সারা, নিরব ও রিমি।
সারা :- খুবই ধনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। বলতে গেলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মছে। গাড়ি বাড়ি ব্যাং ব্যালেন্স মোটামুটি সবই আছে তার।
নিরব :- মোটামুটি উচ্চমধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। গাড়ি বাড়ি না থাকলেও অনেকটাই স্বচ্ছল। অনেক স্মার্ট।
রিমি :- মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে। আমরা মধ্যবিত্ত দের ধারনাটা সব্বাই জানি। সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।
নিরব সারাকে ফোন দিল। দোস্ত কই তুই।তোর সাথে কিছু কথা ছিল।
সারা:- এইতো দোস্ত কোথায় আসতে হবে।
নিরব :- ভার্সিটি আয়
সারা :- আচ্ছা।
সারা গাড়ি থেকে নেমে সোজা ক্যান্টিনে। নিরব আগে থেকেই ক্যান্টিন এ বসে ছিল। সারকে দেখে নিরব উঠে দাড়ায়। নিরব এর হাতে এক গুচ্ছ লাল গোলাপ। সারা গোলাপ খুব পছন্দ করে। সারাকে গোলাপ গুলো দিল নিরব। সারাও হাসি মুখে নিল। একটুপর নিরব সারাকে বলল
নিরব :- দোস্ত তোকে আমার খুব ভাল লাগে। আমি তোকে ভালবেসে ফেলেছি।
সারা :- আর ইউ কিডিং মি?
নিরব :- রিয়েলি দোস্ত। আই লাভ ইউ।
সারা :- হোয়াট আর ইউ মেড? কখনও নিজের অবস্থান দেখেছো? তাছারা আমি তো জানি তুমি আর তোমার ফ্যামিলি কি রকম এর! তাছারা তুমি আমাকে নিতে পারবে না!
নিরব :- সারা পারবো কেন পারবো না?
সারা :- ওহ শিট। যাস্ট গেট লস্ট।
সারা নিরবকে ডাম্প করে চলে গেল। নিরব এর মনটা খারাপ। নিরব তার ফ্রেন্ডদের কাছে চলে গেল। বন্ধুরা তার মন খারাপ কেন জিজ্ঞাসা করাতে সে বলল সারা তাকে ডাম্প করেছে। সারার সাথে নাকি তার লেভেল এ মিলে না।
তখন একক বন্ধু বলল :- দোস্ত আমরা যার যার অবস্থান থেকে ভাল টাকেই চাই।অন্যর ভালোকে প্রশ্রয় দেই না!!!!
ঠিক ৬ মাস পূর্বেকার ঘটনা
রিমি নিরব কে ফোন দেয় এবং ক্যান্টিনে আসে নিরব। রিমি নিরবকে বলে দোস্ত তোকে আমি অনেক আগে থেকেই ভালবাসি বাট তুই ব্যাপারটা কিভাবে নিবি তাই বলা হয়নি। দেখ দোস্ত রিয়েলি আমি তোকে ভালবাসি। থাক এখন তোকে কিছু বলতে হবে না। তুই সময় নিয়ে ভেবে আমাকে বলিস। নিরব কোন কথা না বলে উঠে চলে যায়। একটু পর বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বলেই ফেলে যে রিমি তাকে প্রোপসড করছে।বলেই একটা হাসি দেয়। আবার বলে তোরা দেখছিস ওর গেটআপ চলাফেরা। ওর সাথে কি আমার যায় বল। আজিব।
মোরাল অফ দ্যা স্টোরি টা কি বলা লাগবে? প্রয়জন নেই। আমরা একটু হলেও এইসব বিষয় নিয়ে একটু একটু বুঝি! । শুধু একটি কথাই বলি
(তুমি নও তোমাকে যে ভালবাসে তাকেই ভালবাস। তবেই তুমি ভালবাসার অনুভূতি উপলদ্ধি করতে পারবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
