somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ আফ্রোজা

২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


হঠাৎ করে আফ্রোজাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা।এইতো কিছু আগে আমরা দুজন মান অভিমানের ছলে ঝগড়া ঝগড়া খেলা করলাম। আমাদের দুই রুমের ফ্ল্যাট ।সাথে একটা ব্যলকনি ও কিচেন সংলগ্ন ডাইনিং স্পেস। সবখানে খোঁজা শেষ।মেয়েটা কি উবে গেলো নাকি?
সেটা কি করে সম্ভব? সেটা তো সম্ভব না। বাসার দরজাও তো লক করা রয়েছে।বাথরুমেও নেই তার মানে আফ্রোজা বাসাতেই আছে কিন্তু কোথায়?

কিছুক্ষণ আগে ঝুম বৃষ্টি হয়ে গেছে। আফ্রোজা রান্না করছে। রান্নাঘর থেকে দারুণ সুগন্ধ আসছে।বরাবরই মজাদার খাদ্য আমাকে প্রচণ্ড রকমের আকর্ষণ করে। একটু আগে আমার আর আফ্রোজার মধ্যে তুমুল একচোট ঝগড়া হয়ে গেলো।আসলে সত্যি কথা হলো ঝগড়া বলতে ঝগড়া ঝগড়া খেলা যা আগেও বলেছি।

বিবাহ পরবর্তী সময়টা আমাদের চরম রোমান্টিকভাবে কাটছে।হানিমুন করার সামর্থ্য আমাদের নেই কিন্তু করোনা কালীন ছুটিটা আমাদের জন্য যেনো সেই সৌভাগ্য বয়ে এনেছে। এটা বলা চলে অন্য এক রকমের হানিমুন। আমরা মুভি দেখছি গল্প করছি।কখনো কখনো ঝগড়ার এক পর্যায়ে মারামারিও করছি। মারামারি বলতে বাচ্চাদের দুষ্টুমির মতো কিছু একটা।হেসে খেলে দিন কাটছে ভালো।

আমি আর আফ্রোজা নতুন বিবাহিত দম্পতি। আমি একটা নতুন তৈরি হওয়া বিল্ডিং এর সুপারভাইজার হিসাবে আছি বেশ কয়েক মাস ।কাজটা বেশ আরাম দায়ক।কারণ কাজ বলতে আমার তেমন কিছুই করতে হয় না শুধু মাঝে মাঝে তদারকি করা। আমি আর আফ্রোজা সেই অসম্পূর্ণ বিল্ডিং এবর্ত মানে অবস্থান করছি।

কাজটা গত চার মাস আগে পেয়েছিলাম এক পরিচিত আত্নীয়ের মাধ্যমে।আসলে তখন আমার একটা কাজ পাওয়া খুবই দরকারী ছিলো।
আমি পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েছি বছর খানেক। এ অফিস ও অফিস ঘুরে ঘুরে শেষে কোন কাজ না পেয়ে প্রচন্ড রকম হতাশায় ভুগতে শুরু করলাম। জীবনটা একেবারে দোজখ হয়ে উঠলো খুব তাড়াতাড়ি।বাসায় সারাদিন বড় ভাই আর বাবার কথা শুনতে হয় । মা খেতে বসলে ছলছল চোখে খোঁজ নেন কিছু একটা ব্যবস্থা হলো কিনা।আমি কিছু বলতে পারি না মায়ের কষ্ট দেখে আমার গলা দিয়ে ভাত নামে না। মা আরো কষ্ট পান। আমারো বুকের ভিতরটা মায়ের মুখ দেখে গুমরে ওঠে।


