somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জলে ভাসা পদ্ম জীবন

০১ লা আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের প্রেম ছিলো নাকি ভালোবাসা? ভালোবাসা নাকি প্রেম? নাকি শুধুই বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব মানে এক্কেবারেই মহা বন্ধুত্ব। হ্যাঁ তাই হবে। নয়তো কি? হয়ত আমরাই ছিলাম এই জগতের দুজনের জন্য দুজন সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধু বা বেস্ট ফ্রেন্ড। আসলে আমরা আমাদের জন্য কি ছিলাম আজ মনে হয় সেই বিষয়টা নিয়ে ভাবতে গেলে গবেষনার প্রয়োজন হবে। কারন এত বছর পরেও দু'জনের জন্য দু'জনের এই উথলে ওঠা আবেগ দেখে নিজেরাই বিস্মিত হই, হাসি আবার মাঝে মাঝে খুব কাঁদিও। সেই কান্না আসলে আমাদের বিসর্জনের ব্যথা। তাই বলে কি প্রাপ্তিটাই কম। মোটেও না। তবুও মনে হয় এ যেনো গো কিছু নয়। কেনো আরও ভালোবেসে যেতে পারে না হৃদয়।

হ্যাঁ আজ থেকে বহু বছর আগে যে মহাকাব্যের সূচনা হয়েছিলো সেই মহাকাব্য বিসর্জনও দিতে হয়েছিলো একদিন আবার। এই বিসর্জন দিতে বাধ্য হয়েছিলাম আমি কিংবা আমরা। এই বিশেষ উদ্যোগটা আসলে আমাকেই নিতে হয়েছিলো কারণ তুমি তা পারতে না। তাই আমাকেই নিতে হলো। আর তারপর হারিয়ে যেতে হল এই চেনা পৃথিবীর অচেনা ঘেরাটোপের আড়ালে। তুমি যেন কোথাও আমাকে আর কখনও না খুঁজে পাও তারজন্য আপ্রান চেষ্টাও ছিলো আমার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হতে হলো আমাকেই তোমার এই অপ্রতিরোধ্য ভালোবাসার কাছে। হ্যাঁ হেরে গেলাম আমি। আবারও হেরে গেলাম। কিন্তু তোমার কাছে হারে আমার কোনো লজ্জা নেই। লজ্জা নেই, ইগো নেই, নেই কোনো হার-জিতের কষ্ট। কষ্ট শুধু তোমাকে আমার আর একটাবার দেখতে বড় ইচ্ছে্ করে। মনে মনে কবিতা লিখি আমি মহাদেব সাহার মত, নির্মলেন্দু গুণের মত কিংবা আমাদের তাসলিমা নাসরিন এত এত নেগেটিভ ইম্প্রেশানের পরেও যার লেখা রুদ্রের জন্য চিঠিকে কেউ মিথ্যা করে দিতে পারবেনা ঠিক তেমনটাই লিখে ফেলি আমিও।

তোমাকে আরেকটাবার দেখবো বলে
আমার বুকের ভেতরে উত্তাল সমুদ্র তোলপাড় করে
ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাই আমি
যেমন ভেঙ্গে খান খান হয়
অতি যত্নে তুলে রাখা মূল্যবান পোরসেলিন গ্লাস।

তোমাকে শুনালাম সেদিন। তুমি বললে বাব্বা হাই ভোল্টেজ। এমন রাগ লাগলো আমার। পরক্ষনেই হেসে ফেললাম আমি। হ্যাঁ আজীবন তুমি এমনই ছিলে আছো আর হয়ত থাকবেও। আমাকে হাসাবে আবার কাঁদাবেও। শুধু তোমাকে আর আমার চোখের সামনে দেখা হবেনা হয়ত, আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় তোমার দুটি হাত। সেই ভীষন প্রিয় তোমার হাত দুটোর মাঝে মুখটা রাখা হবে না বা তোমাকেও আর কখনও অনেক ভালোবাসায় জড়িয়ে ধরাও হবে না আমার। কিন্তু জানো সত্যিই তোমাকে আমার খুব খুব দেখতে ইচ্ছা করে, শুধু একটাবার । অভিমানে তুমি বলো, না আমাকে দেখতে হবে না তোমার। আমাকে ফেলে চলে গিয়েছিলে তার শাস্তি এটাই। আর কখনও দেখবে না আমাকে তুমি। আমি থমকাই। অবাক হই। মনে মনে ভাবি। কি আশ্চর্য্য আমাকেও কি দেখতে ইচ্ছে করে না তোমার? নাকি তুমি ভয় পাচ্ছো এখন এই সমাজ সংসার আর তোমার আশেপাশে জন্মে যাওয়া সকল আগাছাদেরকে। হ্যাঁ আগাছাই তো। এই পৃথিবীতে একমাত্র তুমি আর আমি মহিরুহ আর বাকি সবাই আগাছাই। সে তুমিও জানো আমিও জানি।

