somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যুতের দর কম / বেশী প্রসংগে

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমানে বেশীর ভাগ সময় শোনা যাচ্ছে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে নানা কথা নানা সমালোচনা কিন্তু কীজন্য দাম বাড়ে বা কমে তার আলোচনাও হওয়াও দরকার নইলে একতরফা হয়ে যায় কথাগুলি মনে হয় । যেমন এক ইউনিট বিদ্যুৎ তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয় বা হওয়ার কথা কিংবা বিদ্যুৎ বিভাগ কতো লাভ করছে তারও খতিয়ান যানা দরকার নইলে শুধু সমালোচনাই চলতে থাকবে তাতে আমদের মদ্ধে বিভ্রান্তই চলতে থাকবে । সেদিন এক ছোট বিদ্যুৎ ব্যাবহারকারিকে জিজ্ঞাসা করলাম যে আপনার মাসে কতো বিল আসে সে বললও যে তার মাসে ১৫০ /২০০ টাকা । কি কি ব্যাবহার করেন তার উত্তরে বললও সে ২ টি বাল্ব , একটি ফ্যান ও ২ /১ টি মোবাইল এবং একটি টেলিভিশন চলে তাহলে হিসাব করতে বলা হলও তাকে যে আপনি যদি আগের মতো কেরোসিনের বাতি জালাতেন তাহলে আপনার কতো লাগতো সে তখন হিসাব করে বললও তাও ৫০০ / ৬০০ টাকা লাগতো তাতে এই সুবিধা পাওয়া যেতনা তাই এই মূল্য বৃদ্ধি বেশী নয় আবার জেনারেটর ব্যাবহারকারিকে জিজ্ঞাসা করলাম তার উত্তর ছিলো যে ঐ জিনিষগুলি ব্যাবহারকরে তাতে মাসে লাগবে প্রায় ৭০০ /৮০০ টাকা তাহলে দেখা যায় এখনো বিদ্যুৎ এর দর কম আছে । আবার বিদ্যুৎ যখন ফুল টাইম থাকবে তখন আরও বেশী বিল দিতে হতে পারে কারন তখন বিদ্যুৎ বেশী ব্যাবহার হবে । আবার মানুষের এখন আয়ও দিন দিন বাড়ছে তাছাড়া পৃথিবী ব্যাপী সকল জিনিষের মূল্য দিন দিন বাড়ছে সেখানে বিদ্যুতের দাম কমবে তা আশা করা কি ঠিক ? তাছাড়া এখন প্রায় বাড়িতেই নানা ইলেকট্রিক সরমজাদি আমরা ব্যাবহার করছি সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনেরও বেশী বেশী প্রওজন পড়ছে । সুতারাং বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ , সঞ্চালন খরচ , রক্ষানাবেক্ষন খরচ , লোকবল খরচ সহ নানা খরচেরও হিসাব মাথায় রাখতে হবে নতুবা একতরফা কথা বললে হবেনা । এখন মোবাইলও নিত্য দরকারি জিনিষ কিন্তু তার দর নিয়ে আমরা মাথা কম ঘামাচ্ছি বলে মনে হয় অথচ শুনেছি তাদের ব্যাবসায় প্রচুর লাভ । আবার এউ বলা যায় যে সরকার বিদ্যুতের দর যদি ভুরতুকি দিয়ে কমালেও যে আমাদের দেশের ব্যাবসায়িরা অন্যান্য জিনিষের দাম কমাবে এর নিচ্চয়তা মনে হয় আশা করা যায়না ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:০৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×