কলেজ সুত্রে আফ্রোজার সাথে আমার পরিচয় অনেক দিনের । তারপর প্রেম। আফ্রোজা বড়লোক একমাত্র মেয়ে। তারা দুই ভাই এক বোন।আফ্রোজা একদম সহজ সরল একটা মেয়ে।তার সরলতাই আমাকে মুগ্ধ করে সবসময়।আমি তার সঙ্গ উপভোগ করি।কিন্তু এর মধ্যে অন্য রকম এক ঘটনার মধ্য দিয়ে তার বাবা জেনে যায় যে আমার মতো গরীব ঘরের এক বেকারের সাথে তার একমাত্র মেয়ের গভীর প্রেম চলছে।অনেক অশান্তির পরেও আমাদের দেখা সাক্ষাৎ চলতে থাকে। লুকানো প্রেমে আকর্ষণ আরো বেশি।আমরা প্রেম বিরহে দারুণ সময় কাটাতে লাগলাম।শুধু একটা চাকরি জোগাড় করতে পারলেই হলো। আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম তখন বিয়েটা সেরে ফেলবো।চাকরির জন্য তখন আমি হণ্যে হয়ে ঘুরছি। এর মধ্যে এক দিন আফ্রোজার বড় ভাই আমাকে আর আফ্রোজাকে একসাথে পার্কে দেখে ফেলল।


আফ্রোজাকে তারা ঘরবন্দী করে ফেলল এবং আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে মাস্তান টাইপের ছেলেদের দিয়ে প্রচন্ড রকমের মার দিলো।এতোটাই মার দিলো যে শেষ পর্যন্ত হাসপাতাল আমার আশ্রয়স্থল হলো। এরপর কে না কে আমার বাসায় ফোন দিয়ে জানালো আমি এক্সিডেন্ট করে হাসপাতালের বেডে পা ভেঙে পড়ে আছি।


হাসপাতালে থাকতে থাকতে আমি জানতে পারি আফ্রোজার বিয়ে হয়ে গেছে সুইডেন প্রবাসি এক ছেলের সাথে। একে তো শারিরীক ব্যাথা সেই সাথে বাবার কটু কথা তার উপর এই দুঃসংবাদ তাতে করে আমার মনটা ভীষণ রকম ভেঙে পড়ে সেই সময়।


তখন সেই বিপদের দিনে একমাত্র আমার সহজ সরল মায়ের সার্পোটেই আবার আমি নতুন করে বেচে থাকার প্রেরণা খুঁজে পেলাম। আমার মা যদি তখন আমার পাশে না দাড়াতেন,অভয় না দিতেন তবে বোধ হয় আমার আর বেঁচে থাকা হতো না , চর্তুপাশের নানা অপমান আর গঞ্জনায়।


যাহোক সবার জীবনে ভালো মন্দ সময় কম বেশি আসে আর খারাপ সময়ের মেঘ কেটে ও যায় এবং একসময় ভাগ্যাকাশে নতুন খুশির সূর্য হাসে ।আমার ও সুদিন এলো তবে একটু তাড়াতাড়িই বলতে হবে।মায়ের এক দূর সম্পর্কের আত্নীয়ের মাধ্যমে বর্তমানের এই ভালো কাজটা হঠাৎ করেই পেয়ে গেলাম।


আমি আর দেরী করলাম না পুরানো হতাশাকে ঝটপট ঝেড়ে ফেললাম। বলা যায় যত কষ্ট বুকের মধ্যে চেপে রেখে আবার আমি আমার জীবনকে নতুন করে সাজাতে শুরু করলাম।


তার কিছুদিন পরে একদিন সন্ধ্যার একটু পরে আফ্রোজার ফোন এলো আমার ফোনে। আমি তো অবাক! এটা কি করে সম্ভব।আফ্রোজা কিভাবে আমাকে ফোন দেবে তার তো বিয়ে হয়ে গেছে। ধরবো কি ধরবো না দ্বিধায় ছিলাম। তারপর ভাবলাম আফ্রোজার কোন বিপদ হয়নি তো? আমি ফোন ধরতে আফ্রোজা ফোনে জানালো সে ইকবাল রোডের প্রিপারেটরী স্কুলের সামনে দাড়িয়ে আছে আমি যেনো এখুনি সেখানে যাই এবং তাকে নিয়ে আসি আমাকে আর কোন প্রশ্নের সুযোগ না দিয়ে সে লাইনটা দ্রুত কেটে দিলো।


প্রথমে আমি ভাবলাম, এটা আমার মনের ভুল। তারপর ভাবলাম, যদি সত্যি হয় তাহলে এখন তো সন্ধ্যা হয়ে গেছে, দেরি করলে আফ্রোজাএকা রয়েছে যে কোন সময়ে বিপদে পড়তে পারে ।