ইদানিং আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে অথবা গেছে। সে আমি নিজেই বুঝি। জীবনের এই এত শত কর্মকান্ডের মাঝে পথ চলতে গিয়েও মাঝে মাঝে পাগল পাগল লাগে আমার। আমি তোমাকে জ্বালিয়ে মারি। বার বার বলি তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করে। বার বার প্রশ্ন করি আমি তোমাকে কবে দেখবো বলো? বলো? বলো? শুধু আর একটাবার তোমাকে দেখতে চাই আমি তারপর আবার হারিয়ে যাবো। আর কোনোদিন আসবোনা প্রমিজ। আমার এই কথা শুনে আসলেই তোমার ভীষন রাগ লাগে। বুঝতে পারি আমি। তুমি রাগে দাঁত কিড়মিড় করে বলো,
- হারিয়ে যাবি? দাঁড়া দেখাচ্ছি তোর হারিয়ে যাওয়া। সমুদ্রের তলায়, আকাশের উপরে, পাতালের নীচে লুকালেও তোকে ধরে নিয়ে আসবো ঠিক ঠিক। একবার মাফ করছি। কিন্তু এইবার তোর মাফ নাই আর।
আমি হাসতে হাসতে মরে যাই। বলি কেনো? কি করবা?
- তুলে আছাড় দেবো।
আমার এমন হাসি পায়। পরক্ষনেই কষ্টে বুকটা ভেঙ্গে যায় আমার। তুমি বলো,
- এইবার যদি হারিয়ে যাস। আমি মরেই যাবো।
আমি মরেই যাই এই কথা শুনে আমার সত্যিই মরে যেতে ইচ্ছে করে আজকাল। তুমি বলো,
- কি করে পারলে নীলা? আমার সাথে এমন করতে? আমাকে ছেড়ে যেতে!
আমার দীর্ঘশ্বাস পড়ে।আমি মনে মনে গাই- যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা তোমায় জানাতাম।আমি আবারও জানতে চাই,
- তাহলে কি আমাদের কখনই আর দেখা হবে না? সত্যি করে বলো তো? তুমি মনে হয় আমার পাল্লায় পড়েই শেষমেষ বলো,
- হবে।
-হবে?
-হুম
- কবে?
-সবুর
-ঐ কিসের সবুর?
-ওয়েট করো। হবে?
-কবে হবে সেইটা বলো?
আমি অধির হয়ে উঠি। তুমি নির্লিপ্তে ভালোমানুষী ভঙ্গিতে বলো,
- বোট ক্লাবে যাই চল। পরীমনির মত। ধরা খাবি তারপর।
আমার রাগে গা জ্বলে যায়। ইচ্ছা করে গলা টিপে দেই শয়তানটার। আমার চুপ থাকা দেখে বুঝি তোমার দয়া হয়। তুমি বলো আচ্ছা যা বোট ক্লাব না রেইনট্রিতে যাবো।
- রেইনট্রি! ঐ ক্লাবে না স্যরি ঐ হোটেলেই না আপন জ্যুয়েলার্সের ছেলেটা.... তুমি হাসতে থাকো। বলো
- তাহলে তুই বল কোথায় যাবি। সবখানেই তো ধরা খাবি গাধা। তখন তোর কি হবে? ভেবেছিস?
আমার মন খারাপ হয়ে যায়। হ্যাঁ যেদিন ভেসে গেছে সেখানে আর ফিরে যাওয়া যায় না। তুমি আবার আমাকে হাসাতেই বলো,
- আচ্ছা যা রেডিসনে যাবো। ঐখানে এখনও পর্যন্ত কেউ ধরা খায় নাই। আমি বলি,
- ঠিক ঠিক। কিন্তু
- আবার কিন্তু মিন্তু কি?
- যদি জঙ্গি আসে। আই এস?
- আসলে তোর কি? তুই আই এস এ যোগ দিবি নাকি?
- আরে না। কিন্তু হলি আর্টিজনের মত ধরো এক দল এসে গেলো। তখন কি হবে?
- কি আর হবে ? মেরে ফেলবে? মরতে ভয় পাস?
- ধ্যাৎ ভয় না। মানে মেরে ফেলার পরে যখন আমাদের লাশ সনাক্তকরন চলবে তখন তো আমাদের আগাছা পরগাছারা ভেবেই পাবেনা এরা এইখানে গেছিলো কেনো আমাদের অজান্তে? আহারে আমার তো সেটা ভেবেই মায়া লাগছে ওদের জন্য।
- আরে রাখ তোর আগাছা পরগাছাদের কথা বাইচান্স ধর জঙ্গীরা আমাদেরকে মেরে না ফেলে যদি বলে যা যা ভাগ ভাগ তোদের মারুম না। আমরা বলবো না জঙ্গি ভাই প্লিজ মারেন। নাইলে বাইরে লোকজন দাঁড়ানো আছে আমাদের শহীদ করার জন্য জঙ্গি ভাই।প্লিজ মারেন।

