somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবিষ্কার

০২ রা মে, ২০১০ রাত ৮:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আবিষ্কার

গভীর অরণ্য মাঝে তিনি হেঁটে চলেছিলেন অতি অদূর ভবিষ্যতের এক ক্রান্তিলগ্নের সম্মূখে, কিন্তু সে সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থেকে। তার পায়ের ধীর কিন্তু অক্লান্ত গতি নিঃসন্দেহে প্রতিকায়িত করে চলেছে এক নিগূঢ় গভীর অর্থ - এই যাত্রা শুরু হয়েছিল কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্যের উদ্দেশ্য, যার সন্ধান লাভ হয় নি এখনো। সুঠাম-সবল কিন্তু ক্ষত-বিক্ষত শরীরের উপর জমাট বাঁধা রক্ত স্মরণ করিয়ে দেয় - চেতনা-অবচেতনার পার্থক্য তার কাছে লুপ্ত হয়েছে বহু পূর্বেই, এবং মনোজগতে তিনি বিচরণ করে চলেছেন এই শ্বাপদসংকুল অরণ্য ছাড়িয়ে সুদূর-অচেনা কোন রাজ্যে। তার পথ চলার এ-রূপ দুর্বার প্রকৃতি হয়তো নিমেষে উদ্বুদ্ধ করতো যে কোন দুর্বল-হীনচেতা কাপুরুষকে; কিন্তু সঙ্গী হিসাবে তার পাশে অবস্থান করছে না কেউ; একাই তিনি, তিনি একাই হেঁটে চলেছেন। মেঘমুক্ত নীল আকাশে উড়ে চলা এক ঝাঁক পাখি, স্পষ্ট ও প্রায় নিষ্পলক তার দুই চোখে স্বচ্ছ প্রতিবিম্ব সৃষ্টি করে লক্ষ্য-জয়ের যে আগাম বার্তা দিচ্ছে, তার দর্শন প্রাপ্তিতে যে কোন কবি হয়তো রচনা করতে পারতেন একটি কালজয়ী কবিতা ; কিন্তু অরণ্য কবির আরাধ্য-ভূমি, বাসস্থান নয় ; তিনি একাই, একাই তিনি হেঁটে চলেছেন। নিঃসঙ্গতাকে একমাত্র সঙ্গী করে তিনি হেঁটে চলেছেন...

যাত্রা পথে তিনি বহুবার আক্রান্ত হয়েছেন ভয়ঙ্কর সব বন্য প্রাণী কতৃক; কিন্তু প্রতি বারই সৈনিকের দক্ষতায় পরাস্ত করেছেন তাদের। তিনি যখন হাঁটেন, মনে হয় যেন হেঁটে চলেছে সদ্য ধ্যান শেষে উঠে আসা কোন তপস্বী; কিন্তু আক্রান্ত হবার সাথে সাথেই জেগে ওঠে তার ঘুমন্ত পেশীবহুল শরীর, প্রবল আক্রোশে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন শত্রুর উপর, অসামান্য দক্ষতায় নিশ্চিহ্ন করেন নিমেষে। প্রায়ই তার আক্রমনের তেজ স্বাভাবিকতা ছাড়িয়ে চলে যায় অতিমানবীয় শক্তির পর্যায়ে, মনে হয় যেন যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছেন কোন পৌরাণিক দেবতা; কিন্তু পর মুহূর্তেই, শত্রু পরাজিত হলে, তিনি ফিরে আসেন স্বাভাবিক রূপে। নিজেও তিনি বিস্মিত হয়ে যান তার শক্তির প্রাবল্যে, সদ্য পরাজিত ও রক্তাক্ত পশুর দিকে তাকিয়ে একই সাথে অবাক ও পুলকিত হন। লক্ষ্যে সমগ্র একাগ্রতা দিয়ে অবিচল থাকলেই কেবল সম্ভব এ-রূপ অলৌকিক ক্ষমতা প্রাপ্তি, যে একাগ্রতা তাকে দীর্ঘকাল ধরে পরিচালিত করে চলেছে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে। একটি বারের জন্যও তিনি লক্ষ্যচ্যুত হন নি, ধৈর্য হারা হন নি, আতঙ্কিত হন নি, শঙ্কাগ্রস্থ হন নি। দীর্ঘ পদচারণা তাকে সামান্যতমও বিচলিত করতে পারি নি; বরং যতই তার যাত্রার অনন্ত হবার সম্ভবনা জেগেছে, ততই তিনি হয়ে উঠেছেন অদম্য সাহসী। প্রতিনিয়ত বর্ধিষ্ণু সাহসকে লক্ষ্য জয়ের একমাত্র হাতিয়ার করে তিনি হেঁটে চলেছেন...

