আজ ইকবাল সাহেবের অনেক আনন্দের দিন।চার মেয়ের পর তার প্রথম ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে।ছেলেটার নাম রাখা হল নাসিব।নাসিব এর মাশুভ্র এর জন্মের কিছুদিন পর মারা যান আর ইকবাল সাহেব খেয়ালি মানুষ।বোনদের আদরযত্নে বড় হতে থাকে নাসিব।
নাসিবের চরিত্রে অস্বাভাবিকতা ছিল ছোট থেকেই।আসলে চোখের সামনে যা আমরা প্রুতিদিন দেখি সেটা আমাদের আর অস্বাভাবিক লাগে না।কোনআলো ছাড়া ই নাসিব দিব্ব্য হাঁটতে পারতো,কোন সমস্যা ই হতো না।নাসিব যে অন্ধ সেটাবুঝা গেলো যখন নাসিবের বয়স ৬ বছর কিন্তু নাসিবের চোখ দুইটা ছিল অনেক সুন্দর,অশোকেরপুত্র কুনালের মতো।
নাসিবের দেখতে পাবে না এইটা সে মেনেনিয়েছিলো।তার কোন অভিযোগ ও ছিল না।সে হাত দিয়ে স্পর্শ করে ই বুঝতে পারতো।প্রকৃতিনিষ্ঠুর কিন্তু এতো বেশী না।সে চোখে না দেখলে ও তার অন্য ইন্দ্র গুলো ছিল অনেকবেশী সজাগ।সবাই যখন বলত আজ অনেক সুন্দর চাঁদ উঠেছে,তখন নাসিবের অনেক খারাপলাগতো।সে জানে পৃথিবীতে তিনটা রং আছে,এই তিনটা রং থেকে আর ও অনেক রং সৃষ্টি হয়।
রঙের কথা উঠলে ই তার মন খারাপ হয়।সে জানতে পারেমারা যাওয়ার আগে সবাই পৃথিবী দেখতে পায়।একদিন নাসিব বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে পরে আরমারা যায়।সে কি রং দেখতে পেয়েছিল?তার জীবন টা ই তো ছিল সাদা কালো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




