রুপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বায়িত্বে ওরা ১২ জন
এশিয়া প্যাসিফিকের ইইই ১২ ব্যাচের গ্রাজুয়েট সেতু একমাত্র প্রাইভেটিয়ান
।
বাংলাদেশের University of Asia Pacific (UAP) থেকে পড়াশোনা করে আসা সাজ্জাদ দেওয়ান দেশের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘দেশেও সকাল-সন্ধ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ক্লাস না থাকায় আড্ডা দিয়ে সময় কাটে শিক্ষার্থীদের। কিন্তু এখানে পুরোপুরি ভিন্ন। এখানে সারাদিন ক্লাসে থাকতে হয়। আর শিক্ষকরাও খুবই আন্তরিক শেখানোর জন্য’।
নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটির ছেলে সাজ্জাদ দেওয়ান বাংলাদেশের University of Asia Pacific এর EEE বিভাগ থেকে বিএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স কোসে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখান থেকে ২০১৫ সালে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স সমমানের তিন বছর মেয়াদী কোর্স করতে মস্কোতে এসেছেন।
এ ব্যাচের ১২ জন শিক্ষার্থী মস্কো ন্যাশনাল রিসার্চ নিউক্লিয়ার ইউনির্ভাসিটিতে পড়ছেন। নিউক্লিয়ার অ্যানার্জির বিষয়ে রাশিয়ানদের কাছে অভিজাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতি রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির।
সাজ্জাদ দেওয়ান বলেন, ‘রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য সৌভাগ্যের দুয়ার উন্মোচন করবে। এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকা উচিত নয়। এটা ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্পও নেই’।
‘বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের অনেক বিদ্যুতের প্রয়োজন। যা কয়লা কিংবা অন্যান্য সোর্স থেকে করা সম্ভব নয়। কয়লা পরিবেশকে দূষিত করে। কিন্তু পরমাণু হচ্ছে পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব’।
সাজ্জাদ দেওয়ানের গ্রুপটিকে অংক, পদার্থ বিজ্ঞান, ইনফরমেশন ও রাশিয়ান ভাষা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এরপর দেড় বছর থাকবে থিউরিটিক্যাল ক্লাস। শেষ ছয় মাস থাকবে থিসিস ও ইন্টার্নশিপ।
রাশিয়ান ভাষা শিক্ষা দেওয়ার কারণ কি? জবাবে সাজ্জাদ বলেন,
যেন দেশে ফিরে রাশিয়ান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে থেকে কাজ করতে পারেন। ভাষাগত কোনো সমস্যা না হয়।
তথ্যসূত্র - Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৬ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



