somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেমটি ভেঙে গেলো

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছেলেটি প্রেম করে বিয়ে করেছিলো ৮ /১০ বসর আগে । বিয়ে যখন করে তখন ছেলেটি সবেমাত্র ডিপ্লোমা সিভিল পাশ করেছে । মেয়েটি তখন এইস এস সি পড়ে । ছেলেটির বাবা ছোট বেলাতেই মারা গেছে তারা ২ ভাই , মা সরকারী চাকুরী করে এবং মা তাদের মানুষ করেছে । ছেলেটি মেয়েটির সাথে প্রেম করে পছন্দ করে মায়ের অনুমিতি নিয়েই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়েটি সম্পাদিত হয় । তবে মা তখন শুধু বলেছিলও একটা চাকুরী পাবার পর বিয়ে করাই ভালো কারন বেকার অবস্থায় বিয়ে করলে সমস্যা হতে পারে তাছাড়া আমি যে বেতন পাই তা দিয়ে তো সব খরচ বহন করার সামর্থ্য হবে না । তারপরও বিয়ে হয়ে যায় ওরা তখন বেকার তবুও ভালই চলছিলো ওদের । কখনো শ্বশুর বাড়ী কখনো মার বাড়ী ঘুরে ঘুরে আর হাত খরচের টাকা মার তহবিল থেকে । কিছুদিন পর ছেলেটি ঢাকা শহরে একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকুরী পেয়ে গেলো । ততদিনে বউটি এইস এস সি পাশ করে গেছে । ছেলের বাবা উপজেলা শহরে একটি সেমি পাকা বাড়ী রেখে গেছে কিন্তু তারা অন্য এক জেলা শহরে মার কর্মস্থলের বাসায় । তাই ঐ বাড়ীটি ভাড়া দিয়েছে তার থেকেও কিছু আয় আসে । এরই মধ্যে বউটিকে কৃষি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি করে দেয় ছেলেটির মা । তারপর বউটি কৃষি ডিপ্লোমা পাসও করে যায় ইতিমধ্যে বউটির একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানও জন্ম গ্রহণ করেছে তাদের , নাম তার ফেঞ্ছি মেয়েটি এখন পড়ে কেজি স্কুলে । ছেলেটি এখন ঐ চাকুরী ছেড়ে দিয়ে আর একটি চাকুরীতে যোগদান করেছে ভালো বেতনে আর এদিকে বউটিরও একটি সরকারী চাকুরী হয়ে গেছে । এখন তারা নুতন বাসা নিয়েছে জেলা শহরে । তাদের সংসারে স্বামী / স্ত্রী এবং কন্যাটি মাত্র । ছোট ভাইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে মায়ের অর্থায়নে । থাকে তারা আলাদা বাসায় । ছেলেটি মাঝে মাঝে বউয়ের বাসায় ঢাকা থেকে আসে ২/ ১ দিন থেকে আবার চলে যায় । এমনিভাবে ভালোই চলছিলো দু জনের সংসার । কেন জানি হটাত দুজনের মধ্যে একটু অমিল লক্ষ করা গেলো একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে শুরু করলো তাতে মা প্রথম দিকে গুরুত্ব না দিলেও এখন দিতে গিয়ে দেখে তাদের মধ্যে অনেকদূর দূরত্ব হয়ে গেছে । মা বসলো তাদের নিয়ে তারা শুধু একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলো । অভিযোগ হোলও বউটি বলছে প্রতি মাসে যে টাকা দেয় তাতে কম পড়ে আর ছেলেটি বলছে যে টাকা তাদের মায়ে বীটীর লাগে তাই দেওয়া হয় তাছাড়া সেও বেতন পায় তাহলে এতো টাকা কিসের দরকার তাছাড়া আমিও প্রতি মাসে আসি এবং বাজার করে যাই তারপরও কেনও টাকার অভিযোগ । মা এসব শুনে বললও আসল কথা কি তাই বল তোরা এসব কোনো কারন হতে পারেনা সংসারের জন্য । কেউই কোনো সঠিক কথা বললও না । বিষয়টি নিয়ে মা চিন্তায় পড়ে গেল তারপর মা চেষ্টা করে যাচ্ছে আসল কারন উদ্ধার করার জন্য শেষ পযন্থ মা পেরেছে যে দুজন দুজনকেই আর পছন্দ করতে পারছেনা এবং কেউই আর একে অপরের সাথে সংসার করতে চাচ্ছেনা আর মার এই কথা শুনে মাথায় হাত । মা বলছে আমার সারা জীবনের সকল কষ্টের উপার্জন দিয়ে বাপ মরা তোদের মানুষ করলাম , বিয়ে দিলাম , চাকুরী দিলাম আর নুতন শুন্দর সংসার দিলাম । আর তোরা এখন পুতুল খেলার মতো সংসার ভেঙ্গে দিচ্ছিস । তোদের নেই কোনো ঝামেলা , নেই কোনো দায়িত্ব । দুঃখের সময় ভালো থাকলি আর এখন সুখের সময় তোদের সংসার শুখের কেন হবেনা । এবার ছেলেটি ঈদ করেছে মার বাসায় আর বউটি ঈদ করেছে মেয়ে সহ তার মার বাড়ীতে । অবশ্য ছেলে তার বউ এবং মেয়ের জন্য ইদ খরচও পাঠিয়েছে । বিষয়টি নিয়ে সবাই চিন্তিত এবং মুল সমস্যা খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা । শেষ পযন্থ ২ / ১ দিনের মধ্যেই উভয় পক্ষের লোক নিয়ে ডিভোর্চ হতে যাচ্ছে বলে মনে হয় ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:২৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×