আমরাই এমনই এক অন্ধ সমাজে বাস করি যেখানে টাকা ছাড়া মানুষের যোগ্যতা পরিমাপ করার কোন স্কেলই নাই।
মেয়েপক্ষ : ছেলে কি করে?
ছেলেপক্ষ : ছেলে বিদেশ (ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য) থাকে।
মেয়েপক্ষ : ওকে ঠিক আছে, আমরা রাজি।
চিন্তা করেন, বিদেশ থাকাও নাকি যোগ্যতা!! কোন আবালের সমাজে বসবাস করি। ঐ পোলার শিক্ষাগত যোগত্যা, ব্যক্তিত্ব, কাজের ধরন কিছুই দরকার নাই। ইউরোপ, আমারেকা থাকলেই হল।
(যারা বিদেশে থেকে কষ্ট করে রোজগার করে তাদের আমি সম্মান করি, কিন্তুু অসম্মান করি আমাদের নিচু মানসিতার মাপকাঠিকে)
এমন অনেক পরিবারকেই জানি যারা, গ্র্যাজুয়েট মেয়েটাকেও ইউরোপ, আমারেকা থাকা আন্ডার মেট্রিক পোলার কাছে বিয়ে দিতে দ্বিধা করে না।
ছেলের বাড়ি- গাড়ি থাকা চাই, ব্যাংকে অনেক টাকা থাকা চাই, বিয়েতে ভূরি ভূরি গয়না দেয়া চাই, ৫/১০ লক্ষ টাকা কাবিন করা চাই।
কেউ একবারও ভাবতে চায় না যে, যদি পৈত্রিক জমিদারী না থাকে তবে, একটা ছেলে লেখাপড়া শেষ করে সৎ ভাবে এসব করতে জিবনের অধিকাংশ সময় পার হয়ে যাবে, কারো হয়তবা সারাজিবন লেগে যাবে। তাহলে ষুষ, দুনীর্তি ছাড়া মেয়েপক্ষের চাহিদা পুরন করা তার দ্বারা কেমনে সম্ভব হবে?
মেয়েপক্ষের অভিবাভকরা যে বুঝে না ব্যাপারটা তা নয়। তারাও মনে মনে চায় যে, ঘুষ, দুনির্তি যাই করুক ছেলের টাকা থাকলেই হল।
এইসব বিকৃত মানসিকতাই সমাজটাকে দিন দিন নষ্ট করে দিচ্ছে। এখানে কারো ব্যক্তিত্ব, সততা, সামাজিক মূল্যবোধ, ধার্মিকতা কোন কাজেই আসে না। এভাবেই একটা সমাজে হতাশা ও অস্থিরতার সৃষ্টি হয়।
আল্লাহ যেন শিঘ্রই আমাদের বোধশক্তির উদয় ঘটান।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৬ সকাল ১০:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

