১/ দৈবচয়ন ভিত্তিতে সোনা গরীক্ষা করা হয়েছে । তার মানে পুরা ৯৬৩ কেজি সোনা এক পিস এক পিস করে পরীক্ষা করলে অনিয়ম যে কতটা হতো আল্লাহ জানে !
২/ ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সোনা পরীক্ষা কার্যক্রম চলে । তারপর মে ১৭ থেকে জিুলাই ১৮ পর্যন্ত অই সোনার আর কতটুকু মাটি হয়েছে কে জানে ?
৩/ পরীক্ষার ৫ মাস পর গত জানুয়ারিতে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
৪/ আর সোনা পরীক্ষার বছরখানেক পর ব্যাংকের মুখপাত্র বাবু ( ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী ) বলেন “এ বিষয়ে অবহিত করার মতো সুস্পষ্ট কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।”
৫/ ...........................................................................................................
বিঃদ্রঃ ৫ নম্বরটা যে যার ইচ্ছে মত লিখে নিবেন । কেউ যদি লিখতে আলস্য বোধ করেন, তা হলে মুখে বলতে পারেন । আমরা কুনতা মনে করতাম না ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