তিনি নিজ অস্তিত্বের প্রশ্নে আক্রান্ত এক আদিম তরুণ। তিনি কোন দুঃখী মানুষ নন, পরাজিত মানুষ নন, ব্যর্থ মানুষ নন; জাগতিক প্রাপ্তির প্রায় সকল কিছুই তার মুষ্ঠিবদ্ধ। কালের বৈশিষ্ট্য হেতু তিনিও ছিলেন একটি গোষ্ঠীর অর্ন্তভূক্ত, সবার কাছে পরিচিত ছিলেন একজন কর্মদক্ষ যুবক হিসাবে। শুধুমাত্র কর্মদক্ষই নন তিনি, কৈশোর হতেই একই সাথে গভীর চিন্তাশীল। উর্বর মস্তিষ্কের প্রয়োগে বহু দূরুহ ব্যবহারিক সমস্যার সমাধান করেছেন তিনি, এবং চিন্তাশীল থেকেছেন নিত্য নতুন বিষয় নিয়ে। কিন্তু অস্তিত্ব সম্বন্ধে চিন্তাশীল হবার মানসিক উৎকর্ষতা তিনি অর্জন করেছিলেন কিছু কাল পূর্বে, এবং সেই থেকে তার চিন্তা নিমোজ্জিত থেকেছে একটি বিষয়কে কেন্দ্র করেই। তার গোষ্ঠীতে চিন্তাশীল মানুষের সংখ্যা অতি নগণ্য, বহু জনের কাছে প্রশ্ন করেও তিনি পান নি কোন গ্রহনযোগ্য উত্তর, আর তাই স্বভাবতই হয়ে উঠেছেন অস্থির। তিনি কে? তিনি কেন? তিনি কোথায় ? - ইত্যাদি প্রশ্ন তার মনোজগতে তৈরি করে মাত্রাধিক আন্দোলন, আর ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে তার জাগতিক ঔদাসীন্য ও উত্তর খোঁজার বাসনা।

তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সমগ্র জীবনব্যাপী প্রয়াস চালাবেন প্রশ্নের যথাযোগ্য উত্তর সন্ধানের, কিন্তু এক পর্যায়ে উপলব্ধি করেন- তার সমগ্র জীবনই পতিত হয়েছে প্রশ্নের অসীম গভীরত্বের মাঝে। প্রশ্নই যেন তার জীবন হয়ে উঠেছে, আর আকাঙ্খিত উত্তর হয়ে উঠেছে মুক্তি।

কিছু কাল পূর্বে, অমাবস্যার নিকষ-কালো রাতে, তিনি জোয়ার প্লাবিত এক স্রোতস্বীনি নদীর পাড়ে বসেছিলেন আকাশ পানে তাকিয়ে; সেই মুহূর্তেই, ভাবনার এক পর্যায়ে, তিনি চূড়ান্ত আক্রান্ত হন প্রশ্নটির অবাধ্য-প্রবল জোয়ার কতৃক। জোয়ারের প্রাবল্য এতই ছিল যে, নিশ্চুপ বসে থাকতে পারেন নি তিনি; ক্ষনিকের পার্থক্যে উঠে দাঁড়ান সটান হয়ে, নিগূঢ় আঁধারে দিশার পরোয়া না করে দ্রুত বেগে এগিয়ে যেতে থাকেন সম্মূখ পানে। উন্মাদের মতো তিনি ছুটতে আরম্ভ করেন , কিন্তু উন্মাদনা তার মস্তিস্ককে স্পর্শ করেনি কখনো; কারণ ইতোমধ্যে স্থির হয়ে গেছে তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য। তার সমগ্র চেতনায় তখন একটি লক্ষ্যই ভর করছে সমগ্র প্রভাব বিস্তার করে - অস্তিত্বের পূর্ণ উপলব্ধি না হওয়া পর্যন্ত আর থামবেন না তিনি, সমস্ত বিশ্ব প্রকৃতির অনন্ত বৈচিত্র্যের মাঝে উপলব্ধি করে যাবেন নিজেকে, আর এভাবেই উপনিত হবার চেষ্টা চালাবেন নিজ অস্তিত্বের পরম সংজ্ঞায়।