আমি তো এই কথা শুনেই হাসতে হাসতে মারাই যাচ্ছিলাম। তুমি বললে,
- আরে হাসো কেনো? আমি তখন তোমাকে বলবো আসো আমরা গলা জড়াজড়ি করে মরি। জঙ্গিগুলা বলবে ঐ শালারা ফাইজলামি করস? মশকরা করস আমাদের সাথে? বাইর হ... আমরা তবুও বলবো প্লিজ জঙ্গি ভাই মারেন।
আমিও যোগ দিলাম তোমার দুষ্টামী বুদ্ধিতে। বললাম,
- আমরা কি জঙ্গির পা ধরে থাকবো? তুমি বললে,
- আরে না। পা ধরবো কেন? আমি তখন রাগে বলবো বাইনচোত মারস না কেন? তোদের কারণে কি আমরা বাইরে গিয়া মরমু নাকি শালারপুত?
তখন তারাও অবাক হবে। বলবে এইসব পাগল ছাগল কোই থেইকা জায়গা দিসে রেডিসনে? আগে শালার ম্যানেজাররে ধইরা আন। ঐ শালারে আগে মারি। এইগুলারে জায়গা দিসে কেন? আমাদেরকে ছেড়ে রেডিসনের লোকজনরে ধরবে।

আমি হাসতে হাসতে মরে যাই। বলি,
- তুমি কি আমাকে হাসাতে হাসাতে মেরে ফেলবে নাকি? কিন্তু আমার তো কষ্ট লাগছে ধরো যদি মেরেই ফেলে তাহলে তো পরে লাশ সনাক্তকরণের সময় তারা ভেবেই পাবে না এই দুই নিস্পাপ বান্দা এইখানে কেনো গেছিলো?
- হ্যাঁ আমার বউ আর তোর হাসব্যান্ড আসবে।
- আমার হাসব্যান্ড আর তোমার বউ মিলে কিছুক্ষন গলাগলি করে কাঁদবে তাইনা?
আমি আগাম মনোক্ষুন্ন হই ওদের দুঃখে। কিন্তু তুমি বলো,
- আরে না তারা এসে দেখবে আমরা দুজন দুজনের উপর পড়ে আছি।
- এ্যাই চুপ। আগে শুনো না। তারা এরপর এক রহস্য উপন্যাস লিখবে তাইনা? যেই রহস্য উপন্যাসের কোনো সমাধান নেই।

- আরে না। তারা কি তোর মত রাইটার হইসে নাকি? এইসব উপন্যাস ফাস লিখবে না। আমার বউ বলবে না না দুজনেই একসাথে চিল্লায়া বলবে, ঐ ওঠ। এইগুলা কি মরসে না ভান ধরসে?

জঙ্গিগুলা বলবে আরে ভাই কইয়েন্না মরার আগে জ্বালায়া মারসে। এই সব গরু ছাগল কিডা হয় আপনেগো! তখন আমার বউ আর তোমার জামাই মিলে ঠাস করে জঙ্গির গালে একটা চড় দিয়ে বলবে, ফাজলামি করস হারামজাদা? এই দুইটায় এইখানে রঙ তামাসা করতে আইছিলো বুঝোস নাই? ঐ শালার পুত জঙ্গি ওগো মারলি কেনো? আমাদের হাতে ছাড়লি না কেন? এরপর দুইটা মিলে জঙ্গিরে দিবে মাইর।

