somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

গায়েন রইসউদ্দিন
আমি রইসউদ্দিন গায়েন। পুরনো দুটি অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে না পারার জন্য আমি একই ব্লগার গায়েন রইসউদ্দিন নামে প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছি এবং আগের লেখাগুলি এখানে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আবার প্রকাশ করছি।

কাশ্মীর প্রসঙ্গে--একটি ঐতিহাসিক দলিল (৩য় পর্ব)

২৫ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'পাকিস্তান' নামের এই খন্ডিত ভূ-খন্ড তৈরি না হ'লে কাশ্মীর প্রসঙ্গে এভাবে আলোচনা করার প্রয়োজন হ'ত না। আর যদি বা আলাদা সীমারেখা হ'ল, দু'দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সহবস্থান বজায় রাখতে পারছে না কেন (?)--এ প্রশ্ন ওঠা কি স্বাভাবিক নয়? কবি নজরুলের কথায় --'আমি চির শিশু, চির কিশোর'। শিশু-কিশোর মনে অগণ্য প্রশ্ন থাকবে। আমরা স্বাধীনোত্তর যুগের মানুষ। সে অর্থে আমরা শিশু। আমরা বড়দের, বুড়োদের স্বাধীনতা-স্বাধীনতা খেলার কথা শুনেছি মাত্র। কিন্তু ইতিহাস মনে রেখেছে, তাঁদের কলঙ্কিত কাহিনি। সেই ইতিহাসের পাতায় লেখা তোমাদের কর্মলীলার কথা, আমরা আজ আরও জানতে চাই। কী খেলা খেললে তোমরা? ভাই হয়ে ভাইদের বিরূদ্ধে ষড়যন্ত্র, হিংসা, দ্বন্দ্ব--কেন এসব? তোমরা কী শেখালে আমাদের? উত্তর চাই।
কাশ্মীরে হরি সিং-এর রাজত্বকালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শেখ আবদুল্লা। এই আন্দোলনে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। হরি সিং অনতিবিলম্বে একটি পরিষদ তৈরি করলেন তাঁর রাজকর্ম পরচালনায় সুবিধার জন্য। ১৯৪৬ খৃস্টাব্দে প্রজারা একটি প্রতিবেদনে হরি সিং-কে কাশ্মীর ছেড়ে (কাশ্মীর কো ছোড় দো) দেওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দেয়। রাজা হরি সিং এই আন্দোলন দমন করার জন্য শেখ আবদুল্লা ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করলেন।
১৯৪৭-এর জুন মাসে পুঞ্চ অঞ্চলের মানুষ রাজাকে কর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং নিজেরা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গ'ড়ে তোলে। ২৪শে অক্টোবর বিদ্রোহীরা স্বাধীনতা ঘোষণা ক'রে 'আজাদ কাশ্মীর' সরকার গঠন করল। হরি সিং ২৫শে অক্টোবর তাঁর পারিষদবর্গ সঙ্গে নিয়ে ভারতের দিল্লিতে চলে গেলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ২৬শে অক্টোবর। ২৭শে অক্টোবর ভারতীয় সেনা শ্রীনগরে নামল। ওদিকে 'আজাদ কাশ্মীর সরকার' ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বিদেশী শত্রু হিসেবে চিহ্নিত ক'রে পাকিস্তানের সাহায্য চাইল।...আর এভাবেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল দুটি দেশ (ভারত ও পাকিস্তান) কাশ্মীরকে কেন্দ্র ক'রে।...(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×