গত রাইতে জনৈক সাংস্কৃতিক কর্মীর সাথে স্বপ্নে আলাপ....
শিল্পী: কি খুব না? খুব শিল্প সমজদার? ফেস্ট না...? যাবা না?
আমি : হ যামু...
শিল্পী: তো কেন যাইবা?
আমি: ঔ যে সবাই যায়।
শিল্পী: জিবনে শুনো কোনো দিন এইসব?
আমি: না, তা শুনি না।
শিল্পী: তাইলে ভাব লও কেন?
আমি: ওই যে, আমি কি আপনার মতো অসামাজিক নাকি। সবাই যায় আমিও যাই।
শিল্পী: আর কিছু না?
আমি: আছে। তয় বলা যাইবো না।
শিল্পী: বলো বলো। আমরা আমরাই তো।
আমি: মাইয়া দেখতে যামু। গুলশান, বনানী, উত্তরা, ধানমন্ডি, বারধিারা, টিএসসি, ছবির হাটের তাবৎ সুন্দরী মেয়ে এবং চির তরুনী আন্টিরা আসে নাকি। ওইটা দেখতে যামু। ওরা সবাই কড়া মেকআপে আসে শুনলাম। ভালো ভালো পোষাক পরে। তাদের কিন্তু দেখলেই বোঝা যায় শিল্প সংস্কৃতি তারাই ধইরা রাখসে। শিল্পতো সুন্দর। তারাও সুন্দর। হে হে !
শিল্পী: তো ছেলেরা কি করে।
আমি: ওই যে কইলাম, কড়া মেকআপ আর ভালো ভালো পোষাক দেখে।
শিল্পী: জিবনে শুনো এইসব?
আমি: ধুর মিয়া এক কথা কয়বার জিগান। যান তো আমি আমার গেইট পাশের একটা স্ক্রিন শট ফেসবুকে আপ দেই। জানান দিতে হইবো না?
শিল্পী: তো এইসব কইরা কি লাভ।
আমি: ওই মিয়া আমারে জিগান কেন? যারা করসে হেগোরে জিগান। লাভ ক্ষতির আমি কি বুঝি? হেরা আইবো গাইবো আমি মদ খাইয়া ঢুকমু। বাজনা বাজবো। মাইয়া লোক দেখমু। পরিবেশটাই তাই। শরাই খানার মতো। ভোগ করমু পুরা রাইত। সকালে উইঠা আবাল চোদগো গল্প দিমু। আরেকজন আইসে শিল্প চোদাইতে। ভাগেন তো।
অতঃপর আমার ধমক খেয়ে বেচারা বিপ্লবী মুখ কালো করে চলে গেলেন। যাওয়ার সময় খালি শুনলাম 'কে ঠিক, কে ঠিক' করতে করেত ভাগলো। ঘুমটা ভালোই হয়েছে।
(০৬ নভেম্বর ২০১৪, পল্টন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


