
আমি জানি না সঠিক কারন বা সঠিক সংখ্যা। নানা দিকে নানা খবর ছড়াচ্ছে। তাই ভাবলাম সব এক জায়গায় নোট রাখি।
১. ঘটনার ২য় দিনে সমস্ত হাসপাতাল - ক্লিনিক থেকে ডেথ রেকর্ড বই গুলো ডিবি পুলিশ নিয়ে গেছে। তারপর থেকে আর রেকর্ড হয়নি। (অনলাইন)
২. গন্ডগোল এলাকার নিকটবর্তী ক্লিনিকগুলোতে গুলি বিদ্ধ রুগিদের ভর্তি নেয়া হয়নি অনেক ক্ষেত্রে। বিনা চিকিৎসায় এক ক্লিনিক থেকে অন্য ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেয়ার পথেই অনেক রুগি মারা গেছে। ঝামেলা এড়াতে সবকিছু গোপন করেই বাসায় লাশ নিয়ে ফিরেছে। কাজেই সেই সব মৃত্যুর হিসেব কোন রেকর্ড বই এ নেই। (ইউটিউব)
৩. ঢাকার বিভিন্ন হসপিটাল থেকে ডজন ডজন বেওয়ারিশ লাশ নিয়ে বিভিন্ন গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গোর খোদক সাক্ষ্য দেয়া অনলাইন ভিডিও এক ভাই দিয়েছে। এক দিনেই ৩৬টা বেওযারিশ লাশ দাফন করেছেন সেই গোরখোদক। (ইউটিউব)
৪. ফুটপাতের ব্যবসায়ী, রিক্সাচালক বা আরও দরিদ্র শ্রেনীর মানুষ যারা অনাঙ্কাখিত ভাবে গুলি বিদ্ধ হয়ে মারা গেছে, তাদের আত্মীয়রা ভয়ে হাসপাতাল পর্যন্ত নেয়নি। হয়রানি সেই সাথে খরচ, গরিবের চিন্তা একটু বেশিই। কাজেই সে মৃত্যুর হিসেব কোথাও নেই। (অনলাইন)
কেউ যদি আরও কোন কারন জানেন, সম্ভব হলে মন্তব্যে লিখুন।
আল্লাহ পাক এই ঘটনায় হিন্দু মুসলিম সকল মৃত্যুবরণকারী ভাই বোনদের মাফ করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ৯:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



