somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

***** ছাড় *****

৩১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




কলেজের পাশেই নিউ মডেলের আলিশান এক বাড়ি যেমন তার কারুকাজ তেমনি ক্যালার মেচিং সব মিলিয়ে অপূর্ব সুন্দর। কলেজে আসলে যে কারোরই চোখে পরবে এই বাড়ি। পারিশা এস এস সি পাশ করে মফশল শহরের এই কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছে। পারিশাদের গ্রাম এখান থেকে বেশ দুর কিছুদুর হেটে পরে টেম্পুতে আসতে হয়।

প্রথমদিনই পারিশার চোখ আটকে যায় এত সুন্দর বাড়ি! সুন্দর এই বাড়ি দেখে নানা প্রশ্ন আসে পারিশার মনে । এত সুন্দর বাড়ি এই বাড়ির মানুষ গুলোও কি সুন্দর ! কে কে থাকে এই বাড়িতে বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে। আচ্ছা ঐ বাড়িতে কি বড় কোন ছেলে আছে !!

পারিশা নিজের মনেই হেসে উঠে থাকলেই আমার কি !!

হঠাত একদিন পারিশা কলেজের কাছে আসতেই বাড়িটার দিকে তাকাতেই দেখে ব্যালকনীতে দাড়িয়ে তারই দিকে তাকিয়ে আছে এক সুদর্শন যুবক। পারিশা বেশ লজ্জা পায় আবার মনে মনেই বলে, যেমন সুন্দর বাড়ি তেমন সুন্দর মানুষ ।

এরপর থেকে প্রতিদিনই পারিশা ছেলেটাকে দেখে মাথা নীচু করে চলে আসলেও পারিশার বুকের ভিতর এক অন্য রকম অনুভূতি অনুভব করে ।
পারিশা যতই এটাকে দুর করতে চায় সেটা আরো বেশী হয় । পারিশা নিজেকে অনেক শাসন করে ও কিছুতেই পারে না নিজের অজান্তেই মনে নানা রকম কল্পনা চলে আসে ।

হ্যালো শুনছ ?

পারিশা পিছন দিকে তাকিয়ে দেখে সেই ছেলেটা পারিশার বুকটা কেঁপে উঠে ।

এই মেয়ে শুনো !

পারিশার পা আটকে যায়, সে না সামনে যেতে পারছে না পিছনে ।

ছেলেটাই পারিশার দিকে এগিয়ে আসে ।

তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই ?

পারিশার সারা শরীর কাপঁছে,ভয়ে, লজ্জায় সে কোন কথা বলতে পারছে না ।

তুমি এত ভয় পাচ্ছ কেন ? আমি ইমন মানে ইমন চৌধুরী,এটা আমাদের বারি !

যদি ও মনে হচ্ছে তোমার বয়স একটু কম তবু তোমাকে সরাসরি কিছু কথা বলি , আমি একজন ইন্জিনিয়র , ঢাকায় ভাল একটা জব করি ,আমার বিয়ের জন্য মেয়ে খোঁজা হচ্ছে , তোমাকে আমার ভাল লেগেছে, কিন্তু তোমার নাম ঠিকানা কিছু জানি না, তাই তোমার ঠিকানা পেলে আমার মা তোমাদের বাড়ি যাবে ।

পারিশা নিজেকে সামলে নিয়ে কাঁপা কাপাঁ কন্ঠেই বলে আমি পারিশা , আমার ঠিকানা জেনে কি হবে, আমরা গরীব, আমার বাবা একজন মূর্খ কৃষক, আপনারা শিক্ষিত বড়লোক, তেলে আর জলে কখনো মিশবে না।
তবু বল।
আমার বাবার নাম ফাইজুদ্দিন সিন্দুরিয়া দক্ষিনপাড়া বলেই পারিশা সামনের দিকে হাটা শুরু করে।

ক্লাসে বসেও ইমনের কথাগুলো পারিশার কানে বাজতে থাকে নিজের অজান্তেই বার বার কল্পনার জগতে চলে যাচ্ছে সাথে লজ্জা ও আনন্দের এক অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে মনে।
ইমন মাকে বলে মেয়েটার নাম পারিশা, বাবার নাম ফাইজুদ্দিন গ্রাম সিন্দুরিয়া দক্ষিনপারা ।

ইমনের মা ফাইজুদ্দিন ও গ্রামের নাম শুনে চমকে উঠে খুব চেনা চেনা লাগছে কিন্তু মনে করতে পারছে না। হঠাতই মনে আসে এক সময় আমাদের জমি বর্গা চাষ করত ফাইজুদ্দিন ,হ্যা হ্যা তার গ্রাম ও তো সিন্দুরিয়া দক্ষিন পারা তাহলে পারিশা কি সেই ফাইজুদ্দিনের মেয়ে !!

