমাকে দেয়া হয়েছে, সময়ের আগে আমি তা হারাতে যাবো কোন দুঃখে, আমারে কী ভুতে পাইছে? বেশি সমস্যা হলে বিয়ে করে ফেলো। ধারনা কোনটি  ভুল? ভার্জিনিটি কনসেপ্ট ঠিকই আছে , কিন্তু কথা হলো, পড়াশুনা অবস্থায় বিয়ে করা যাবে না, এইটা হলো ফালতু কনসেপ্ট। বুয়েটে পড়ার সময় দেখেছি যারা (অনেক ছেলে এবং মেয়ে) ছাএ অবস্থায় বিয়ে করেছে তারা জীবনে সবার আগে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তাদের রেজাল্টও ছিলো সেই রকম! ফাটাফাটি।

আপনি একজন ভার্জিন ছেলে বা মেয়ে, আপনার আত্মবিশ্বাস আর গর্ব থাকবে আকাশচুম্বী। অনাবিল প্রশান্তি নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিবেন এই কারণে যে একটা গর্বিত শুদ্ধ জীবন আপনি যাপন করেছেন, সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে একবারও প্রতারিত করেন নি, একবারের জন্যও ঠকাননি - তাহলে স্বর্গ কিন্তু আপনি এই মর্তেই কাটিয়ে গেলেন!

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সামাজিক পুঁজি হলো পরিবার। সুস্থ সুখী পরিবার সুস্থ সমাজ, দেশ তৈরি করে। যেখানে পরিবার প্রথা ভেঙে গেছে আর বহুগামীতায় নিমজ্জিত হয়েছে, তাদের জন্য বিপদ আসছে। যেমন জাপান – দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি গর্ভপাতের দেশ। অপসংস্কৃতি জাপানের হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। জাপানী মেয়েরা বাচ্চা নিতে চায় না। এর ফলাফলা দেখতে খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয় না।

টিকে থাকুক ভার্জিনিটি কনসেপ্ট, টিকে থাকুক শুদ্ধ পরিবার। অবিবাহিত ভার্জিন ছেলেমেয়েদের জন্য শুভ কামনা থাকলো। শুদ্ধ জীবনের সুখটা হাতছাড়া করবেন না – লেজকাটা শিয়ালদের উস্কানিতে!

আপনার কাছের এই সব লেজ কাটা শেয়ালরা বলবে, “ আরে ক্ষ্যাত, তুই আছোস এখনো মান্ধাতা আমলের ভার্জিনিটি কনসেপ্ট নিয়া, যারা বিয়া  করবি সে তোর মতো হবে গ্যারান্টি কী? না, গ্যারান্টি আপনি হয়তো পাবেন না। সেই গ্যারান্টি না থাকলেও কি আপনি লেজকাটা শেয়ালদের দলভুক্ত হবেন? তাদের দলভুক্ত না হলে কিন্তু একটা গ্যারান্টি পাবেন – সুখটা কিন্তু এখনো আপনার কাছে আছে, কারণ আপনি কাউক প্রতারণা করেন নি, হতে পারেন আপনি প্রতারিত। আপনাকে কেউ প্রতারিত করলে, আপনাকেও কারো কাছে ভার্জিনিটি বিসর্জন দিতে হবে, কে বলেছে ? নিশ্চয়, লেজকাটা শেয়ালরা!

এক জীবনে আপনি কাউকে ঠকাননি, কাউকে প্রতারণা করেননি – এই সুখটাই যে শ্রেষ্ঠ সুখ তা একটু বয়স হলেই বুঝবেন। একটু বয়স হলে বুঝবেন আপনার ক্যারিয়ার , আপনার পজিশন, আপনার অর্থ সব অর্থহীন হবে যদি শুদ্ধ জীবনের নাগাল আপনি না পান। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়েও অনেকে সব বিসর্জন দেয়। একটু বয়স হলেও টের পায় কতটা মিথ্যা মেকি সেই ক্যারিয়ার যা গড়তে জীবনে কালিমা লেপন করতে হয়েছে (যা হয়তো শুধু আপনিই জানেন), যা আমৃত্যু আপনাকে তাড়িত করবে, আপনার ঘুম কেড়ে নিবে। দেখবেন মধ্য বয়সে অনেক নর নারীকে সেই অতীত প্রতারণা কীভাবে তাড়াতে তাড়াতে তাদের ঘুম হারাম করে দেয়।

এই ভার্জিনিটি মানে শুধু একবারের জন্য নয়।বার্তাটা হলো সারা জীবনই আপনাকে শুদ্ধ থাকতে হবে। একটা প্রতারণাহীন জীবনের যে আনন্দ, ভার্জিনিটি কনসেপ্ট আপনাকে সেই আনন্দের রাজ্যে নিয়ে যেতে চায়।

ভার্জিন থাকুন দেহে, ভার্জিন থাকনু মনে। সারা জীবন এক শুদ্ধ জীবনের আনন্দ ভুবনের দরজা খুলে রাখুন । যদি বিশ্বস্ত থাকেন তবেই তার দরজা খুলবে। চাবিটা বনে জঙ্গলে ফেলে দিবেন না। একবার ফেলে দিলে আর পাবেন না।
১৩টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×