যে মা নিজের সন্তানের লাশ সামনে রাইখা-
রহিমা, করিমা অথবা করিমনের
যাদু সোনারে পুড়াইয়া ফেলার হুকুম দেওন চোদায়-
সেই মায়ের মুখে থুতু।
আর যে মা আবুল, রহিম আর কুদ্দুসের
পোলা মাইয়ার লাশের উপর খাড়া করা
মঞ্চে বকৃতা দেয়-
সেই মারে কিছু কইলাম না; আইসিটির সাতান্ন ধারার ভয় আছে।
এক মাঘে শীত যায় না; এখন তো মাঘ মাস-
শেষ হইলো হইলো বইলা। তার মানে শেষ না-
আবার আইবো মাঘ ।
শীতও থাকবো অনেক;
শীতের ব্যাথা খুব খারাপ, একবার লাগলে যাইতে দেরি অয়।
মুর্দাগো মা বাপের নামগুলা গেরাইম্মা,
আধুনিক আমাগো কাছে খ্যাত-
কিন্তু আমি ভয় পাই এই ভাইবা-
ক্ষেতের মানুষ একবার রাস্তায় উইঠা আইলে কি হইবো-
আমিইবা পিঠ বাঁচামু কেমনে?
নিজের পিঠ বাঁচুক আর নাই বাঁচুক-
সারাদিন যারে রিকশায় নিয়া ঘুরলাম-
সে শুধু আগুনের দ্বারা ধর্ষিত না হইয়া
নিরাপদে বাসায় গেলেই অয়;
সেও তো কোনো মায়ের সন্তান।
এই অ-কবিতার শ্যাষে-
একটু ঘুরাইয়া আমি শুধু কইতে চাই-
সবার সন্তান যেনো থাকে নিরাপদে।
(৩০ জানুয়ারি ২০১৫, পল্টন)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





