'আমারো পরাণো যাহা চায়, তার কিছুই নাহি এই চায়ে গো......'
বিদ্রোহী কবি নজরুল লাফ দিয়ে উঠে বললেন,
'আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, আমি সেইদিন হব শান্ত
যদি ভালো করে কেউ চা বানিয়ে আনতো !!
উদাস মুখে জীবনানন্দ দাস বললেন,
'আর আসিবনা ফিরে,রবি ঠাকুরের নীড়ে,
গরম চায়ে মুখ দিয়ে ঠোঁট গিয়েছে পুড়ে... '
কবি সুকান্ত বললেন,
'কবিতা তোমাকে দিলাম বিদায়,এক কাপ চা যেনো ঝলসানো ছাই! '
হেলাল হাফিজ গুমরে বললেন,
'নষ্ট পাতির সস্তা চায়ে মুখ হয়েছে তিতা!
কষ্ট চেপে নষ্ট চায়ে মুখ দিয়েছি! কি আসে যায়?'
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নরম কন্ঠে বললেন,
'ভালো আছি,ভালো থেকো! চায়েতে চিনি বেশি মেখো ! দিও তোমার....'
তাকে থামিয়ে দিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুন বললেন,
'আমি হয়তো মানুষ না, মানুষগুলো অন্যরকম !
মানুষ হলে এমন চায়ে চুমুক দিতাম না !'
পরিশেষে রবীন্দ্রনাথ অসহায় চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
' ওরে অধম, ওরে কাচা ! ভালো করে চা বানিয়ে, আমাকে তুই বাচা ! '
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