অসম্ভব এটা কিছুতেই হতে পারে না --------।

পারিশার বাবার নিজের কিছু জমি ছিল আর অল্যদের কিছু জমি বর্গা নিয়ে চাষ করত ।সততার সাথে কঠিন পরিশ্রম করে এক সময় সে আরো কিছু জমি ক্রয় করে নিজেই চাষ করে তাতেই তার সংসার খুব সচ্ছল না হলেও মোটামুটি চলে যায় অন্যের জমি আর বর্গা নিতে হয় না।

ইমনের মা পরের দিনই ইমনকে নিয়ে পারিশাদের বাড়ি আসে। গাড়ীর শব্দ পেয়ে পারিশার বাবা ঘর থেকে বের হয়ে ইমনের মাকে দেখে দৌড়ে আসে বেগম সাব আপনি আমার বাড়ি !! আমাকে খবর দিলেই আমি চলে যেতাম !!

পারিশা বেশ অবাক হয় !! কালকে কথা হল আজকেই চলে এল !!

এখানে এসেছিলাম আমাদের জমিগুলো ছেলেটাকে দেখাতে ও তো এত দিন লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত ছিল এদিকে কখনো আসে নি, তাই ভাবলাম তোমার সাথেও একটু দেখা করে যাই তুমি তো আগে আমাদের পুরানো বাড়িতে মাঝে মাঝেই যেতে কলেজের পাছে নতুন বাড়ি করার পরত কখনো যাওনি।

ও এই তাহলে ইমন বাবাজী ,ছোট্ট বেলায় একবার দেখে ছিলাম মাশা আল্লাহ !এখন কত বড় আর সুন্দর।
তা ফাইজুদ্দিন তোমার অবস্থা এখন কেমন? তোমার ছেলে মেয়ে কয়জন?

আলহামদুল্লিলাহ ! আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি । আল্লাহর ইচ্ছায় আমার দুই মেয়ে।

এদিকে আয় মা -------আমার বড় মেয়ে এবার কলেজে ভর্তি হয়েছে ।

ইমনের মা পারিশার দিকে ভাল করে তাকায় ও মনে মনে বলে সত্যি মেয়েটা বেশ সুন্দুরী নম্র- ভদ্র ও মনে হচ্ছে ।

ঠিক আছে ফাইজুদ্দীন আমরা তাহলে আসি ।

বেগম সাব গরীবের বাড়ি এসেছেন এককাপ চা খাবেন না?

না এখন চা খাব না পরে কখনো যদি আসি তখন না হয় খাব, ইমন চল ।

ইমন শেষ বারের মত পারিশার দিকে তাকিয়ে দেখে অশ্রু ছল ছল দুটি চোখ তার দিকেই তাকিয়ে আছে ।

********* ********** *********

বাড়ি ফিরে ইমনের মা ইমনকে এ ব্যপারে কিছুই বলে না ইমন বুদ্ধিমান ছেলে সবই বুঝে নিয়েছে এ বিয়ে হবে না ।তাই পারিশার পথের পানে চেয়ে আর পারিশার জন্য অপেক্ষা করে না ।

মায়ের পছন্দ করা বড় লোকের সুন্দুরী শিক্ষিত মেয়ে আবিলার সাথে ইমনের বিয়ে ঠিক হয় ।

পারিশা প্রতিদিন কলেজে আসা যাওয়ার সময় বাড়িটার দিকে তাকায়,পারিশার চোখ ইমনকে খুঁজে পায় না।