সেই যাত্রার গতি আজও থেমে যায় নি, তিনি ক্লান্তও হন নি সামান্য পরিমাণে। বৈচিত্র্যের সন্ধানে তিনি সময় অতিবাহিত করেছেন নিস্তব্ধ গুহার মাঝে, উত্তপ্ত ধূ-ধূ প্রান্তরে, সুগন্ধী ফুলের বিস্তীর্ণ মাঠে, ঝঞ্ঝা কবলিত ভয়ঙ্কর রাতে; তিনি অবস্থান করেছেন এমন অসংখ্য বৈচিত্র্যপূর্ণ স্থানে, এবং একাগ্র চিত্তে প্রয়াস চালিয়েছেন অস্তিত্ব অনুধাবনের। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর এখনও পেতে সমর্থ্য হন নি তিনি; যদি পারতেন, পূর্বেই থেমে যেত যাত্রা। তবে যাত্রা সম্পূর্ণ নিরর্থকতায় পর্যবসিত হয় নি তাঁর, দীর্ঘ ভ্রমনের অশেষ অভিজ্ঞতা হেতু তিনি অর্জন করেছেন দুর্লভ সব উপলব্ধি। ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর সীমাবদ্ধ গোন্ডির সংকীর্ণতা তার মনোজগৎ হতে বিদায় নিয়েছে; তিনি উদার হয়েছেন, দৃঢ় হয়েছেন, নির্ভীক হয়েছেন।

আরও এক গভীর উপলব্ধি হয়েছে তার, যা সম্পর্কে তিনি পূর্বে সামান্যতমও অবগত ছিলেন না। তিনি যাত্রা পথে যে স্থানে বা যে প্রান্তেই ছিলেন, কখনোই ব্যতিক্রম ঘটেনি একটি উপলব্ধির- নিজ অস্তিত্ব সম্বন্ধে সজ্ঞান হবার পূর্বশর্ত হল অপর কোন কিছুর অস্তিত্বের অলঙ্ঘনীয় উপস্থিতি। গুহার মাঝে অবস্থান করে তার উপলব্ধি হয়েছে- গুহার সাথে অবিচ্ছেদ্দ্য এক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন, উত্তপ্ত ধূ-ধূ প্রান্তরে অবস্থান করে তার উপলব্ধি হয়েছে- ধূ-ধূ প্রান্তরের সাথে অবিচ্ছেদ্দ্য এক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন, সুগন্ধী ফুলের বিস্তীর্ণ মাঠে অবস্থান করে তার উপলব্ধি হয়েছে- বিস্তীর্ণ মাঠের সাথে অবিচ্ছেদ্দ্য এক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন, ঝঞ্ঝা কবলিত ভয়ঙ্কর রাতের মাঝে অবস্থান করে তার উপলব্ধি হয়েছে- রাতের সাথে অবিচ্ছেদ্দ্য এক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়ে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু ক্ষনিকের জন্যও তার উপলব্ধি হয় নি- তিনি আছেন, কিন্তু অপর কোন কিছুর অস্তিত্ব অনুপস্থিত। এমন এক উপলব্ধির পর স্বভাবতই বিস্মিত হয়ে যান তিনি, যে বিস্ময় শেষ পর্যন্ত মুগ্ধতায় মিশে বিলীন হয়ে যায়। সেই অপার মুগ্ধতা তাকে নিজ অস্তিত্বের চেয়ে “অপর” অস্তিত্ব সম্বন্ধে চিন্তাশীল হতে প্রবৃত্ত করে, বারবার “অপর” অস্তিত্ব মাঝে তার চেতনা থমকে দাঁড়ায়। মুগ্ধতায় ক্রমশ আচ্ছন্ন হতে থাকেন তিনি, যার সমাপ্তি ঘটে সর্ব “অপর”-এর সামষ্টিক ব্যপ্তির একক বিশালতার মাঝে নিজেকে সমর্পণের মধ্য দিয়ে। তার যাত্রা নতুন গতি পায়, তিনি এগোতে থাকেন; সমগ্র অপর অস্তিত্বের, যার সাথে তিনি আবদ্ধ সংজ্ঞাহীন এক সম্পর্কসূত্রে, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আবিষ্কার তার লক্ষ্য হয়ে ওঠে।


