somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Orthohin shajib
পরোক্ষ কল্পনায় একেঁছিলাম এ জীবনটার এক রঙীনছবি । যেখানে ছিল রামধনুর সাত রং আর আমি। কিন্তু আদৌ মিলেনি প্রত্যক্ষ বাস্তবিক জীবনের ছবি।

শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা

১২ ই মে, ২০১৬ রাত ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পাবর্ত্য চট্টগ্রামে উপজাতিগোষ্ঠীগুলো উস্কে দেওয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ, ইউএনডিপিসহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখে। এই উস্কে দেওয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়- “তোমাদের আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেওয়া হবে।” কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মূখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোক জাস্ট ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। কারণ বিশেষ ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানে কারণে তিন পার্বত্য জেলাকে আমেরিকার খুব খুব দরকার, তাই যেভাবেই হোক এই তিনি জেলাকে তাদের চাই চাই ।
তবে এটাও বলা যায়- তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে যদি আলাদা রাষ্ট্র গঠনই হয় তবে উপজাতিদের ভাগ্য খুব একটা বদলাবে না। বরং এখন তারা যতটুকু সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, তখন সেটাও পাবে না। যেমন দক্ষিণ সুদান হয়েছিলো খ্রিস্টানদের সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সেখানে গণহারে খ্রিস্টান নিধন হচ্ছে, আবার দুর্ভিক্ষে না খেতে পেয়ে মরছে খ্রিস্টানরা। মাঝখান দিয়ে দেশটির তেল সম্পদ ঠিকই সম্রাজ্যবাদীদের হস্তগত হচ্ছে।
বাস্তবে বাংলাদেশে পার্বত্য উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর এমন কোন শক্তি নাই যে তারা একটি দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে পারে। মূলত এ বিদ্রোহকে বাঁচিয়ে রাখে বাইরের গোষ্ঠীগুলো। এ প্রক্রিয়া চলে চার প্রকারে-
১) মগজ ধোলাই সম্পর্কিত পুশিং:
বিদেশী গোষ্ঠীগুলো উপজাতিদের কাছে গিয়ে সর্বদা কানপড়া দিতে থাকে- “তোমাদের বাংলাদেশের সাথে থেকে কি লাভ আছে ? তোমরা নিজেরাই একটা দেশের জন্য চিন্তা করো্, সেটা হবে তোমাদের রাজত্ব। সেখানে তোমরা যা খুশি তাই করতে পারবে। তোমদের লোকবল আছে, সামর্থ আছে। অনেক এলাকায় আদিবাসী ভূমি পাচ্ছে। তোমরাও চেষ্টা করলে পাবে। আমরা বাইরে থেকে তোমাদের সর্বপ্রকার সাহয্য করবো।” এ ধরনের কানপড়া কিছু বিদেশী গোষ্ঠী সবসময় উপজাতি নেতাদের দিয়ে থাকে। এ বিদেশী গোষ্ঠীর কানপড়া দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ করলে উপজাতিদের বিদ্রোহী মনভাব অনেকাংশে কমে যাবে। এক্ষেত্রে সকল বিদেশী এনজিও’র আনাগোনা নিষিদ্ধ করা ছাড়া করা কোন উপায় নেই।
২) ফান্ডিং :
বাইরের এনজিও সংস্থাগুলো ফান্ড প্রবাহ দিয়ে মূল বিদ্রোহ জিয়িয়ে রাখে। এই ফান্ড প্রবাহ নানান জায়গায় হতে পারে। যেমন- বিভিন্ন উপজাতি নেতাদের কাছে, এনজিওতে ভালো চাকুরী দিয়ে, সুযোগ সুবিধা দিয়ে, ঘরবাড়ি বানিয়ে দিয়ে। এ সকল অর্থ প্রবাহের বিনিময়ে উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে বাচিয়ে রাখা হয়। এই ফান্ডিং বন্ধ করতে পারলে উপজাতিদের বিদ্রোহী মনোভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
৩) মিডিয়ার সাহায্য:
সম্রাজ্যবাদী (সিআইএ) নিয়ন্ত্রিত কিছু মিডিয়া উপজাতিদের এই উস্কানিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশে এ ধরনের মিডিয়ার মধ্যে নেতৃস্থানীয় হচ্ছে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ বা প্রথম আলো, ডেইলি স্টার। এরা অব্যাহতভাবে উপজাতিদের দেশদ্রোহী কাজে ‍ফুয়েল দিয়ে বাচিয়ে রাখে। প্রথম আলো-ডেইলি স্টার গংদের উপজাতিদের মিডিয়া সাহায্য যদি বন্ধ করা যায়, তবে উপজাতিদের দেশদ্রোহী কার্যক্রম অনেটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
৪) অস্ত্র সাহায্য:
বাইরের কিছু দেশ থেকে উপজাতিদের অস্ত্র সরবারাহ করে উপজাতিদের বিদ্রোহী মনোভাব ও স্বাধীন রাষ্ট্রের কল্পনা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। যদিও কার্যক্রমটি সিআইএ নির্ভর, কিন্তু আমেরিকার তো বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত নাই । তাই ভারত কিংবা মিয়ানমারের সীমান্ত ব্যবহার করে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর কাছে অস্ত্র সরবারাহ করা হচ্ছে। এই অস্ত্র সরবরাহ যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন উগ্র উপজাতি গোষ্ঠীর বিদ্রোহী মনোভাব দমন করা সম্ভব হবে না। তাই এই বিদেশী অস্ত্র সরবরাহ কিভাবে ঠেকানো যায় তা চিন্তা করতে হবে।
আমি আবারও বলছি- উপজাতিদের নিজ থেকে কিছু করার যোগ্যতা নাই। তাদের মূল সাহায্য করা হচ্ছে বাইরে থেকে, যারা করছে তাদের উদ্দেশ্য উপজাতিদের উপকারা করা নয়, বরং বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের স্বার্থ সাহিল করা। এখন এই রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যক্রম বন্ধ করার সবচেয়ে সহজ পন্থা হচ্ছে উপজাতিদের বাইরের সাহায্যগুলো বন্ধ করা, বাইরের সাহায্যগুলো বন্ধ করলেই দ্রুত উপাজাতি সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৬ রাত ১২:৩৩
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক সংকট: মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২

প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর। এই স্তরেই শিশুর ভাষা, গণিত, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা, সামাজিকতা ও জীবনদক্ষতার ভিত নির্মিত হয়। যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা যত শক্তিশালী, সেই দেশের অর্থনীতি, সামাজিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩০



নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×