এর কয়েকদিন পরই দেখে ইহানদের ঘরবাড়ি আলোক সজ্জায় সাজানো হয়েছে, পারিশা বুঝে নেয় ইমনের বিয়ে, পারিশার বুকের ভিতর থেকে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস বের হয়ে আসে।

ইমন বিয়ে করে বউ নিয়ে সুখেই আছে ।

পারিশা কলেজ শেষ করে জাহাংগীনগর ইউনির্ভারসিটিতে ভর্তি হয়, কয়েক মাস পরেই মাষ্টার্স শেষ করবে। সময়ের পরিক্রমায় ইমনের কথা সে ভুলেই গিয়েছে।

বিকাল বেলা বারান্দায় বসে ছোট বোনের মাথায় বেনী করে দিচ্ছিলএমন সময় তাদের বাড়ির উঠানে এসে একটি গাড়ী থামে ।

গাড়ীর শব্দে দুই বোনই সামনে তাকায় । গাড়ী থেকে নেমে আসে ইমনের মা । কোলে ৮/৯ মাসের খুব সুন্দর একটা মিষ্টি বাচ্চা ।

পারিশা কাছে এসে, আসসালামু আলাইকুম! কেমন আছেন আন্টি?

ইমনের মা পারিশার দিকে ভাল করে তাকিয়ে, ওয়াআলাইকুম আসসালাম ! ভাল আছি। তুমি পারিশা না ?

জী আন্টি আমি পারিশা ও আমার বোন রাইশা। এর মাঝেই পারিশার বাবা বাহির থেকে এসে , বেগম সাহেবা আপনি ?

ফাইজুদ্দিন আমি আজকে চা খেতে এসেছি ।

পারিশা আন্টি ও নিশ্চয় ইমন ভাইয়ার ছেলে ? আমি কি ওকে একটু কোলে নিতে পারি ?

ইমনের মা মনে মনে বলে ওকে তোমার কুলে তুলে দেওয়ার জন্যই আমি এসেছি ।

ইমনের মা বাচ্চাটাকে পারিশার দিকে এগিয়ে দিয়ে হ্যা নিয়ে যাও আমি তোমার বাবা সাথে একটু কথা বলব । ফাইজুদ্দিন ঘরে চল তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে ।

আন্টি ওর নাম কি ?
ওর নাম আবরার।

আবরার খুব সুন্দর নাম! দেখতে ঠিক বাবার মত সুন্দর হয়েছে।
ইমনের মা ঘরে যেয়ে বসে বলতে শুরু করে, ছয় বছর আগে তোমাদের বারি থেকে যাওয়ার কয়েক মাস পরেই ইমনকে বিয়ে দেই আমার ঘনিষ্ট এক বান্ধুবীর মেয়ে আবিলার সাথে, আবরার পেটে আসার পর থেকেই আবিলার শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না ডাক্তার ও রোগ ধরতে পারছিল না আবরারের জন্মের পর রোগটা ধরা পরে তখন আর কোন চিকিৎসা ছিল না, পাঁচ মাস হল আবিলা মারা গিয়েছে । আমার বয়স হয়েছে এখন আবরারকে দেখা শুনা করা আমার পক্ষে কষ্টকর তাছারা ইমন তো সকালে অফিসে যায় ফিরে বিকালে,এ সব বলার সাথে সাথে ইমনের মা আরো বলে, ইমন পারিশাকে পছন্দ করেছিল কলেজে দেখে পারিশা তোমার মেয়ে কিনা এটা শিউর হওয়ার জন্য তোমাদের বাড়ি এসেছিলাম। যদিও মেয়ে হিসাবে আমার পছন্দ ও খুব ভাল মনে হয়েছিল কিন্ত
আমি আমার আভিজাত্যের অহংকারে তোমার মেয়েকে আমার ছেলের বউ করে আমার ঘরে নিতে পারি নাই

দেখ আমি সোজা ও সত্য কথা বলতে পছন্দ করি । সময় সব সময় এক রকম থাকে না । আর আমরা বাস্তবতাকে ও এরিয়ে যেতে পারি না আগে ইমন ছিল ছেলে এখন সে ছেলের বাবা।