হেঁটে চলেছিলেন তিনি, স্থবিরতা তার কাছে কাম্য নয় কখনোই; কারণ তিনি চান প্রমাণ, মনোলোকে আবিষ্কৃত হওয়া এক দৃপ্ত বোধের প্রত্যক্ষ প্রমাণ। তবে এখনো পর্যন্ত প্রমাণের সম্মূখীন হন নি তিনি, তাই যাত্রা চলছেই...।

এভাবেই যাত্রা পথে তিনি এসে পড়েছেন অরণ্য ছাড়িয়ে এক পর্বতবেষ্টিত স্থানে, যদিও তাঁর নিমগ্ন চিত্তে স্থানের প্রভেদ ধরা পড়েনি। আরও একটি প্রভেদ ধরা পড়েনি তার কাছে - মুগ্ধতা তাকে ক্রমশ বিশ্বাসী করে তুলেছে, এবং প্রতিনিয়ত তিনি প্রত্যক্ষ প্রমাণের প্রত্যাশ্যায় অধৈর্য্য হয়ে উঠছেন। হঠাৎ-ই বিশ্বাস দুর্দমনীয় হয়ে অগ্নুদ্‌গারের মতো তাঁর মুখগহ্বর হতে বেরিয়ে আসে গগন বিদারী চিৎকার হয়ে- “ বলো আছি-ই-ই-ই-ই-ই....”। সেই চিৎকার পর্বতের গায়ে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে আসে - “ বলো, আছি-ই-ই-ই-ই-ই....”। কিন্তু ততক্ষণে বিশ্বাসী মন তার শ্রবণ ইন্দ্রিয়কে করে ফেলেছে একান্ত অনুগত, তাই দুটি শব্দ পরিস্রুত হয়ে প্রবেশ করে শুধুমাত্র “ আছি-ই-ই-ই-ই-ই....” হয়ে, এবং নিজ কন্ঠের প্রতিদ্ধনিও সেই ক্রান্তিলগ্নে মনে হয় অতিপ্রাকৃতিক। তিনি নিশ্চিত! তিনি সফল! তিনি বিজয়ী! তিনি আবিষ্কর্তা! আনন্দের প্রাবল্যে মূর্চ্ছা যান তিনি।

সম্বিত ফিরে পেলে দীর্ঘকাল পর পেছন ফিরে তাকান তিনি, মুহূর্তেই রুদ্ধশ্বাসে ছুটতে আরম্ভ করেন নিজ গোষ্ঠীর কাছে ফিরে যাবার উদ্দেশ্যে - তাঁর মহান আবিষ্কারের কথা সবার জানতে হবে যে! তিনি ছুটতে থাকেন, প্রবল বেগে ছুটতে থাকেন; পড়ে থাকে পর্বতবেষ্টিত সেই স্থান, অতি অদূর ভবিষ্যতের শ্রেষ্ঠ পূণ্য ভূমি হবার অপেক্ষায়।


রাতুলপাল
(তৃতীয় বর্ষ, ইংরেজী বিভাগ)

এটা আমার বন্ধুর একটা পুরনো লেখা। সে Inferiority Complex এ ভোগায় ছাপায় না, তাই আমি লেখাটা এখানে প্রকাশ করি। আপনাদের কাছে জিজ্ঞাসা লেখাটা কি খারাপ? আপনাদের মন্তব্য আশা করছি।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×