আমি দ্রুত প্রিপারেটরী স্কুলের সামনে এসে পৌছলাম এবং আফ্রোজাকে দেখে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। যাক আফ্রোজা ঠিক ঠাক আছে। কিন্তু আফ্রোজার ম্রিয়মান মুখ দেখে আমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠলো।বোঝাই যাচ্ছে অনেক ঝড় বয়ে গেছে তার উপর দিয়ে এই কদিনে।
তারপর ঘটনা খুব সংক্ষিপ্ত। আফ্রোজা জানালো তার সাথে মাহবুবের ডিভোর্স হয়ে গেছে।সে ডিভোর্স পেপার চা্ইলে এখুনি দেখাতে পারে।


আমি বললাম কোন ডিভোর্স পেপার লাগবে না ।তোমাকে ফিরে পেয়েছি আমার আর কিছু চাই না। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত নিলাম
যেহেতু ডিভোর্স হয়ে গেছে তাহলে আমাদের এখন আর বিয়ে করতে কোন বাধা নেই। কি যে বলবো আর কি যে করবো এতো খুশির খবরে আমি আর কিছুই ভাবতে পারলাম না কিছুটা সময়। যাহোক সেই রাতেই বিয়ের পর্বটা সেরে ফেললাম।


সেই রাতে শুধু মাত্র মাকে ফোনে জানালাম যে আমরা বিয়ে করছি। আরো জানালাম আমি আপাতত বাড়িতে আসছিনা। কন্সট্রাকশন সাইটেই থাকবো।তাকে কোন চিন্তা করতে হবে না। সেখানে এখন করোনা ভাইরাসের জন্য কাজ বন্ধ নিরিবিলি বেশ থাকা যাবে।বাবাকে সময় সুযোগ মতো বুঝিয়ে সুঝিয়ে আফ্রোজাকে তখন বাড়িতে তোলা যাবে। ব্যস অল প্রবলেম সলভ।


অতএব নো চিন্তা ডু ফুর্তি আমারা মহা সুখে ঘর সংসার করতে লাগলাম।আজ আমাদের বিবাহের এক মাস পূর্তি ।
মেয়েটা পারেও বটে এনার্জি লেবেল খুব ভালো। একক্ষণ ধরে ঝগড়াঝাটি করে রান্না ঘরে গিয়ে মন দিয়ে মজাদার কোন খাবার বানাচ্ছে। আমি ভালো করে জানি এটা একটা পরিকল্পনা মাফিক কাজ।প্রথমত আমি যাতে লোভে পড়ি। দ্বিতীয়ত খাবারের লোভে ওর পিছনে ছোট বাচ্চার মতো ঘুরঘুর করি।


কিন্তু এখন আমি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিলাম। কিছুতেই আজ আমি কোন রকম লোভের ফাঁদে পা দেবো না। আমি একটা সিগারেট ধরালাম। যাতে খাবারের মিষ্টি গন্ধটা নাকে না আসে।তারপর চোখের সামনে একটা থ্রিলার বই খুলে পড়ার ভান করতে লাগলাম।এমন ভাব করলাম যেনো বইয়ের খুব মনোযোগী পাঠক।


আফ্রোজা মনে হয় আমার এই সতর্ক ব্যবহারে একটু চিন্তিত। সে বার দুয়েক হাতে মাংসের চপ নিয়ে খেতে খেতে একবার ঘর একবার বারান্দা করে বেড়াচ্ছে।তবু আমি লোভাতুর দৃষ্টি নিয়ে চপের দিকে একবারও তাকালাম না বা চপ কেড়ে নেওয়ার চেষ্ট করলাম না।হঠাৎ দেখি কি কারণে যেন সে চপের বাটিটা আমার পাশে রাখা সাইড টেবিলে নামিয়ে রাখলো। আমি অনেক কষ্টে লোভ সংবরণ করলাম।
আমিও পন করেছি কিছুতেই হার মানবো না। মুখের ভিতরে অবশ্য লালার স্রোত বয়ে যাচ্ছে খাবারের দারুণ মনেরম সুগন্ধে। সব থুতু আমি কোন রকমে গিলে ফেলছি। লোভকে কঠোর ভাবে সংবরণ করছি।


কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বলতে পারবো না।হঠাৎ শুনি ডোরবেল বাজছে । কে এলো অসময়ে।কেউ তো আসার কথা না।প্রথমে দরজার লক খুললাম তারপর ছিটকিনি ও অন্যান্য খুলে দেখি আমাদের এলাকার নাইট গার্ড তপন এসেছে তার এ মাসের বিলের টাকা নিতে।


আমি তাকে আগামীকাল আসতে বলে দরজা বন্ধ করলাম।হঠাৎ আফ্রোজার কথা মনে পড়ল । বাড়িটা আজকে খুব বেশি রকমের শুনশান মনে হলো। ঘরে ফিরে এসে দেখি আফ্রোজা নেই, রান্নাঘর বারান্দা ব্যলকনি, দুকামরার ঘর সব জায়গা চেক করলাম।হঠাৎ করে আফ্রোজা কোথায় যেন উবে গেছে। কপালে চিন্তার রেখা দেখা দিলো। মেয়েটা যাবে কোথায়?


আবার আরেক প্রস্থ সব জায়গা খোঁজা খুঁজি করলাম।কি আশ্চয লাইজু কোথাও নেই।কোথায় গেলো তবে আফ্রোজা?
হঠাৎ করে শিরদাড়া বেয়ে এক ভয়ের স্রোত নেমে গেলো। আফ্রোজা কি আমার উপর রাগ করে চলে গেছে ?এইটুকুতে রাগ তো হবার কথা না।তাও তো সম্ভব নয়।দরজা তো লক করা । কেউ বাইরে গেলে লক খুলে যেতে হবে।কিন্তু লক তো খোলা নেই।


আমি দ্রুত আফ্রোজার পরিচিত কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করলাম। সবাই কমবেশি আমার ফোন পেয়ে অবাক হলো মনে হয়। উল্টো জানতে চাইলো আমি কেন সব জানার পরে আফ্রোজাকে খোঁজ করছি। আমার মাথা ঠিক আছে তো।
আমি বেশ ধাঁধায় পড়ে গেলাম। সবাই বলছে আমি সব জানি। আমি কি জানি ?সেই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু কেউ দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে এড়িয়ে যাচ্ছে।
আমি কি মনে করে আমার ফোনে ঘাটাঘাটি করা শুরু করলাম আফ্রোজার একটা নাম্বার সেভ করা ছিলো অনেক আগে।সেটা আফ্রোজার বাসার নাম্বার। যখন তখন কল করা যাবে না এই শর্তে এই ফোন নাম্বারটা সেভ করা ছিলো। সেই ফোন নাম্বারে ফোন দিলাম।একজন মহিলা কন্ঠের ভদ্রমহিলা ফোনটা ধরে জানতে চাইলো আমি কে?
সম্ভবত ভদ্রমহিলা আফ্রোজার মা। আমি বুদ্ধি করে মেয়েলি কন্ঠে বললাম,
-আমি আফ্রোজার বান্ধবী তৃষা।
মহিলা মনে হয় একটু সময় নিলেন। একটা দীর্ঘশ্বাস চাপলেন তা স্পষ্ট বোঝা গেলো।তারপর জানতে চাইলেন,
-আফ্রোজাকে কি দরকার ?
আমি বললাম এই আফ্রোজা কেমন আছে একটু খোঁজ নিচ্ছি। অনেকদিন দেখা হয় না।
ভদ্রমহিলা এবার উচ্চ স্বরে কেঁদে উঠলেন।তারপর যা বললেন তাতে আমার হাত পা সব কাঁপতে লাগলো।
তিনি জানালেন,
- আফ্রোজা নাকি বিয়ের দুদিনের মাথায় আত্নহত্যা করেছে।তাও তো অনেকটা দিন হয়ে গেছে।
আমি শুধু ভাবতে লাগলাম তাহলে এই যে দীর্ঘ এক মাস আফ্রোজা আমার সাথে ছিলো এটা কি মিথ্যা।এটা কি করে সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪৮
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×