আমার এখন অসময় । এই সময়ের কারনেই আমাকে কিছু ছাড় দিতে হচ্ছে । তবে এখনো ইমনের জন্য আমাদের সমমানের ঘরের মেয়েই বউ হিসাবে আনতে পারব, কিন্ত সে হয়ত আবরারের জন্য ভাল মা হবে না, ইমনের বউ এর চেয়ে এখন তার ছেলের একজন ভাল মা এর প্রয়োজন বেশী। আবিলা মারা যাবার পর থেকেই আমার শুধু পারিশার কথাই মনে হয়েছে কেন যেন মনে হচ্ছে পারিশাই হবে আবরারের জন্য একজন ভাল মা ও সে শিক্ষিত মেয়ে আমাদের সমাজে সে মানিয়ে নিকে পারবে। যদিও আমি শিউর ছিলাম না পারিশা এখনো অবিবাহিত আছে কিনা সেটাই খবর নিতে গত কালকে একজন লোক পাঠিয়ে ছিলাম, সে যখন খবর নিয়ে জানাল সে মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি তাই আমি আর দেরী করিনি। তোমাদের যদি আপত্তি না থাকে এখন আমি ইমনের বউ মানে আবরারের মা করে তোমার মেয়ে পারিশাকে আমার ঘরে নিতে চাই ?”

এ কথায় পারিশার বাবার চোখে অশ্রু ঝরে পরে ও মনে মনে বলে আমি গরীব বলে আমার মেয়ে বউ না হয়ে মা হবে !!কিন্তু মুখে বলে বেগম সাহেবা আপনারা কোথায় আর আমি কোথায় কিন্ত পারিশা বর হয়েছে সে লিখা পড়াও শিখেছে আমি ওর সাথে কথা বলে আপনাকে জানাব ।

************ *********** **********

পারিশার বাবা সারা বিকাল চিন্তা করে কি ভাবে মেয়েকে এটা বলবে ।নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে ।
রাতে শুয়ে পারিশার মাকে কথাটা বলে ।
পারিশার মা চিৎকার করে ,না পারিশার বাপ এটা কিছুতেই হতে পারে না আমাদের এত বড় ঘরের দরকার নেই , আমরা যেমন তেমন ঘরেই মেয়ে বিয়ে দিব তবু কোন বাবার সাথে মেয়ে বিয়ে দিব না ।
পারিশা শিক্ষীত ও বুদ্ধিমতি মেয়ে ইমনের বউ মারা গিয়েছে এই সময়ে ইমনের মায়ের আগমনে সে কিছুটা ধারনা করেছিল এবার মায়ের চিৎকারে পারিশা পাশের রুম থেকে কানা খারা করে বাবা,মা কি বলছে শোনার জন্য।

পারিশার মা,ঠান্ডা মাথায় চিন্তা কর ! উনাদের দয়ায় ই আজকে আমরা মেয়েদের নিয়ে ভাল আছি, উনাদের জমি উনারা আমাকে বর্গা দিয়েছেন খুব অল্প টাকায় , কখনো সেই টাকার জন্য আমাকে চাপ দিত না আমি যখন পেরেছি দিয়েছি, আর উনাদের কাছ থেকে যে জমি গুলো ক্রয় করেছি তা নাম মাত্র মূল্যে উনারা আমাকে দিয়েছেন সেই টাকাও আমি আস্তে আস্তে কয়েক বছরে পরিশোধ করেছি , তা ছাড়া মেয়ের তো বিয়ের বয়স হয়েছে এখানে তোমার মেয়ে সুখেই থাকবে ।

কিসের সুখ !! এক গাছের বাকল আরেক গাছে কখনো জোড়া লাগে না, আমার মেয়ে এখানে কখনো সুখী হতে পারবে না । এই ছেলে বড় হয়ে কখনো পারিশাকে মা হিসাবে মানবে না আর পারিশাই কি মেনে নিতে পারবে তাকে নিজের সন্তানের মত!! এক সময় উনারা আমাদের সাহায্য করেছেন আমি অস্বিকার করছি না তাই বলে কি আমি আমার মেয়ের জীবনের সখ-আল্হাদ বির্ষজন দিয়ে সে দায় শোধ করব নাকি !

