সারা পৃথিবীতে ইহুদীর সংখ্যা এক কোটি চল্লিশ লাখের একটু বেশি। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের ইহুদীর সমস্যায় মানবতার হাত বাড়িয়ে আছে ইসরাইল। চাইলে যে কোন ইহুদী ইসরাইলের নাগরিক হতে পারবে কোন রকম বাঁধা ছাড়াই। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিসরে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে থেকেও তারা ঐক্যবদ্ধ এবং বিশাল মানবিক (নিজ ধর্মের জন্য) !
সারা পৃথিবীতে প্রায় একশ আটষট্টি কোটি মুসলমান রয়েছে। বেশকিছু ইসলামপন্থী রাষ্ট্র এখনও বিদ্যমান। ইসলাম ধর্মে প্রচুর মানবতার কথা বলা হয়ে থাকে। পৃথিবী জুড়ে ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা মৌলিক বিষয়বস্তু ফেলে নিজ ধর্ম নিয়ে বিশেষ করে শিয়া, সুন্নি, আহমদিয়া, ওহাবিয়া, পীর-বাবা, মাজহাবসহ কয়েক হাজার মতাদর্শে বিবক্ত! পবিত্র কোরআন এবং হাদিস অনুযায়ী নিজেরাই ঐক্যমতে পৌছাতে পারেনি। কিংবা কখনও ঐক্যমতে পৌঁছানোর আয়োজন করেনি। নিয়মিত গ্রুপ তৈরি করে কোন্দাল নিয়ে তারা মহাব্যস্ত। বলে বেড়াচ্ছে অমুক ইহুদীদের দালাল তমুক কাফের! এধরেন কর্মকান্ড করে নিজেকে মহা পন্ডিত সাজাতে যেয়ে ক্ষতি করছে ইসলামের। এজন্য বহিঃ শত্রুর প্রয়োজন হয়নি মুসলমানদের নির্যাতন করতে।
প্রতিদিন আমরা দেখি ফ্যালেস্টাইনে মুসলমমান নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। হিসাব করে দেখা যাবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অন্যান্য ধর্মের মানুষের চেয়ে নিজ ধর্মের মানুষ দ্বারাই সর্বাধিক নির্যাতনের শিকার মুসলামনরা। রাষ্ট্র থেকে সমাজ এমনকি পরিবারের ভেতরেই এসব নির্যাতন সয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণীর অসহায় মানুষ। ধর্ম তাদের ভেতরে ইহকাল পরকালের ভাল কাজের উপলব্ধি সৃষ্টি করতে পারেনি! একদিকে তারা ধার্মিক অন্যদিকে নির্যাতক। দূরের মুসলমানের জন্য কৃত্রিম কান্না করলেও পাশের মুসলমানের প্রতি প্রচন্ড কঠোর! ইসলাম ধর্মের লেবাসে মূলত এরাই ইসলামের সবচে বড় শত্রু। এই সমাজেই নমরুদ ফেরাউনের আদলে হাজারও লেবাসধারী আছে। লেবাস নিয়ে ধর্ম পালন করা করে গেলেও মূলত তারা নিজ ধর্মই মানেনা। ভরপুর আদর্শ আর নৈতিকতা থাকার কথা ছিল ইসলাম ধর্মে। বলা হয় ইসলাম শান্তির ধর্ম। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গন্থ্য বলা হয় আল-কোরআনকে। প্রতি নিয়ত অগ্রাহ্য করে যাচ্ছে ধর্মের বানী ও কার্যক্রম। এত কিছুর পরও ফতোয়া দিয়ে দাবী করে আমরা মুসলাম!!!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




