আমি সিলেট শহর ছাড়া, সিলেট বিভাগের অন্য কোন জায়গায় হরতালের লেশ দেখতে পাইনি গত সপ্তাহ জুড়ে। অনেকেই বলছে, হরতাল শহর কেন্দ্রিক। যেখানে মিডিয়া তৎপর সেখানে নেতাদের পাবলিসিটি হবার সম্ভাবনা বেশি। সহজে প্রচানরা পাওয়ায় যায়। তাই হরতাল অবরোধ শহর বা নগর কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। গ্রামে বা অন্যান্য থানায় এই চিত্র ভিন্ন।
যাই হোক বগুড়া এবং খুলনার অবস্থাও এমনটা শুনেছিলাম। এখন সত্যিকার অর্থেই মানুষ হাপিয়ে গেছে। মানুষ এখন বুঝে গেছে, এই হরতাল / অবরোধ আসলে গদির লাভে র খেলা। সামান্য ডিসের সংযোগ আর ইন্টারনেটের জন্যে বিএনপি নতুন করে তীব্র আন্দোলনের কথা বলছে। কিন্তু একবারও ভাবছে না যে, একটা সাধারণ মানুষ রোজগার না করলে তার পুরো পরিবার না খেয়ে থাকছে। এখবারও ভাবছে না যে, একটা রোজগেরে মানুষ আগুনে পুরে মারা গেলে তার পুরো পরিবার মৃত্যুর কাঠগরায় দাড়িয়ে যাচ্ছে ।
খালেদার পুত্র মারা যাওয়াতে আজ তার কততো আহাজারি। অথচ কত নির্দোষ ছেলে রাস্তায় বাসে ট্রাকে পুড়ে মরছে, মারা হচ্ছে তার জন্যে কোন আহাজারি নেই। রাস্তায় বেরিয়ে পুলিশের সন্দেহে গ্রেফতার হয়ে জেলে ঢুকছে। যাদের রেফারেন্স দেবার কেউ নেই। যাদের জামিন নেবার কেউ নেই। হয়ত টাকা ঢেলে ছাড়িয়ে আনার আপনজনও নেই।
আজ এই যে অগনতান্ত্রিক অরাজগতায়, যত মানুষ পোড়া শরীরের যন্ত্রনা নিয়ে মারা যাচ্ছে, তার সবটুকু যন্ত্রনা যেন _ _ _ কবরে শুয়ে শুয়ে পায়।
সহ্য করার একটা সীমা থাকে। সীমারও সীমা থাকে। দুই নেত্রীর কেউই আমাদের সাধারন মানুষের ভাল চায় না। তাদের সিদ্ধান্ত আর নির্দেশনাই তার প্রমান। সুখ বীলাসীতা আর ক্ষমতার মায়ায় এই দুই মানুষ খেকো নেত্রী আমাদের সাধারন মানুষকে জিম্মি করে জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে। আর বেশি দেরি নেই, যে সাধারণ মানুষ ক্ষমতা লোভী কারও কথাই শুনবে না। ধর্মব্যবসায়ীদেরও না।
আজ তার একটা প্রমান এই খবরে বেরিয়ে এসছে। লিঙ্ক এখানে
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