আমার বৌ বলবে তোমার জামাইকে, ভাইয়া ধরেন হারামী জঙ্গিটারে। মারসে কেন? বাটপাড় দুইটা এইখানে আসছে তামাসা করতে আর মাইরা দিসে জঙ্গি শালায়। জঙ্গি বলবে, কই আইলামরে ভাই বোম্ব ফুটাইতে? দুই পাগল এতক্ষণ কইসে মারস না কেন? এখন দুই উন্মাদ আইসা কয় মারলি কেন আমরা থাকতে? তারপর বিদায় পৃথিবী বলে জঙ্গি সবার সামনে স্যুইসাইড। মানে জঙ্গি প্রথমে আমাদের পরে এই দুইটার কথা শুনে পুরা মেন্টাল হয়ে যাবে। নিজের পিস্তল দিয়ে নিজেরেই শ্যুট করবে।

তোমার এইসব পাগলামী কথা শুনে আমি হাসতে হাসতে মরে যাই। সত্যিই এতই হাসি যে খিল ধরে পেটে। কিন্তু তুমি ঠিকই জানো কি ব্যাথা বাঁজে আমার বুকের মাঝে। একই ব্যথা তো তোমারও তাই না?

তোমাকে আরেকটাবার দেখতে ইচ্ছা করে
এই ইচ্ছাই আমি হয়ে যাই একটা ঘাস ফড়িং
কিংবা একটা লাল ঝরাপাতা
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে,
কোনো অজানায়-
যেখানে কোথাও কেউ নেই,
শুধু তুমি আছো আর আমি আছি
হৃদয়ের কাছাকাছি
হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব ।


এই বিসর্জনের ব্যথা ভুলতেই আমরা হয়ত নিজেদের অজান্তেই এমন সব অবান্তর অবাস্তব কথা বলি বা ভাবি যা এই জগতের কারোরই জানা হয় না। শুধু জানি আমরা দুজনেই। আর তারপর আবার বাস্তবে ফিরে আসি। ঘুরি ফিরি খাই চলি, নিত্য নৈমত্তিক জাগতিক কর্মকান্ডগুলোর মাঝে ভাসিয়ে দেই নিজেদেকে। আহারে জীবন! আহা জীবন! জলে ভাসা পদ্ম জীবন!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:২৩
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিভাবে লেখক বা লেখিকা হবেন......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৬

কিভাবে লেখক বা লেখিকা হবেন ......

ফেসবুকে নানান গ্রুপ আছে। এইসব গ্রুপে লোকজন নানান প্রশ্ন করেন। একজন লিখেছে - 'লেখক হতে চাই-হেল্প করবেন'। আর একজন লিখেছেন - 'লেখিকা কিভাবে হবো, প্লিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেঁতুল বনে জোছনা – হুমায়ূন আহমেদ (কাহিনী সংক্ষেপ)

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৯

বইয়ের নাম : তেঁতুল বনে জোছনা
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
লেখার ধরন : উপন্যাস
প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০০১
প্রকাশক : অন্যপ্রকাশ
পৃষ্ঠা সংখ্যা :... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর সমুদ্রের রহস্য: মহাসমুদ্রের অভূতপূর্ব ঘটনা.............(৫)

লিখেছেন *কালজয়ী*, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:০৭

শতাব্দীকাল ধরে, মহাসাগরগুলি অনেক পৌরাণিক গল্প (মিথ), কিংবদন্তি/বীরত্ব, রহস্য এবং নানা ঘটনাবহুল বিষয়ের জন্ম দিয়েছে যা এখনও মানবজাতির দ্বারা পুরোপুরি ব্যাখ্যা/সমাধান করা সম্ভব হয়নি। প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে, পর্তুগিজ নাবিক কলম্বাসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেরামান জুমা মসজিদঃ ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১০



ভারতের কেরালা রাজ্যের ত্রিসুর জেলা'র মেথালা, কোডুঙ্গাল্লুর তালুক। এখানেই রয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরনো মসজিদ। প্রাচীন কেরালা রাজ্যের রাজা ছিলেন চেরামান পেরুমল। কথিত আছে, ইসলামের শেষ নবী ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমসাময়িক

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৪৯



নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশন শুরু হয়েছে মংগলবার(৯/২১/২১ ) থেকে; মুল বক্তব্যের বিষয় হচ্ছে: করোনার টিকা, জলবায়ু পরিবর্তন, রিফিউজী ও বেকার সমস্যা। গতকাল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বক্তব্য রেখেছেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×