গ্রামীন ব্যাংক এখন ৪ বা ৫ হাজার টাকা ঋন
দেয় না তারা ৫ লক্ষ টাকা ও ঋণ দেয়।
এইবার আসি কোন শ্রেনী মানুষের জন্য এই
ঋন?
ধরি এক কৃষকের ২০,০০০ টাকা ঋন প্রয়োজন
ফসল লাগাবে বলে। ঋণ নেওয়ার পরের সপ্তাহে তাকে ৫০০ টাকা কিস্তি দিতে হবে। কিন্তু তারা ফসল আসবে ৩ মাস পর!
তাই কৃষকদের এই ঋন কোন কাজে আসে না।
এইবার প্রশ্ন তাহলে কার জন্য এই ঋন?
যাদের আয় দৈনিক হিসাবে যেমন : সিএনজি
চালক ( যারা সবচেয়ে বিপদে আছে এখন) ,
ব্যাটারী চালিত গাড়ি, সুদের ব্যবসা করে বা
ঋনের টাকায় আমিষের অভাব মিটায়!
সুদ কত?
আপাতত দৃষ্টিতে দেখা যায় ১০ শতাংশ। যেহেতু তারা সপ্তাহে ও ১১ মাসে নেয় এই টাকা সেহেতু হিসাব করলে তা ৩০ শতাংশের কম হবে না।ব্যাংক হইতে ঋন নিলে তা দেওয়া লাগতো ১ বছর পর এইখানে সপ্তাহে
প্রতি সপ্তাহের টাকা যদি গ্রহক ব্যবসা করতো আরো আয় করতো।যেমন ২০ হাজারের সপ্তাহে ৫০০ টাকা করে মাসে
২০০০ টাকা কিস্তির টাকা যদি ব্যবসায় ১১ মাস খাটানো যেত নিশ্চই লাভ করতেন।
এইবার আসি জামানত ছাড়া কিভাবে এতো ঋণ দেয়?
তাদের প্রথম হাতিয়ার হল সামাজিক ভয়।
যাদের কিস্তি দেয় তাদের মাঝে এক একটি গ্রুপ করে দেয় প্রতিটি গ্রুপের ১ জন্য ব্যাক্তিও যদি কিস্তি দিতে না পারে বাকি লোক গুলো কে বসিয়ে রাখে।এইবার তারাই আদায় করে দিবে এইবার তারা ব্যর্থ হলে ত ঘরের হাস, মুরগি, গরু, ছাগল ও টিনের চাল আছেই। সামাজিক ভাবে অপমানিত হওয়ার আগেই টাকা দিয়ে দেয়।আর শুধু মহিলাদের দেওয়া হয় তাই তাদের ধরা সহজ।কিস্তির সাথে কিছু টাকা জমা রাখা হয় যা স্বল্প লাভ দেয় এবং কি প্রতিটি মহল্লায় কিস্তির টাকা নেওয়ার জন্য ঘর ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিলের টাকা ও গ্রাহক হইতে নেওয়া হয়।ব্যবসা আমার লাভ আমার আর দোকান ভাড়া
ও গ্রাহক হইতে নিব লাভ ছাড়া ও।কিছু লোক আছে বিপদে পড়ে টাকা ঋন নেয়
যারা একটি ঋন হইতে বাচতে আরেকটি ঋন নেয় এইভাবে ঋনের ভার বড় হয় যার মাসুল শেষ আশ্রয় বাড়ি বিক্রি আর যাদের তা না থাকে শরীরে কিডনি ত আছেই।
ব্যাংক ছোট ঋন দেয় না এবং চাইলে ও পায় না তাই এই ধরনের এনজিও গুলোর ব্যবসা রমারম।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