তাহলে আমি বেগম সাহেবাকে কি না বলে দিব ?
পারিশা নিজের রুম থেকে বাবা,মা রুমে এসে মা কিছু বলার আগেই বলে, না বাবা তুমি না বলবে না, উনাকে বলে দাও আমরা রাজী ।

পারিশা এ তুই কি বলছিস মা !!

হ্যা মা আমি ঠিকই বলেছি, উনারা এক সময় আমাদের সাহায্য করেছেন , তাদের অসময়ে তাদের পাশে দাড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব !! আর এটা তো মানবিক বিষয় একটা মাসুম বাচ্চার জন্য আমি না হয় আমার সখ আহ্লাদ বির্সজন দিলাম। মা তোমরা দুয়া কর উনারা যে বিস্বাস নিয়ে আমাদের কাছে এসেছেন আমি যেন সে বিস্বাস রাখতে পারি । আমি যেন সত্যিকারে আবরারের জন্য ভাল মা হতে পারি ।

বিয়ে হয়ে পারিশা সেই সুন্দর বাড়িটাতে এসেছে সেই বাড়ির সব চেয়ে সুন্দর ঘরটাতেই পারিশার বাসর সাজানো হয়েছে । সুন্দর করে সাজানো খাটের মাঝখানে শুয়ে আছে আবরার । ঘুমন্ত নিস্পাপ আবরারের মুখের দিকে তাকিয়ে পারিশার দুচোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পরে ।

ইমন, পারিশার চোখের পানি মুছে দেয় , পারিশা তুমি কাদঁছ কেন !! আমি আবরারকে না হয় মায়ের ঘরে রেখে আসি ।

ইমন আবরারকে কোলে নিতে যায়, পিছন থেকে পারিশা ইমনকে টেনে ধরে না আপনি ওকে তুলবেন না ,আমি আপনার বউ হয়ে এ বাড়ি আসতে পারি নাই আমি আবরারের মা হয়ে এ বাড়িতে এসেছি আবরার আমার সাথেই থাকবে আমার পাশে।

ইমন পারিশাকে বুকে জরিয়ে নেয় পারিশা আমার বিস্বাস তুমিই পারবে আবরারের মা হতে।

ছবি : মামা বাড়ি থেকে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০২০ সকাল ৭:৫৬
৩৪টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা আমি তোমাকে ভুলিনি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৫



আমার বন্ধু রফিকের বিয়ে।
সে সাত বছর পর কুয়েত থেকে এসেছে। বিয়ে করার জন্যই এসেছে। রফিক একদিন আমার বাসায় এসে হাজির। আমি তাকে প্রথমে দেখে চিনতেই পারি নাই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্যরচনাঃ ক্যামেরা ফেস

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৫৯


খুব ছোট বেলায় আমাদের শহরে স্টার স্টুডিও নামে ছবি তোলার একটা দোকান ছিল। সেটা পঞ্চাশের দশকের কথা। সে সময় সম্ভবত সেটিই ছিল এই শহরের একমাত্র ছবি তোলার দোকান। আধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবাসন ব্যাবসায় অশনি সংকেত

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১১ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২২




জুলাইয়ের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেল একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের । তারা ৫০ পারসেনট কমে ফ্লাট বিক্রি করছে । মুখ চেপে হাসলাম এত দুঃখের মাঝেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রৌপ্যময় নভোনীল

লিখেছেন স্বর্ণবন্ধন, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯


একটা অদ্ভুত বৃত্তে পাক খাচ্ছে আত্মা মন,
বিশ্বকর্মার হাতুড়ির অগ্ন্যুৎপাতে গড়া ভাস্কর্যের মতো গাড়-
হাড় চামড়ার আবরণ; গোল হয়ে নৃত্যরত সারসের সাথে-
গান গায়; সারসীরা মরেছে বিবর্তনে,
জলাভুমি জলে নীল মার্বেলে সবুজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

""--- ভাগ্য বটে ---

লিখেছেন ফয়াদ খান, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

" ভাগ্য বটে "
আরে! সে কী ভাগ্য আমার
এ যে দেখি মন্ত্রিমশায় !!
তা বলুন দেখি আছেন কেমন
চলছে কেমন ধানায় পানায় ?
কিসের ভয়ে এতো জড়োসড়ো
লুকিয়ে আজি ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×